গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

মেনু

ওজন কমাতে সিদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যকর

স্বাস্থ্য ডেস্ক

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:০৬ পিএম, ১২ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২০:০৫ এএম ২০২৬
ওজন কমাতে সিদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যকর
ছবি

ছবি সংগৃহীত

অনেকেই ডিম দিয়ে দিন শুরু করতে পছন্দ করেন। কেউ সিদ্ধ ডিম পছন্দ করেন, আবার কেউ অমলেট। এমন কিছু ফিটনেস উৎসাহী আছেন যারা কাঁচা ডিমও খেতে পছন্দ করেন। একটি প্রশ্ন প্রায়ই করা হয়, ডিম খাওয়ার সেরা পদ্ধতি কোনটি? কাঁচা, সিদ্ধ নাকি রান্না করা?

উচ্চমানের প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হলো ডিম, যা কাঁচা, সেদ্ধ বা ভাজা- যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, প্রতিটি ডিম থেকে প্রায় ৬-৭ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এই সমস্ত রান্নার পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য হলো, অতিরিক্ত চর্বি এবং ক্যালোরির সঙ্গে কেবল প্রোটিনের শোষণ ক্ষমতা পরিবর্তিত হয়। তাই যে পদ্ধতিতে ডিম খেলে সবচেয়ে বেশি প্রোটিন পাওয়া যাবে, তা হলো-

কাঁচা ডিম: যদিও কাঁচা ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ একই থাকে, তবুও শরীর তা অর্ধেক পরিমাণে শোষণ করে। কারণ প্রোটিনগুলো তখনও এমন একটি রূপে থাকে যা হজম করা কঠিন। এছাড়াও কাঁচা ডিম সালমোনেলা সংক্রমণের কারণ হতে পারে।

সিদ্ধ ডিম: সিদ্ধ করাকে অন্যতম স্বাস্থ্যকর রান্নার প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাপে প্রোটিন ভেঙে যায়। ফলে শরীরের পক্ষে তা হজম করা এবং প্রায় ৯০ শতাংশ প্রোটিন ব্যবহার করা সহজ হয়ে যায়। যেহেতু কোনো তেল বা মাখন যোগ করার প্রয়োজন হয় না, সেহেতু ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে। এ কারণে ওজন কমানোর জন্য সিদ্ধ ডিম স্বাস্থ্যকর।

ভাজা ডিম: ভাজা ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ সেদ্ধ ডিমের মতোই কম-বেশি একই থাকে। কারণ রান্না করলে প্রোটিন সহজে হজমযোগ্য হয়ে ওঠে। তবে যেহেতু ডিম মাখন এবং তেলে ভাজা হয়, তাই এতে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি থাকে, বিশেষ করে যখন অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট যোগ করা হয়।

সাধারণত সিদ্ধ এবং আংশিকভাবে রান্না করা ডিম প্রোটিনের হজমযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং পুষ্টিগুণের সর্বোত্তম ভারসাম্য প্রদান করে, যেখানে কাঁচা ডিম সবচেয়ে কম সুবিধাজনক, যদিও সেগুলোর গঠনে একই প্রোটিন থাকে।

ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা: ২০২২ সালে নিউট্রিয়েন্টস জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ডিমের প্রোটিন গ্রহণের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণাটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডিম শুধু খাদ্য তালিকাগত কোলেস্টেরলের উৎস নয়। গবেষকরা এ বিষয়টির ওপর আলোকপাত করেছেন যে, ডিম অত্যন্ত সহজে হজমযোগ্য প্রোটিনের একটি উৎস- যাতে আমাদের শরীরের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে।

ডিমের প্রোটিন পুরোপুরি সুষম। এটি মারাত্মক প্রোটিনের অভাব প্রতিরোধ করে এবং শিশুদের স্বাস্থ্যকর উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কঙ্কাল পেশী গঠনে এবং বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত পেশির স্বাভাবিক ক্ষয় (সারকোপেনিয়া) রোধ করতে ডিমের প্রোটিন খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

কেএমএএ/আপ্র/১২.৮.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

হাম উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০২৫
১২ আগস্ট ২০২৬

হাম উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০২৫

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্র...

ডেঙ্গুতে এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৭৫৬ জন
১১ আগস্ট ২০২৬

ডেঙ্গুতে এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৭৫৬ জন

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরো ৭৫৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে...

গরমে পা ফাটলে ত্বকের কিছু সমস্যায়
১০ আগস্ট ২০২৬

গরমে পা ফাটলে ত্বকের কিছু সমস্যায়

স্বাস্থ্য প্রতিদিন===

হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেল আরো ৫ শিশুর
১০ আগস্ট ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেল আরো ৫ শিশুর

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই