গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

জোনাথন সুইফটের গালিভারস ট্রাভেলস মানব চরিত্রের এক নির্মম ব্যবচ্ছেদ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:২১ পিএম, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২১:৫৪ এএম ২০২৬
জোনাথন সুইফটের গালিভারস ট্রাভেলস মানব চরিত্রের এক নির্মম ব্যবচ্ছেদ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বিখ্যাত ব্যঙ্গ রচনা ‘গালিভারস ট্রাভেলস’ প্রকাশের ৩০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়ারল্যান্ডে চলছে নানা আয়োজন। প্রদর্শনী, আলোচনা, সংগীত ও শিল্পকর্মের মধ্য দিয়ে নতুন করে ফিরে দেখা হচ্ছে বইটি। শিশুদের কাছে রূপকথার রাজত্ব হিসেবে জনপ্রিয় হলেও প্রবীণ পাঠকদের জন্য বইটি মানব চরিত্রের এক নির্মম ব্যবচ্ছেদ। একজন মানুষ- যিনি কখনো পৌঁছে যান হাতের তালুতে এঁটে যাওয়ার মতো ক্ষুদ্র মানুষের দেশে, কখনো আবার নিজেকে আবিষ্কার করেন দৈত্যদের জগতে। তার ভ্রমণের গল্পে আছে উড়ন্ত দ্বীপ, যুক্তিবাদী ঘোড়া আর মানুষের আচরণ নিয়ে অস্বস্তিকর কিছু প্রশ্ন। এই ভ্রমণকারী লেমুয়েল গালিভার। আর তার বিচিত্র অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সমাজ ও মানুষের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন আইরিশ লেখক জোনাথন সুইফট। এ বিষয় নিয়েই এবারের সাহিত্য পাতার প্রধান রচনা

লিলিপুটের খুদে মানুষ আর ব্রবডিংনাগের দৈত্যদের দেশে গালিভারের অভিযান আজও পাঠককে টানে। উপন্যাসের প্রথম অংশে গালিভার লিলিপুটদের দেশে পৌঁছান। সেখানে মাত্র ছয় ইঞ্চির ক্ষুদ্র মানবদের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে যুদ্ধ, অহঙ্কার ও রাজনীতি ইউরোপীয় রাজতন্ত্রের অসারতাকে উন্মোচিত করে। পরবর্তী অংশে তিনি যান ব্রোবডিংনাগ নামের দৈত্যদের দেশে। সেখানে গালিভার নিজেই এক ক্ষুদ্র জীবে পরিণত হন এবং দৈত্যাকার বাসিন্দাদের বস্তুনিষ্ঠ প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে মানবজাতির ক্ষুদ্রতা ও অহংকার ভেসে ওঠে। গত বুধবার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনের সেন্ট প্যাট্রিকস ক্যাথেড্রালে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই গির্জায় এক সময় প্রধান যাজকের দায়িত্ব পালন করেন সুইফট। সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়েছে।

১৭২৬ সালের ২৮ অক্টোবর ‘গালিভারস ট্রাভেলস’ বইটি প্রকাশিত হয়। এর আগে ওই বছরের মার্চে সুইফট লন্ডনে গিয়ে রাতের আঁধারে একজন বাহকের মাধ্যমে প্রকাশকের কাছে পাণ্ডুলিপি পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। প্রথম প্রকাশেই বইটি সাড়া ফেলে। আর্মা রবিনসন গ্রন্থাগারের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম সংস্করণ এক সপ্তাহের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়। দুই মাসের মধ্যে ছাপা হয় দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংস্করণ।

আয়ারল্যান্ডে লেখা বইটি লন্ডনে প্রকাশিত হয়েছিল লেখকের নাম ছাড়াই। এমনকি প্রকাশক বেঞ্জামিন মোটও প্রথমে লেখকের আসল পরিচয় জানতেন না। তবে আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের সাহিত্যপ্রেমীরা দ্রুতই ধরে ফেলেছিলেন কে এই ক্ষুরধার লেখনীর কারিগর। পরে নানা ভাষায় অনুবাদ, চলচ্চিত্র ও শিশুদের উপযোগী সংস্করণের মাধ্যমে এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজের পুরোনো গ্রন্থাগারের লং রুমে চলছে ‘গালিভার অ্যাট ৩০০’ প্রদর্শনী। ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত এটি চলবে। অনলাইনেও প্রদর্শনী দেখা যাবে। সুইফট একসময় এই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

প্রদর্শনীতে রয়েছে বইটির পুরোনো সংস্করণ, কমিকস এবং পাতা খুললে ছবি উঠে আসে এমন বই। বিশেষ আকর্ষণ ১৭৬১ সালে ডাবলিনে ছাপা একটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণ। এর আর কোনো কপি টিকে থাকার তথ্য জানা নেই। আয়োজকেরা গালিভারের সব অভিযানের সঙ্গে দর্শকদের পরিচয় করাতে চান।

ট্রিনিটি কলেজের প্রদর্শনীর অন্যতম সহসংরক্ষক ও সহকারী গ্রন্থগারিক স্টেফানি ব্রিন বলেন, ‘লেমুয়েল গালিভারের লিলিপুটের দেশে প্রথম অভিযানের সঙ্গেই আজকের পাঠকেরা সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তবে এই প্রদর্শনী দর্শকদের গালিভারের সফর করা সব কটি রাজ্যে ঘুরিয়ে আনবে। যার মধ্যে রয়েছে লিলিপুট, ব্রোবডিংনাগ, লাপুটা ও এর বাইরের ভূমি হুয়িনহমদের দেশ।’

উত্তর আয়ারল্যান্ডের আর্মা রবিনসন গ্রন্থাগারেও চলছে আলাদা প্রদর্শনী। সেখানে সংরক্ষিত আছে প্রথম সংস্করণের একটি বিশেষ কপি। বইটি সুইফটের নিজের ছিল। এর পাতায় লেখকের হাতে লেখা টিকাও রয়েছে। প্রদর্শনী চলবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ওই প্রদর্শনীতে অষ্টাদশ শতকের সমাজ, রাজনীতি, বিজ্ঞান, শিক্ষা ও মানবস্বভাব নিয়ে বইটির বক্তব্য তুলে ধরা হচ্ছে। আলোচনায় এসেছে সে সময় বই প্রকাশের জটিলতাও। সুইফটের লেখার পদ্ধতি কীভাবে প্রকাশনা ও পাঠকের কাছে বইটির পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলেছিল, সেটিও দেখানো হচ্ছে।

বইটি এখনো প্রাসঙ্গিক: ট্রিনিটি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও প্রদর্শনীর সহ–কিউরেটর আইলিন ডগলাসের মতে, বইটি প্রথম যুগের পাঠকদের টেনেছিল ক্ষমতাবান রাজনীতিক ও ক্ষমতার কারসাজি নিয়ে সুইফটের ব্যঙ্গের কারণে। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে নিজের কাজের জায়গা হারানোর আশঙ্কায় থাকা পাঠকদের কাছেও বইটি প্রাসঙ্গিক। মানুষের যুক্তিবোধ ও অগ্রগতি নিয়ে অহংকারকে প্রশ্ন করেছেন সুইফট।

বইয়ের তৃতীয় পর্বে লাগাডোর বিদ্যাপীঠে গিয়ে অদ্ভুত সব গবেষণা দেখেন গালিভার। কেউ শসা থেকে সূর্যের আলো বের করতে চায়। আবার এক অধ্যাপকের দাবি, তার যন্ত্র দিয়ে মেধা বা পড়াশোনার সাহায্য ছাড়াই দর্শন, কবিতা ও গণিতের বই লেখা সম্ভব। আইলিনের মতে, শিল্প ও বিজ্ঞানের প্রতি উৎসর্গ করা ভাসমান দ্বীপ লাপুটায় গালিভারের ওই অভিজ্ঞতা প্রযুক্তিকেন্দ্রিক আধুনিক যুগের আশঙ্কার সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়।

লিলিপুটের কাহিনিতেও রয়েছে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ। ডিমের কোন দিক ভাঙতে হবে, সেই বিরোধ গড়ায় বিদ্রোহ ও যুদ্ধে। এমন তুচ্ছ মতভেদকে ঘিরে ক্ষমতার লড়াইয়ের ছবি এঁকেছেন সুইফট।

আরও যত আয়োজন: অনুষ্ঠানে প্রথমবার পরিবেশিত হওয়ার কথা সুরকার শন ডোহার্টির নতুন রচনা ‘দ্য ম্যান মাউন্টেন’। বইটির ৩০০ বছর পূর্তি উপলক্ষেই এটি তৈরি করা হয়েছে। ডাবলিনের বিভিন্ন এলাকার শিশুদের নিয়ে গঠিত দল এটি পরিবেশন করবে। সুইফট–বিশেষজ্ঞ ‘ব্রেন্ডন টুমি’ বই থেকে নির্বাচিত অংশ পড়ে শোনাবেন। থাকবে অর্গানবাদনও। সাহিত্য ও সংগীত মিলিয়ে গালিভারের কল্পজগৎকে তুলে ধরার পরিকল্পনা করেছেন আয়োজকেরা।

উদ্যাপনে যুক্ত হয়েছে শিশু-কিশোরদের আঁকা ছবিও। আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। নির্বাচিত ছবিগুলো ২৮ অক্টোবর থেকে সেন্ট প্যাট্রিকস ক্যাথেড্রালের টাওয়ারে আলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার কথা। গালিভার, লিলিপুটের মানুষ কিংবা দৈত্যদের কল্পজগৎ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ছবি আঁকার আহ্বান জানানো হয়।

জোনাথন সুইফট ১৬৬৭ সালের ৩০ নভেম্বর ডাবলিনে জন্ম নেন। ৭৭ বছর বয়সে ১৭৪৫ সালের ১৯ অক্টোবর ডাবলিনেই মারা যান। তিনি বেশ কিছু তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করে গেছেন। এর মধ্যে অন্যতম ‘আ মডেস্ট প্রপোজাল’। ব্যঙ্গত্মক এই প্রবন্ধে তিনি আইরিশ দরিদ্রদের কষ্ট কমানোর উপায় হিসেবে তাদের সন্তানদের ধনী লোকদের কাছে খাবার হিসেবে বিক্রি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

শিশুতোষ রূপকথার চেয়েও বেশি কিছু: চারটি ভিন্ন ও অদ্ভুত অঞ্চলে লেমুয়েল গালিভার নামের এক জাহাজি ডাক্তারের কাল্পনিক ভ্রমণের গল্প নিয়ে রচিত এই গ্রন্থ। বাহ্যিকভাবে এটিকে একটি রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার বা শিশুদের চমৎকার গল্প মনে হলেও, মূলত এটি ছিল তৎকালীন মানবসমাজ, রাজনীতি এবং মানবপ্রকৃতির ওপর লেখা এক তীব্র ও শ্লেষাত্মক কটাক্ষ।

উপন্যাসের প্রথম অংশে গালিভার লিলিপুটদের দেশে পৌঁছান। সেখানে মাত্র ছয় ইঞ্চির ক্ষুদ্র মানবদের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে যুদ্ধ, অহংকার ও রাজনীতি ইউরোপীয় রাজতন্ত্রের অসারতাকে উন্মোচিত করে। পরবর্তী অংশে তিনি যান ব্রোবডিংনাগ নামের দৈত্যদের দেশে। সেখানে গালিভার নিজেই এক ক্ষুদ্র জীবে পরিণত হন এবং দৈত্যাকার বাসিন্দাদের বস্তুনিষ্ঠ প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে মানবজাতির ক্ষুদ্রতা ও অহংকার ভেসে ওঠে।

তৃতীয় অংশে লাপুটার উড়ন্ত দ্বীপসহ বিভিন্ন অঞ্চলের অবাস্তব বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের হাস্যকর গবেষণা তুলে ধরা হয়, যা মূলত তৎকালীন অতি-বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও বাস্তবতাহীন প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণার সমালোচনা।

উপন্যাসের চতুর্থ ও শেষ অংশটি ছিল সুইফটের সবচেয়ে বিতর্কিত ও শক্তিশালী সামাজিক কটাক্ষ। এই পর্বে গালিভার পৌঁছান ‘হুইনম’ নামের এক অদ্ভুত দ্বীপে, যা পরিচালিত হতো যুক্তিবাদী ও পরম দয়ালু কথা বলা ঘোড়াদের দ্বারা। সেখানে ‘ইয়াহু’ নামের কুৎসিত, লোভী ও পশুরূপী এক প্রজাতির প্রাণীর বাস ছিল, যাদের আকৃতি ও আচরণ মানুষের মতোই। বুদ্ধিমান ঘোড়াদের সঙ্গে থাকার পর গালিভার অনুধাবন করেন যে, তথাকথিত সভ্য মানবজাতি আসলে পোশাক পরা ও হিংসুটে ‘ইয়াহু’ ছাড়া আর কিছুই নয়। মানুষ এবং সমাজের প্রতি তার এই গভীর বিষাদ ও ঘৃণা তাকে ঘরের স্বজনদের কাছ থেকেও বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং তিনি ঘোড়াদের যৌক্তিক সমাজকেই শ্রেয় মনে করতে থাকেন।

নিজের নাম আড়াল করেই প্রকাশ: বইটি প্রকাশের সময় সুইফট নিজের নাম সামনে আনেননি। বইটি লন্ডনে প্রকাশিত হয় ট্রাভেলস ইনটু সেভারাল রিমোট নেশনস অব দ্য ওয়ার্ল্ড নামে। বইটিতে গালিভারকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যেন তিনি সত্যিকারের একজন ভ্রমণকারী, যিনি নিজের অভিজ্ঞতা লিখে জানিয়েছেন। এতে পাঠকের কাছে কাহিনিটি বাস্তব ভ্রমণবৃত্তান্তের মতো মনে হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। তবে বইটির ব্যঙ্গাত্বতা এতাই তীক্ষè ছিল যে প্রকাশক বেঞ্জামিন মোট কিছু অংশ বদলে দেন; বিশেষ করে ইংল্যান্ডের রাজনীতি ও শাসকদের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়, এমন কিছু বিষয় নরম করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এতে সুইফট সন্তুষ্ট ছিলেন না। পরে ১৭৩৫ সালে প্রকাশিত একটি সংস্করণে তার মূল লেখার আরো কিছু অংশ সংযোজন করা হয়।

প্রকাশের পর বইটি দ্রুত পাঠকের মনোযোগ কাড়ে। প্রথম মুদ্রণের কপি এক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় বলে উল্লেখ রয়েছে। সময়ের সঙ্গে বইটি শিশুদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তবে শিশুদের জন্য প্রকাশিত অনেক সংস্করণে মূল বইয়ের রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ও প্রাপ্তবয়স্কদের উপযোগী কিছু অংশ বাদ দেয়া হয়েছে। ফলে অনেক পাঠক গালিভারের গল্পকে শুধু কল্পনার অভিযান হিসেবে চিনলেও এর ভেতরে থাকা সামাজিক সমালোচনার গভীরতা তাদের অজানাই থেকে যায়।

তিনশ বছর পরও বইটির আবেদন টিকে থাকার কারণ সম্ভবত এখানেই। গালিভার অচেনা দেশ থেকে দেশান্তরে ঘুরে বেড়ান। কিন্তু প্রতিটি দেশ তাকে শেষ পর্যন্ত নিজের পরিচিত পৃথিবী সম্পর্কেই নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, মানুষের অহংকার, অন্ধ বিশ্বাস আর অযৌক্তিক বিরোধের যে ছবি সুইফট এঁকেছিলেন, তা কেবল তার সময়ের জন্যই প্রাসঙ্গিক ছিল না। কল্পনার ভ্রমণ দিয়ে শুরু হওয়া এই বই তাই শেষ পর্যন্ত পাঠককে ফিরিয়ে আনে নিজের সমাজ ও নিজের আচরণের সামনে।

কেএমএএ/আপ্র/৩০.১০.২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

হেমন্তের হৈমন্তী
৩০ অক্টোবর ২০২৬

হেমন্তের হৈমন্তী

নিবন্ধ===

অকারণ ভালোবাসা
৩০ অক্টোবর ২০২৬

অকারণ ভালোবাসা

কবিতা===

শিউলি-মালা
৩০ অক্টোবর ২০২৬

শিউলি-মালা

কবিতা===

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই