প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বোলারদের বিপক্ষে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের ব্যাটাররা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ছিল ভিন্ন চিত্র।
বিশেষ করে জিসান আলম দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে মালয়েশিয়ার দেওয়া ১০৬ রানের লক্ষ্য ৭৪ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ এইচপি।
জিসানের ২১ বলে ৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে বাংলাদেশ জিতেছে ৭ উইকেটে। এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে মালয়েশিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছে স্বাগতিকরা। ১০৬ রান তাড়া করতে নেমে ছক্কা মেরে শুরু করেন জিসান। তার সঙ্গে ঝড় তোলেন জাওয়াদ আবরারও। তবে দ্বিতীয় ওভারেই থামতে হয় আবরারকে।
আরিফউল্লাহর বলে আউট হওয়ার আগে ৮ বলে ২৩ রান করেন এই ওপেনার। তার ইনিংসে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা। একই ওভারে ফিরে যান তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলামও। ৩ বলে ৪ রান করে বোল্ড হন তিনি।
দ্রুত দুই উইকেট হারালেও জিসানের ঝড় থামেনি। সাব্বির রহমানকে নিয়ে ৫০ রানের জুটি গড়েন তিনি। এই জুটিতেই জয়ের ভিত তৈরি হয়ে যায়। সাব্বির ৮ বলে ১২ রান করে প্রশান্ত মাধুকার বলে বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দেন।
এরপর শামীম পাটোয়ারীকে নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন জিসান। মাত্র ১৮ বলেই ফিফটি পূর্ণ করেন এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ২১ বলে ৭ ছক্কায় ৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শামীম অপরাজিত ছিলেন ৬ বলে ৮ রানে।
মালয়েশিয়ার হয়ে আরিফউল্লাহ নেন দুটি উইকেট, একটি উইকেট পান প্রশান্ত মাধুকা। এর আগে মিরপুর শের-এ-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে মালয়েশিয়া।
ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মাঝে তৃতীয় উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক সৈয়দ আজিজ ও আহমেদ আকিল ওয়াহিদ।
ওয়াহিদ ৩৩ বলে ৩০ রান করে রনির বলে আউট হন।
অধিনায়ক আজিজকরেন ৫২ বলে ৪০ রান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৫ রান করে মালয়েশিয়া। বাংলাদেশ এইচপির হয়ে আবু হায়দার রনি নেন দুটি উইকেট। মোহাম্মদ রুবেল ও রাকিবুল ইসলাম নেন একটি করে।
ডিসি/আপ্র/১০/০৮/২০২৬