গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

পাঁচ বছর পর ১০৩৩ কিলোমিটার দূরে মিলল পোষা কুকুর

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৫৪ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২১:১৯ এএম ২০২৬
পাঁচ বছর পর ১০৩৩ কিলোমিটার দূরে মিলল পোষা কুকুর
ছবি

ইনমাকুলাডা জ্যাকম্যানের সঙ্গে তাঁর পোষা কুকুর চং -ছবি এনডিটিভির এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া

পাঁচ বছর আগে হঠাৎ করেই বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া একটি পোষা কুকুরকে অবশেষে খুঁজে পেয়েছে তার মালিক পরিবার। আরো বিস্ময়ের বিষয় হলো, কুকুরটি পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী লিংকনের বাড়ি থেকে প্রায় এক হাজার ৩৩ কিলোমিটার দূরে ইনডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে।

জ্যাকম্যান পরিবারের পোষা কুকুরটির নাম চং। ২০২১ সালে একদিন সেটি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। দীর্ঘদিন ধরে নানা জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

চংয়ের মালিক ইনমাকুলাডা জ্যাকম্যান স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কেওএলএন-টিভিকে বলেন, তখন থেকেই তারা নিয়মিত পুরোনো এলাকায় যেতেন এবং দেখার চেষ্টা করতেন কেউ কুকুরটিকে হাঁটাচ্ছে কি না কিংবা কোথাও ঘোরাফেরা করছে কি না।

এভাবেই কেটে যায় পাঁচ বছর। সম্প্রতি জ্যাকম্যানের এক বন্ধু ইনডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের হেনড্রিক্স কাউন্টি অ্যানিমেল শেল্টারের ফেসবুক পেজের একটি পোস্ট তাঁর কাছে পাঠান। সেখানে দেখা যায়, পিটসবোরো শহরের একটি ট্রাকস্টপের বাইরে একটি কুকুর ঘোরাফেরা করছে, যাকে উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।

পোস্টটি দেখে জ্যাকম্যান বুঝতে পারেন, সেটিই তাদের হারিয়ে যাওয়া চং। তবে কীভাবে কুকুরটি এত দূরে পৌঁছাল, তা এখনো রহস্যই রয়ে গেছে।

চংকে ফিরে পেতে গিয়ে আরেকটি জটিলতার মুখে পড়তে হয় জ্যাকম্যানকে। কুকুরটি হারিয়ে যাওয়ার পর লিংকনের অন্য কেউ তার শরীরে নতুন একটি মাইক্রোচিপ বসিয়েছিল। ফলে আশ্রয়কেন্দ্রের নথিতে সেটি অন্য ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত ছিল।

ফেসবুকে জ্যাকম্যান জানান, নিয়ম অনুযায়ী আশ্রয়কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে চিপে থাকা যোগাযোগ নম্বরগুলোতে তিন দিন ধরে যোগাযোগের চেষ্টা করতে হয়। কিন্তু কোনো সাড়া না পাওয়ায় বাধ্যতামূলক অপেক্ষার সময় শেষে চংকে নতুন করে দত্তকের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

এই খবর পাওয়ার পর ইনডিয়ানার উদ্দেশে রওনা দেন ইনমাকুলাডা জ্যাকম্যান। সঙ্গে নিয়ে যান চংয়ের ভাই কুকুর ‘চিচ’-কে।

আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর ঘটে আবেগঘন এক পুনর্মিলন। কর্তৃপক্ষ জানায়, চং শুধু তার মালিককেই নয়, নিজের ভাই চিচকেও চিনতে পেরেছে।

হেনড্রিক্স কাউন্টি অ্যানিমেল শেল্টার এক পোস্টে লিখেছে, ‘চং তার পরিবারকে চিনতে পেরেছে, আর একটি ভালোবাসায় ভরা পরিবার এখন তাকে ঘরে ফিরিয়ে নিতে অপেক্ষা করছে।’

দীর্ঘ পাঁচ বছরের বিচ্ছেদের পর চংয়ের এই প্রত্যাবর্তন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে ভালোবাসা, স্মৃতি আর পারিবারিক বন্ধনের এক অসাধারণ উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। সূত্র: ইউপিআই
সানা/ডিসি/আপ্র/২৯/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

শিক্ষা সংস্কার কমিটিতে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ কেন, প্রশ্ন প্রিয়াঙ্কার
২৯ জুলাই ২০২৬

শিক্ষা সংস্কার কমিটিতে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ কেন, প্রশ্ন প্রিয়াঙ্কার

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো ও শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি নিয়েও শুরু...

চীনা মানবসদৃশ রোবট আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
২৯ জুলাই ২০২৬

চীনা মানবসদৃশ রোবট আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

চীনে তৈরি নতুন মানবসদৃশ ও চার পায়ের অত্যাধুনিক রোবট আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। জ...

১৪ লাখ বছর আগেও আলাদা ছিল নারী-পুরুষের ভূমিকা
২৯ জুলাই ২০২৬

১৪ লাখ বছর আগেও আলাদা ছিল নারী-পুরুষের ভূমিকা

আফ্রিকার কেনিয়ার তুর্কানা হ্রদের তীরে পাওয়া প্রায় ১৪ লাখ বছরের পুরোনো কিছু পায়ের ছাপ মানব বিবর্তনের...

জিম্বাবুয়েতে মিলল ২১ কোটি বছর আগের ডাইনোসরের জীবাশ্ম
২৯ জুলাই ২০২৬

জিম্বাবুয়েতে মিলল ২১ কোটি বছর আগের ডাইনোসরের জীবাশ্ম

জিম্বাবুয়েতে প্রায় ২১ কোটি বছর আগের একটি নতুন প্রজাতির ডাইনোসরের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষণাসং...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 20 ঘন্টা আগে