গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

অবসরের পর মেসিকে নিয়ে মুখ খুললেন ফাইনালের রেফারি

ক্রীড়া ডেস্ক

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৪৪ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৪:১২ এএম ২০২৬
অবসরের পর মেসিকে নিয়ে মুখ খুললেন ফাইনালের রেফারি
ছবি

ছবি সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনার পর অবসরের ঘোষণা দেওয়া স্লোভেনিয়ার অভিজ্ঞ রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন। বিশ্বকাপের ফাইনাল, নিজের রেফারিং, লিওনেল মেসির সঙ্গে মাঠের কথোপকথন এবং আধুনিক ফুটবলে ভিএআরের ভূমিকা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।

স্লোভেনিয়ার সংবাদমাধ্যম স্পোর্ট–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভিনচিচ জানান, বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার খবর প্রথমে তাকে বিস্মিত করেছিল।

তিনি বলেন, ‘শুরুতে এটি আমার জন্য বড় ধাক্কা ছিল। পরে গর্ব অনুভব করেছি, কারণ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরে আমরা স্লোভেনিয়ার প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলাম।’

ফিফা রেফারিজ কমিটি ও প্রধান পিয়েরলুইজি কলিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের আস্থার মর্যাদা রাখা এবং ম্যাচটি সফলভাবে পরিচালনা করাই ছিল সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

ফাইনালের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে ভিনচিচ জানান, সহকারী রেফারি তোমাজ ক্লাঞ্চনিক ও আন্দ্রাজ কোভাচিচকে নিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের আচরণ, খেলার ধরন এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছিলেন তারা।

তার ভাষায়, ‘খেলোয়াড়দের বৈশিষ্ট্য, খেলা থামলে তাদের প্রতিক্রিয়া এবং ম্যাচের ধরণ নিয়ে আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। তবে কোনো ম্যাচের জন্য শতভাগ প্রস্তুত হওয়া সম্ভব নয়। প্রতিটি ম্যাচই আলাদা।’

বিশ্বকাপ ফাইনালের চাপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন রেফারির পুরো ক্যারিয়ার যেন একটি ম্যাচের ওপরই নির্ভর করে। তাই দায়িত্বটাও ছিল অনেক বড়।

নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে ভিনচিচ বলেন, ম্যাচ শেষে যদি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রেফারিরা না থাকেন, সেটিই ভালো রেফারিংয়ের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমাদের রেফারিং কৌশল সঠিক ছিল। দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করায় আমার সহকারী কর্মকর্তারা পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে উঠেছিলেন। তাদের ছাড়া এই সাফল্য সম্ভব হতো না।’

বিশ্বকাপ ফাইনালে লিওনেল মেসির সঙ্গে হওয়া কথোপকথন নিয়ে বিস্তারিত বলতে না চাইলেও আর্জেন্টাইন অধিনায়কের আচরণের প্রশংসা করেছেন ভিনচিচ।

তিনি বলেন, ‘সেই কথোপকথন মাঠেই রেখে দিতে চাই। তবে এটুকু বলতে পারি, মেসি অত্যন্ত ক্রীড়াসুলভ আচরণ করেছে।’

আধুনিক ফুটবলে ভিডিও সহকারী রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তার পক্ষেও জোরালো অবস্থান নেন তিনি।

ভিনচিচ বলেন, ‘ভিডিও দেখে ভুল সিদ্ধান্ত সংশোধন করা যায়। বর্তমান ফুটবলের গতিতে সবকিছু খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়। প্রযুক্তির সহায়তা ছাড়া এখন রেফারিং করার কথা আমি কল্পনাও করতে পারি না।’

বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনার পর অবসরে যাওয়া এই রেফারির মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে নিজের সিদ্ধান্তের প্রতি তার আস্থা এবং মেসির ক্রীড়াসুলভ আচরণের প্রশংসা ফুটবল অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এসি/আপ্র/৩০/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

আইসিইউতে অভিনেত্রী মেঘলা মুক্তা
২৯ জুলাই ২০২৬

আইসিইউতে অভিনেত্রী মেঘলা মুক্তা

ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা মেঘলা মুক্তা রাজধানীর একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিক...

বাংলাদেশসহ বিদেশের মাটিতে টানা আট টেস্টে হার পাকিস্তানের
২৯ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশসহ বিদেশের মাটিতে টানা আট টেস্টে হার পাকিস্তানের

বিদেশের মাটিতে পাকিস্তানের হারের বৃত্ত যেন ভাঙছেই না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস আক্রমণের সামনে এবার নতজানু...

রেকর্ড গড়ে ২০.৬ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছুঁল আইপিএল
২৯ জুলাই ২০২৬

রেকর্ড গড়ে ২০.৬ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছুঁল আইপিএল

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ব্যবসার মূল্যায়ন এক বছর...

নেতৃত্ব হারালেন মিরাজ, নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক লিটন
২৯ জুলাই ২০২৬

নেতৃত্ব হারালেন মিরাজ, নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক লিটন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ওয়ানডে দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন এনেছে। অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়ে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে