গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

হাঁস জবাই করে পেটে পাওয়া গেল সোনার টুকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:২০ পিএম, ০৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১১:০৩ এএম ২০২৬
হাঁস জবাই করে পেটে পাওয়া গেল সোনার টুকরা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

মধ্যচীনের এক ব্যক্তি খাওয়ার জন্য হাঁস জবাই করেছিলেন। এরপরই ঘটল আসল চমক। হাঁসের পেটে খুঁজে পেয়েছেন সোনা। বিরল এই প্রাপ্তি অতীতের সোনা খোঁজার উন্মাদনার কথা মনে করিয়ে দেয়।

গত ফেব্রুয়ারিতে হুনান প্রদেশের লংহুই কাউন্টিতে লিউ নামের ওই ব্যক্তি হাঁসের পেটে সোনার টুকরাগুলো পেয়েছিলেন। চীনের মূল ভূখণ্ডের সংবাদমাধ্যম জিনওয়েনফ্যাং জানিয়েছে, আগুনে পুড়িয়ে পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে, এগুলো আসল সোনা। এর ওজন প্রায় ১০ গ্রাম এবং মূল্য প্রায় ১২ হাজার ইউয়ান (১ হাজার ৮০০ মার্কিন ডলার)।
লিউয়ের বাবার মতে, এটি তাঁদের আগামী বছরের জন্য একটি শুভ লক্ষণ। লিউ জানান, হাঁসগুলোকে একটি নদীর ধারে উন্মুক্ত অবস্থায় পালন করা হতো। ওই নদী একসময় সোনা তোলার জন্য বিখ্যাত ছিল। সম্ভবত নদীর কাদার সঙ্গেই হাঁসগুলো সোনার টুকরা গিলে ফেলেছিল। প্রাণী বা মানুষের শরীর সোনা হজম বা শোষণ করতে পারে না। সাধারণত এটি কোনো ক্ষতি না করেই পরিপাকতন্ত্র দিয়ে মলের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। তবে সোনার টুকরা বড় বা ভেজালযুক্ত হলে তা মানুষ ও প্রাণী উভয়ের জন্যই বিপদের কারণ হতে পারে। এর ফলে অন্ত্রে বাধা সৃষ্টি হওয়া বা বিষক্রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

লিউয়ের এই সোনা পাওয়ার ঘটনাটি কিন্তু একেবারে নতুন কিছু নয়। লিউ জানান, এর আগে অন্য গ্রামবাসীও হাঁসের পেটে সোনা পেয়েছেন। তবে তাঁর মতো এত বেশি পরিমাণ সোনা আর কেউ পাননি।
অবশ্য নেটিজেনদের কেউ কেউ এ ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। লংহুই কাউন্টির প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যুরো জিউপাই নিউজকে জানিয়েছে, টুকরাগুলো সত্যিই সোনার কি না, তা নিশ্চিত হতে কোনো পেশাদার প্রতিষ্ঠান দিয়ে এটি যাচাই করতে হবে। তবে সরকারি কর্মীরা বলছেন, এমন কিছু পাওয়াটা একেবারেই অসম্ভব নয়। গত বছরও একই নদীর বালু ধোয়ার সময় গ্রামবাসী ১০ গ্রামের বেশি সোনা পেয়েছিলেন। কাউন্টির চেনশুই নদীটি উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়েছে। একসময় এই নদীতেই সোনা পাওয়া যেতো।


সানা/ডিসি/আপ্র/৭/৩/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

‘কৃত্রিম সূর্য’ তৈরির যাত্রায় চীনের বড় অগ্রগতি
২৮ জুলাই ২০২৬

‘কৃত্রিম সূর্য’ তৈরির যাত্রায় চীনের বড় অগ্রগতি

পরমাণু সংযোজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বনমুক্ত ও প্রায় সীমাহীন পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্যে বড়...

নভেম্বর পর্যন্ত জ্বলতে পারে ইউরোপ, রেকর্ড দাবানলের শঙ্কা
২৮ জুলাই ২০২৬

নভেম্বর পর্যন্ত জ্বলতে পারে ইউরোপ, রেকর্ড দাবানলের শঙ্কা

ইউরোপজুড়ে চলতি বছরের দাবানল পরিস্থিতি আরো দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউরোপীয় কমিশন। সংস্থাটি...

শতবর্ষী বাড়ির দেয়াল ভেঙে মিলল পুরোনো নোটের গুপ্তধন
২৮ জুলাই ২০২৬

শতবর্ষী বাড়ির দেয়াল ভেঙে মিলল পুরোনো নোটের গুপ্তধন

পুরোনো বাড়ির গোপন দেয়াল ভেঙে মিলেছে বহু বছর ধরে লুকিয়ে রাখা অর্থের সন্ধান। যুক্তরাজ্যের শেফিল্ডের এক...

পরিবার থেকেও বিচ্ছিন্ন মোজতবা খামেনি, জানালেন শ্বশুর
২৮ জুলাই ২০২৬

পরিবার থেকেও বিচ্ছিন্ন মোজতবা খামেনি, জানালেন শ্বশুর

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 ঘন্টা আগে