গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

মেনু

নতুন আমদানি নীতি চালু করলো সরকার

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:১৯ পিএম, ২৫ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৫:০৯ এএম ২০২৬
নতুন আমদানি নীতি চালু করলো সরকার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি এখন থেকে মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করতে পারবেন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকরা। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্পে বিনিয়োগের জন্য আমদানি সুবিধা এবং রপ্তানিমুখী শিল্পে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ সম্প্রসারণ করে এ সংক্রান্ত নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ জারি করেছে সরকার।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত নতুন আমদানি নীতির গেজেট প্রকাশ করেছে।

এই নীতিমালার আওতায় ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ মিলবে। এ ছাড়া প্রবাসীদের অনুমোদিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য মূলধনি যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়াও সহজ হবে।

২০২১-২০২৪ আমদানি নীতির মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩০ জুন শেষ হয়। নতুন আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত আগের নীতিই কার্যকর ছিল।

নীতিমালা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আগের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এ এলসি ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ থাকলেও বিভিন্ন পণ্য ও খাতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত ছিল। নতুন আদেশে সেই সুযোগ আরও বিস্তৃত করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রচলিত পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আগের নীতিতে বাণিজ্যিক আমদানিকারকেরা এলসি ছাড়া নির্দিষ্ট মূল্যসীমার মধ্যে পণ্য আমদানি করতে পারতেন। নতুন নীতিতে সেই মূল্যসীমা তুলে দিয়ে সেলস বা পারচেজ কনট্রাক্টের মাধ্যমে আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গেজেট অনুযায়ী, আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এ আমদানি ব্যবস্থাকে আধুনিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যচর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার পাশাপাশি ব্যবসা সহজীকরণ, রপ্তানি সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং শিল্পের কাঁচামালের সহজলভ্যতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন আমদানি নীতিতে ফ্রি ট্রেড জোন ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। সরকারের প্রত্যাশা, এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বাণিজ্য, লজিস্টিকস ও পুনঃরপ্তানির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে।

আগের আমদানি নীতির তুলনায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তন। ২০২১-২০২৪ নীতিতে রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে বন্ডসহ বিভিন্ন সুবিধা থাকলেও নতুন আদেশে বাণিজ্য ও লজিস্টিক অবকাঠামোর অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় বন্ডেড ওয়্যারহাউসের বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া আরও বেশকিছু সুবিধা যোগ করেছে সরকার৷

এসি/আপ্র/২৫/০৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

গরমে বাড়ছে ডাবের চাহিদা, একটির দাম ২২০ টাকা
২৫ আগস্ট ২০২৬

গরমে বাড়ছে ডাবের চাহিদা, একটির দাম ২২০ টাকা

ভাদ্রের তীব্র গরমে শরীর জুড়াতে ডাবের পানির চাহিদা বেড়েছে। আর বাড়তি চাহিদা ও বাজারে সরবরাহ কম থাকায় ব...

সরকারের ৬ মাস: ১২ সূচকে স্বস্তি, ১৯টিতে গভীর শঙ্কা
২৪ আগস্ট ২০২৬

সরকারের ৬ মাস: ১২ সূচকে স্বস্তি, ১৯টিতে গভীর শঙ্কা

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ছয় মাসে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চিত্রে বড় ধরনের বৈপরীত্য ফুটে...

১৪ দিনেই ব্যবসার লাইসেন্স, আসছে আরো সুবিধা
২৩ আগস্ট ২০২৬

১৪ দিনেই ব্যবসার লাইসেন্স, আসছে আরো সুবিধা

দেশে ব্যবসা শুরু ও বিনিয়োগের অনুমোদন বা লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত করতে ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবসায়ি...

সোনার দাম এক ধাক্কায় ভরিতে বাড়লো ৫৪৮২ টাকা
২২ আগস্ট ২০২৬

সোনার দাম এক ধাক্কায় ভরিতে বাড়লো ৫৪৮২ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

চাঁদাবাজদের সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও তালিকা হবে

সারাদেশে চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরির পাশাপাশি এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদেরও তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগরসহ দেশের সব মহানগর এলাকায় চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাঁদের ধরতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন মন্ত্রীর এই বক্তব্যে চাঁদাবাজিসহ অপরাধ কমবে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে