গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১১ পিএম, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৩৬ এএম ২০২৬
পদত্যাগ করলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দার
ছবি

বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার -ছবি সংগৃহীত

হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন। তাদের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিচারপতি মামনুন রহমান গত ২ ফেব্রুয়ারি ই-মেইলে পাঠানো পত্রের মাধ্যমে এবং বিচারপতি নাইমা হায়দার গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তাদের পদত্যাগপত্র দুটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।


আইনজীবী রেজাউর রহমানের ছেলে মামনুন রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) এবং এলএলএম অর্জন করেন। তিনি ১৯৮৯ সালের ২৬ নভেম্বর জেলা আদালতে, ১৯৯০ সালের ২৯ মে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে এবং ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।


২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হন এবং ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট একই বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। মামনুন রহমান ১৯৯০ সালে ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গ, ১৯৯৭ সালে ভারতের নয়াদিল্লি, ২০০৭ সালে ভারতের কলকাতা এবং ২০০৯ সারে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সেমিনার এবং স্টাডি সেশনে অংশগ্রহণ করেন। 

 

তিনি নেপাল, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, ফ্রান্স এবং কানাডা সফর করেছেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর মেয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এলএলএম ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। 

 

এছাড়াও তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলি বা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। 

 

১৯৯৩ সালে হাই কোর্ট বিভাগ ও ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন নাইমা হায়দার। পরে ২০০৯ সালে হাই কোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

 

 

ডিসি/আপ্র/০৯/০২/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল
১৯ আগস্ট ২০২৬

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) হতে যাওয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হবে, এক্ষেত্রে আইনি কোনো বা...

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ
১৮ আগস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ করে দি...

ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মানবতাবিরোধী অপরাধের রায় যেকোনো দিন
১৭ আগস্ট ২০২৬

ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মানবতাবিরোধী অপরাধের রায় যেকোনো দিন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদে...

কাপ্তাই লেকের অবৈধ দখলদারদের তালিকা চাইল হাই কোর্ট
১৬ আগস্ট ২০২৬

কাপ্তাই লেকের অবৈধ দখলদারদের তালিকা চাইল হাই কোর্ট

কাপ্তাই লেকের সীমানা জরিপ করে সেখানে থাকা অবৈধ স্থাপনার মালিকদের নাম-ঠিকানাসহ তালিকা দাখিলের নির্দেশ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সরকারের কর্মকাণ্ডকে খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই জরিপে সরকারের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 ঘন্টা আগে