গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:২৫ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০৭:১৭ এএম ২০২৬
ভারত সফরের সিদ্ধান্ত ঢাকার প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় দিল্লি
ছবি

বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী -ছবি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে দিল্লি সফরে যাবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সরকারপ্রধানই নেবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হবে এবং এ সফরের জন্য তাঁরা অপেক্ষায় রয়েছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের হাইকমিশনার এসব কথা বলেন। ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এটিই ছিল দীনেশ ত্রিবেদীর প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর নিয়ে জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘‘এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নেবেন। এটি সম্পূর্ণ তাঁর বিষয়। তবে আমরা বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। নিকট ভবিষ্যতে এই সফর হবে বলে আমরা আশাবাদী।’’

তিনি জানান, বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি খেলাধুলা ও ক্রিকেট নিয়েও কথা হয়েছে।

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতের ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর প্রসঙ্গ তুলে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, এটি দুই দেশের জনগণের জন্য ইতিবাচক একটি বিষয়। ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে শুধু সীমান্ত সম্পর্ক নয়, রয়েছে অভিন্ন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মানুষের স্বপ্ন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘‘উভয় দেশের জনগণের জন্য কল্যাণকর হয়-এমন সম্পর্কের ভিত্তি আরো শক্তিশালী করার অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।’’

তিনি আরো বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা মাত্র শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে আরো আলোচনা হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে।

এর আগে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ সরকারপ্রধানকে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।

তবে ওই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি ঢাকা।
বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতের হাইকমিশনার জানান, এ বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, সফরের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিষয়।
সানা/ডিসি/আপ্র/২৯/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদে‌শে নিযুক্ত মা‌র্কিন র...

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আসার আহ্বান
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আসার আহ্বান

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে মানুষের আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে দেশের জনপ্রিয়...

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৫ ও হাসপাতালে ভর্তি ১৪৮৪ জন
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৫ ও হাসপাতালে ভর্তি ১৪৮৪ জন

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থে...

জাতীয় মতো উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী ও প্রযুক্তি ব্যবহারে ইসির সিদ্ধান্ত
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় মতো উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী ও প্রযুক্তি ব্যবহারে ইসির সিদ্ধান্ত

জাতীয় নির্বাচনের মতো উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নি...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

জুয়া ও মাদক অনেক অপরাধের মূল কারণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্তমানে সংঘটিত অনেক অপরাধের পেছনে জুয়া ও মাদককে অন্যতম মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, অপরাধের পর শুধু গ্রেফতার, বিচার ও শাস্তি দিলেই এটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার মূল কারণ খুঁজে বের করে তা মোকাবিলা করতে হবে। প্রিয় পাঠক, মন্ত্রীর কথার সঙ্গে আপনি কি একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 23 ঘন্টা আগে