গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

মেনু

ভারতে রিমান্ড শেষে কারাগারে

ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার ফয়সাল করিমের

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৫০ পিএম, ২২ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ০২:১২ এএম ২০২৬
ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার ফয়সাল করিমের
ছবি

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ (মাঝে) এবং তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে (বাঁয়ে) রোববার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আদালতে তোলা হয় -ছবি সংগৃহীত

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের পর কারাগারে পাঠিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের একটি আদালত। সেখানে ফয়সাল করিম দাবি করেছেন, তিনি ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত নন।

৮ মার্চ ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বনগাঁ এলাকা থেকে আটক করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স বা এসটিএফ। অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতারের পর পুলিশ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের জন্য রিমান্ডে নিয়েছিল।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ রোববার (২২ মার্চ) ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা বিচার বিভাগীয় আদালতে হাজির করা হয়। আদালত দুজনকে ১২ দিনের জন্য কারা হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। আগামী ২ এপ্রিল আবার আদালতে হাজির করা হবে তাদের। আদালতে নেওয়ার আগে দুজনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করায় বিধাননগর পুলিশ।

আদালতে নেওয়ার পর উপস্থিত সাংবাদিকেরা ফয়সালকে বাংলাদেশে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে ফয়সাল বলেন, ‘আমি এই কাজ করিনি। এসব কাজের সঙ্গে আমি যুক্ত ছিলাম না।’

সাংবাদিকেরা তার কাছে জানতে চান, তবে কি তাকে ফাঁসানো হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান ফয়সাল। তবে এসটিএফ সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকায় ওসমান হাদিকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় গুলিবর্ষণের পর পুলিশি তদন্তে নাম আসে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিমের। যে মোটরসাইকেলে এসে ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়েছিল, তাতে ফয়সাল ও আলমগীর ছিলেন বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান।

তবে ফয়সাল ও আলমগীর এই হত্যাকাণ্ডের পরপরই ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা তখন জানিয়েছিলেন। প্রায় তিন মাস পর ৮ মার্চ ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতারের খবর জানায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

এসটিএফের ভাষ্য অনুসারে, ফয়সাল ও আলমগীর পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয় পালিয়ে এসে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

ভারতে গ্রেফতার এই দুজনকে দেশে ফেরত আনার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান।

এদিকে গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

এই হত্যাকাণ্ডের পর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের একটি মামলা করেন। সেই মামলার তদন্ত করে গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তাদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশে গ্রেফতার হন। ভারতে ফয়সাল ও আলমগীর ছাড়াও তাদের পালাতে সহায়তাকারী একজনও ধরা পড়েছেন।
সানা/আপ্র/২২/৩/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ১৫ শতাংশ ঘুষ দাবি, বিতর্কে দেবীগঞ্জের পিআইও
২৩ জুন ২০২৬

ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ১৫ শতাংশ ঘুষ দাবি, বিতর্কে দেবীগঞ্জের পিআইও

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে টিআর, কাবিখ...

দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন
২২ জুন ২০২৬

দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ও চেয়ারম্যান নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) এ সং...

মোহাম্মদপুরে বাসার সামনে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম
১৯ জুন ২০২৬

মোহাম্মদপুরে বাসার সামনে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম

ঢাকার মোহাম্মদপুরে নিজ বাসার সামনে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে ধর্ষণের মামলা কিছুটা বেড়েছে বলে যে পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো এখন ভুক্তভোগীরা সহজেই মামলা করতে পারছেন। আগে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে অনেক ভুক্তভোগী থানায় গিয়ে মামলা করতে পারতেন না বা করতে চাইতেন না। আপনি কি মনে করেন মন্ত্রীর এই বক্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে