গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মেনু

বন্দি বিনিময় চুক্তিতে হাদি হত্যার আসামিদের ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:২৯ পিএম, ০৯ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১১:৫৪ এএম ২০২৬
বন্দি বিনিময় চুক্তিতে হাদি হত্যার আসামিদের ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, হাদি হত্যার ঘটনায় ভারতে গ্রেফতার হওয়া আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে।

সোমবার (৯ মার্চ) কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ এটিএম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে পর্যটন বললেই কক্সবাজারের নাম আসে। ভ্রমণ তালিকায় শীর্ষে থাকা কক্সবাজার সৈকতকে আরো পরিকল্পিত ও আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দিতে অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সৈকতকে শৃঙ্খলার মধ্যে এনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সৈকতের সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। পাশাপাশি পুরো শহরজুড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা সক্রিয় করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করা হবে। নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত হলেই বিশ্বমানের পর্যটন বিকাশ সম্ভব।

মাদক সমস্যার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে উখিয়া-টেকনাফের মাদক রুট বন্ধ করা জরুরি। মাদকের প্রসার, প্রচার ও বাণিজ্য বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কক্সবাজারকে মাদকমুক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনলাইন জুয়া বন্ধের বিষয়েও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনের বিষয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর পাহাড় এলাকায় বর্তমানে বড় ধরনের যৌথ অভিযান চলছে। কোনো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী কিংবা সংঘবদ্ধ অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এটি সরকারের প্রতিজ্ঞা, প্রতিশ্রুতি এবং জনগণের প্রত্যাশা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আ বলেন, দেশে ‘মব কালচার’ প্রবণতা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মব সংস্কৃতি আর কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না। সবকিছুকেই কেন ‘মব’ বলতে হবে, কিছু কিছু সংগঠিত হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা-সুনির্দিষ্ট অপরাধ। মব স্টাইলে কারো ওপর জলুম করা হলে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা মব নয় নির্ধারিত ক্রাইম। এর পেছনে ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা নাকি অন্য কোন কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অপরাধ অনুসারে এর বিচার নিশ্চিত হবে। কোনো অস্ত্রধারী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ক্রিমিনালকে আইনের বাইরে রাখবো না- সবাইকে ক্রমান্বয়ে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা টেকনাফ স্থলবন্দর চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান, পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল এবং কক্সবাজার-৪ আসনের শাহজাহান চৌধুরী, কক্সবাজার-২ আসনের আলমগীর ফরিদসহ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসি/০৯/০৩/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৯ জুন ২০২৬

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা দেশে মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধ...

অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস
২৯ জুন ২০২৬

অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিলসহ একাধিক সংশোধনী এনে জাতীয় সংসদে অর্থবিল-২০২৬ পাস হয়েছে। সোমবার...

ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে রাতে আছে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
২৯ জুন ২০২৬

ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে রাতে আছে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ২০ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০...

চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী
২৯ জুন ২০২৬

চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

বিগত সময়ে স্বাস্থ্য খাতের বিপর্যয়, ভুল নীতি এবং হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের কারণে দেশের অর্থনৈতিক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ট্রাইব্যুনাল আইন নিয়ে রিট বিতর্ক ও হেয় প্রতিপন্ন করার প্রচেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদনটি ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত ও হেয় প্রতিপন্ন করার একটি প্রচেষ্টা। আপনি কি মনে করেন চিফ প্রসিকিউটরের মন্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 22 ঘন্টা আগে