গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

মেনু

প্রধানমন্ত্রীর সফর

মোংলা বন্দর উন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, খুলনায় ক্রীড়া উৎসব উদ্বোধন

এসএম ফরিদ রানা, খুলনা প্রতিনিধি

এসএম ফরিদ রানা, খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০০:৩৬ পিএম, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০২:০৪ এএম ২০২৬
মোংলা বন্দর উন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, খুলনায় ক্রীড়া উৎসব উদ্বোধন
ছবি

বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণ, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশের বার্তা নিয়ে এক দিনের সফরে খুলনা ও বাগেরহাটের মোংলা সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে হেলিকপ্টারে মোংলায় পৌঁছে বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। পরে বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে খুলনায় যান প্রধানমন্ত্রী। বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর উদ্বোধন করেন তিনি। দিনব্যাপী সফরে দেশের উন্নয়ন, বিনিয়োগ, শিক্ষা, খেলাধুলা ও নতুন প্রজন্মের বহুমুখী দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন সরকারপ্রধান।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে হেলিকপ্টারে বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টার দিকে বন্দরের নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এ সময় ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ইনভেস্ট বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বিভাগের সদস্য সালেহ আহমেদ এবং চীনা পক্ষের হয়ে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান লি চংইয়াং এতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। চীনা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান দাই হেগেন।

সমঝোতা অনুযায়ী, জ্বালানি, শিল্প অবকাঠামো, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো, পরিবহন, পণ্য পরিবহন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান করবে দুই পক্ষ। বিনিয়োগকারীদের সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন এবং বিনিয়োগ কার্যক্রমের সমন্বয়েও সহযোগিতা করবে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

এরপর সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে মোংলা বন্দরের ৯ নম্বর জেটি এলাকায় দুটি নতুন কনটেইনার জেটি নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৪৭৫ কোটি টাকা। বাকি ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে চীন। প্রকল্পের আওতায় ৩৬৮ মিটার দীর্ঘ জেটি, কনটেইনার রাখার ইয়ার্ড এবং বিপজ্জনক পণ্য ব্যবস্থাপনার সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ইয়ার্ডে ৪৯টি যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। সেখানে প্রতি ঘণ্টায় ৩০টির বেশি কনটেইনার ওঠানো-নামানো সম্ভব হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের বার্ষিক কনটেইনার ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা ৪ লাখ টিইইউতে উন্নীত হবে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির এ উদ্যোগকে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। নতুন জেটি ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো চালু হলে বন্দরে পণ্য ও কনটেইনার ওঠানো-নামানোর সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়ন ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।

মোংলায় চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আরো বেশি চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান। মোংলাকে শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এ অঞ্চলে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিল্পায়নের জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। মোংলা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি জনবল নিয়োগের উদ্যোগের জন্য প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি আরো শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মোংলার কর্মসূচি শেষে বেলা সোয়া ১১টার দিকে সড়কপথে বাগেরহাট জেলা সদরের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন তিনি। এরপর বেলা সোয়া ১টার দিকে খুলনার উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে খুলনা সার্কিট হাউজে পৌঁছে সেখানে যাত্রাবিরতি করেন প্রধানমন্ত্রী।

তাঁর আগমন ঘিরে খুলনা মহানগরীতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নগরীর প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো পরিচ্ছন্ন ও সাজানো হয়। জেলা স্টেডিয়াম ও আশপাশের সড়কে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ব্যানার-ফেস্টুনের পাশাপাশি শিববাড়ী মোড় থেকে রেলস্টেশনের প্রধান ফটক পর্যন্ত দেয়ালে আঁকা হয় বিভিন্ন গ্রাফিতি। এসব চিত্রকর্মে খুলনার ইতিহাস-ঐতিহ্য, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, সুন্দরবন ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রতিকৃতি স্থান পায়। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অপ্রয়োজনীয় তোরণ ও বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়নি। নেতাকর্মীদের লাগানো ফেস্টুনও সরিয়ে ফেলা হয়।

খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে মহানগরীকে পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দন করা হয়েছে। তাঁকে স্বাগত জানাতে নগরবাসী অপেক্ষায় রয়েছেন।

বিকেল পৌনে ৪টার দিকে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে উপস্থিত শিশু-কিশোর, শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াবিদদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। মাঠ প্রদক্ষিণ করে গ্যালারিতে উপস্থিত শিশু-কিশোরদের অভিবাদনের জবাব দেন তিনি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাঁকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে উপস্থিত শিশুরা।

বিকেল ৪টার দিকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা, কারাতে, আর্টস ও তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ তৈরি করা হবে। তাদের হাত ধরেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে এবং বিশ্বদরবারে দেশের সুনাম ছড়িয়ে দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরা যেমন পড়ালেখা করতে পারো, তেমনি খেলাধুলায়ও পারদর্শী হবে। তোমাদের পারতে হবে। লেখাপড়ার পাশাপাশি কারাতে, আর্টস ও খেলাধুলা জানতে হবে। তোমরা যেন পড়ালেখার পাশাপাশি সব ধরনের খেলাধুলা ও তৃতীয় ভাষা শিখতে পারো, সে জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, এই বাংলাদেশকে নতুন প্রজন্মের হাতেই গড়ে তুলতে হবে। বিশ্বদরবারে দেশের সুনাম পৌঁছে দিতে শিশু-কিশোরদের যোগ্যতা ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। শুধু পড়ালেখায় ভালো ফল করাই যথেষ্ট নয়; খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও ভাষা শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারদর্শী হয়ে উঠতে হবে। এ জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেবে।

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরে অংশগ্রহণের জন্য দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবার অনলাইনে নিবন্ধন করেছে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন শিশু-কিশোর। প্রথম আসরে নিবন্ধনের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৮ হাজার। দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে প্রতিযোগীদের নিয়ে দল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিবন্ধিত প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ এ আয়োজনের বিভিন্ন পর্যায়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এবারের প্রতিযোগিতায় আগের আটটি খেলার সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভলিবল ও টেবিল টেনিস। ফলে মোট ১০টি ক্রীড়া ইভেন্টে প্রতিযোগিতার সুযোগ পাচ্ছে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা। তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে তাদের প্রশিক্ষণ ও বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ৪০ জন শিক্ষার্থীর হাতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রস্তাবপত্র তুলে দেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল চীনের ঐতিহ্যবাহী ড্রাগন ও সিংহ নৃত্য পরিবেশনা। চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা একদল শিক্ষার্থী এ পরিবেশনায় অংশ নেন। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চলমান ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিনিময় কর্মসূচির আওতায় দুই দেশের শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষকদের মধ্যে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় হচ্ছে। অনুষ্ঠানে দুই শিক্ষার্থী এবং দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, বন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদিন ফারুক, আজিজুল বারী হেলাল, আলী আজগার লবী, আমির এজাজ খান ও বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি, জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহফুজ আলম খান, বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম, পুলিশ কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমানসহ প্রশাসন ও ক্রীড়া সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

কর্মসূচি শেষে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দরে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে তাঁর দিনব্যাপী খুলনা ও বাগেরহাট সফর শেষ হয়।
সানা/আপ্র/৬/১১/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

শাহজালালে ১২ কেজি স্বর্ণের পেস্টসহ আটক দুই চীনা নাগরিক কারাগারে
০৬ নভেম্বর ২০২৬

শাহজালালে ১২ কেজি স্বর্ণের পেস্টসহ আটক দুই চীনা নাগরিক কারাগারে

দুবাই থেকে ঢাকায় এসে অন্তর্বাস ও জিন্সের প্যান্টে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে ১২ কেজি স্বর্ণের পেস্ট আনার অভি...

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে সেনাসদস্য নিহত
০৬ নভেম্বর ২০২৬

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে সেনাসদস্য নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গুলি বিনিময়ের ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাব...

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগে ২০৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের হিসাব জব্দের নির্দেশ
০৫ নভেম্বর ২০২৬

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগে ২০৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের হিসাব জব্দের নির্দেশ

পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি, শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি ও অর্থায়নের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও...

দেশের সব পোশাক কারখানায় ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি
০৫ নভেম্বর ২০২৬

দেশের সব পোশাক কারখানায় ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে তৈ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

রাস্তায় যারা এখন আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাস্তায় যারা এখন আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই। রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য একটি মহল অপচেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে চিংড়ি মহাল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি মন্ত্রীর এই বক্তব্যকে সঠিক মনে করেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে