গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬

মেনু

অন্য বিভাগে বদলি করায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকার গলা কাটলেন কর্মচারী

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:০১ পিএম, ০৪ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১১:৪৭ এএম ২০২৬
অন্য বিভাগে বদলি করায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকার গলা কাটলেন কর্মচারী
ছবি

নিহত শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা -ছবি সংগৃহীত

বেতন নিয়ে ঝামেলা ও অন্য বিভাগে বদলির জেরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার গলায় ছুরি চালিয়েছেন ফজলু নামে এক কর্মচারী। পরে নিজের গলায়ও ছুরি চালিয়েছেন একই বিভাগের সাবেক এই কর্মচারী।

বুধবার (৪ মার্চ) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যানের রুমে এই ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মচারী বেতন পাচ্ছিলেন না। এটি নিয়ে বেশ ক’দিন আগে বিভাগীয় সভাপতির সঙ্গে ঝামেলা হওয়ার পরে সম্প্রতি ফজলুকে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই এ কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবনের নিচে কর্তব্যরত এক আনসার সদস্য বলেন, ঘটনার সময় আমরা এখানে চার জন গল্প করছিলাম। সিভিল লোকও ছিলেন ৩-৪ জন। হঠাৎ আমরা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনি। তারপর একসঙ্গে ওপরে উঠে চেয়ারম্যানের রুমের বাইরে ডাকাডাকি করি। পরে দরোজা না খুললে ভেঙে ফেলি। তারপর দেখি যে ম্যাডাম উপুড় হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে আছেন। আর কর্মচারী নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে দিচ্ছেন। পরে আমরা প্রশাসনের কাছে ফোন দেই।

সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ জানান, ফজলুকে বদলি করা হয় প্রায় ২ মাস আগে। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারছিলেন না। এটা নিয়ে অনেক রেষারেষিও হচ্ছিল। এ রকম  পর্যায়ে যাবে এটা আমরা ভাবতেও পারিনি। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারেননি। উনি প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মচারী, উনি এখান থেকে চলে যাবেন, উনি সব কিছুই জানেন এই বিভাগের। তিনি বলেন, ওনাকে পলিটিক্যাল সায়েন্সে বদলি করা হয়। আর উনি এখন এমন সাংঘাতিক একটা ডিসিশন নেবে আমরা ভাবতেও পারিনি। আমরা ওদিকে ব্যস্ত ছিলাম। ডিপার্টমেন্টে হাবিব স্যার ছিল। উনি ৩০ মিনিট আগে ডরমেটরিতে চলে যান। আমাদের ৫টায় প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর মাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনো কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিলেন না। আমরা ছিলাম ওই রুমে। এই সুযোগে উনি এই আত্মঘাতী ঘটনাটি ঘটালেন। ম্যামের রুম আগে থেকে লক করা ছিল না। ওই কর্মচারী ঢুকে লক করে দেন।

সানা/ডিসি/আপ্র/৪/৩/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

২৮ তারকার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
২৬ জুলাই ২০২৬

২৮ তারকার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাংস্কৃতিক অঙ্গ...

৯৮ মামলায় ৯৯ দিন রিমান্ড, আইনজীবীর সাক্ষাৎ চান পলক
২৬ জুলাই ২০২৬

৯৮ মামলায় ৯৯ দিন রিমান্ড, আইনজীবীর সাক্ষাৎ চান পলক

জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ট্রাকচালক মো. হোসেন হত্যা মামলায় আদালতে হাজির হয়ে আইনজীব...

হামের উপসর্গে আরো চার মৃত্যু, শনাক্ত ১৭০
২৬ জুলাই ২০২৬

হামের উপসর্গে আরো চার মৃত্যু, শনাক্ত ১৭০

দেশে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো চারজনের মৃত...

অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি ও পরকীয়ার অভিযোগ স্ত্রীর
২৬ জুলাই ২০২৬

অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি ও পরকীয়ার অভিযোগ স্ত্রীর

জয়পুরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (৩৪তম বিসিএস) আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

সাহাবুদ্দিন বর্তমান সরকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন

গুরুতর স্বাস্থ্যগত কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেও মো. সাহাবুদ্দিন বর্তমান নির্বাচিত সরকারের প্রতি সবসময় সমর্থন ও শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে