গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

এলপি গ্যাসের দাম ৪১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:২৯ পিএম, ০৯ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ০২:০০ এএম ২০২৬
এলপি গ্যাসের দাম ৪১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব
ছবি

ছবি সংগৃহীত

এলপি গ্যাসের সাড়ে ১২ কেজির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে রাষ্ট্রীয় কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেড। তারা ৪১০ টাকা দাম বাড়িয়ে ১২৩৫ টাকা করার আবেদন করেছে। কারণ হিসেবে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেসরকারি এলপিজির তুলনায় দাম কম থাকায় ক্রসফিলিং হচ্ছে।

বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রীয় কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইউসুফ হোসেন ভুঁইয়া। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মূল্য নির্ধারণ কমিটির প্রস্তাবনার আলোকে আবেদন করা হয়েছে।

বিপিসির মালিকানাধীন বাংলাদেশ এলপি গ্যাস লিমিটেডের আগে ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ১২.৫ কেজির দাম ৮২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২৫ টাকা প্রস্তাব করেছিল। তখনো ক্রসফিলিং বন্ধ, ডিলার পর্যায়ে স্থানীয় পরিবহন, অপারেশন খরচ ও চার্জ বৃদ্ধির জন্য দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছিল।

এসি/আপ্র/০৯/০৩/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

কম দামে ইউরিয়া সার দিতে আগ্রহী রাশিয়া
২৮ জুলাই ২০২৬

কম দামে ইউরিয়া সার দিতে আগ্রহী রাশিয়া

বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ...

সরবরাহ সংকটে কাঁচামরিচের দাম প্রায় ৩০০ টাকা
২৮ জুলাই ২০২৬

সরবরাহ সংকটে কাঁচামরিচের দাম প্রায় ৩০০ টাকা

সরবরাহ কমে যাওয়ায় বগুড়ার কাঁচামরিচের বাজারে আবারো ঊর্ধ্বমুখী দাম দেখা দিয়েছে। মাত্র এক দিনের ব্যবধান...

৫ বছরে খাদ্য মজুত সক্ষমতা হবে ৩৪ লাখ টন
২৮ জুলাই ২০২৬

৫ বছরে খাদ্য মজুত সক্ষমতা হবে ৩৪ লাখ টন

দেশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত নিরাপদ সীমার অনেক ওপরে রয়েছে। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারি খ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 ঘন্টা আগে