গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

প্রথম কর্মদিবসে কর্মকর্তাদের কঠোর বার্তা আইনমন্ত্রীর

দুর্নীতিতে জড়ালে প্রশাসনিক শাস্তি নয়, হবে মামলা

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৪২ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৫৩ এএম ২০২৬
দুর্নীতিতে জড়ালে প্রশাসনিক শাস্তি নয়, হবে মামলা
ছবি

কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতিমূলক সভায় মো. আসাদুজ্জামান-ছবি সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিচারক মানেই সৎ-বিচারক শব্দটির সঙ্গেই সততার বৈশিষ্ট্য জড়িত। কেউ দুর্নীতিতে জড়ালে তার বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থা নয়, দুর্নীতির মামলাও করা হবে। দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রথম কর্মদিবসে উভয় বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতিমূলক সভায় তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রায়ই ‘দুর্নীতিবাজ বিচারপতি’ বা ‘দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা’-এ ধরনের কথা শোনা যায়। কিন্তু বিচারপতি মানেই সৎ বিচারপতি। সৎ বিচারপতির আলাদা কোনো সংজ্ঞা নেই; বিচারক শব্দটির মধ্যেই সততার ধারণা নিহিত। বিচারকের ক্ষেত্রে সৎ-অসৎ বিভাজন তিনি দেখতে চান না।

তিনি আরো বলেন, যাদের মনে হয় চাকরির বেতনে সংসার চলে না বা এই আয়ে তাদের পোষাবে না, তাদের এ দায়িত্ব নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তারা ওকালতি করতে পারেন, কারণ অবসরের পরও সেই সুযোগ থাকে-এটাই তার ‘কমন মেসেজ’।

দুর্নীতি প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, কেউ যদি মনে করেন দুর্নীতি করে পার পেয়ে যাবেন, তা হবে না। কেউ দুর্নীতিতে জড়ালে প্রশাসনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হবে-এ বিষয়টি সবাইকে স্মরণ রাখতে হবে।

মানুষের পাহাড়সম প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করব: একই দিন দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে আইনমন্ত্রী বলেন, মানুষের পাহাড়সম প্রত্যাশা পূরণে তিনি নিরন্তর কাজ করে যাবেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় যারা ১৭ বছর ধরে জীবন দিয়েছেন, তাদের কথা স্মরণে রেখেই কাজ করবেন। চ্যালেঞ্জ আছে, তবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অবিচল থাকার কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারকে ধারণ করেই এগিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য। গত ১৬ থেকে ১৭ বছরে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন-বিশেষ করে জুলাই বিপ্লবে নিহতরা এবং ১৯৭১ সালে দেশ গড়ার জন্য আত্মত্যাগকারীরা-তাদের চেতনাকে ধারণ করেই সরকার সামনের দিকে এগোবে। মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। একই সঙ্গে আইনের কোনো অপব্যবহার হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে দলের মুখপাত্র ইতোমধ্যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন; নতুন করে তার ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

সানা/আপ্র/১৮/২/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল
১৯ আগস্ট ২০২৬

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) হতে যাওয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হবে, এক্ষেত্রে আইনি কোনো বা...

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ
১৮ আগস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ করে দি...

ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মানবতাবিরোধী অপরাধের রায় যেকোনো দিন
১৭ আগস্ট ২০২৬

ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মানবতাবিরোধী অপরাধের রায় যেকোনো দিন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদে...

কাপ্তাই লেকের অবৈধ দখলদারদের তালিকা চাইল হাই কোর্ট
১৬ আগস্ট ২০২৬

কাপ্তাই লেকের অবৈধ দখলদারদের তালিকা চাইল হাই কোর্ট

কাপ্তাই লেকের সীমানা জরিপ করে সেখানে থাকা অবৈধ স্থাপনার মালিকদের নাম-ঠিকানাসহ তালিকা দাখিলের নির্দেশ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সরকারের কর্মকাণ্ডকে খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই জরিপে সরকারের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 ঘন্টা আগে