গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

মেনু

প্রাথমিক শিক্ষকদের এখন থেকে বদলি করবে স্থানীয় প্রশাসন: ববি হাজ্জাজ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:৪৭ পিএম, ১৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২০:১২ এএম ২০২৬
প্রাথমিক শিক্ষকদের এখন থেকে বদলি করবে স্থানীয় প্রশাসন: ববি হাজ্জাজ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি এখন থেকে স্থানীয় প্রশাসন করবে। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির কাছে শিক্ষকরা আবেদন জমা দেবেন। তারা প্রতিমাসে একবার সভা করে বদলি অনুমোদন দেবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ তথ্য জানিয়েছেন। রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মকশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষকদের বদলি ঘিরে বিগত দিনে বড় একটা সিন্ডিকেট বা করাপশনের (দুর্নীতি) জায়গা তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে এটাতে নজর দিয়েছেন। আমাদের মন্ত্রী (ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন) এখানে আছেন, আমরা সবাই মিলে নতুন পলিসি গ্রহণ করেছি যে,  থমিকে...মাধ্যমিকেও; কিন্তু শুধু প্রাথমিক নিয়ে কথা বলবো। প্রাথমিকে টিচার্স ট্রান্সফার (শিক্ষক বদলি) এটা লোকালাইজ (স্থানীয়) করে দেওয়া হবে।

তিন পর্যায়ে বদলির জন্য পৃথক কমিটি করার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, লোকাল টিম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে সেখানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষার অফিসার থাকবেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার থাকবেন। এরকম চারজন সদস্য ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। তারা মাসে একবার বসবেন। ওই মাসে যতগুলো রিকোয়েস্ট (আবেদন) আসবে, সেগুলো রিভিউ করে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন যে ট্রান্সফার অ্যালাউ (বদলি অনুমোদন) করবেন, কি করবেন না।

‌‘সেইম (একই) জিনিসটা ডিসির অধীনে জেলা পর্যায়েও করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের আন্ডারে (অধীন) ডিভিশন লেভেলে (বিভাগীয় পর্যায়ে করা হয়েছে। এটা করে করাপশনের (দুর্নীতি) সব জায়গাগুলোকে আমরা বন্ধ করে দিতে চাই’ যোগ করেন ববি হাজ্জাজ।

‘ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অন দ্য বাংলাদেশ এডুকেশন সেক্টর অ্যানালাইসিস (ইএসএ)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এতে শিক্ষাবিদ ও ইউনিসেফের কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।


শিক্ষকদের বদলির জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করা ছিল। সে সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আবেদন চাওয়া হতো। প্রথমে উপজেলা থেকে উপজেলা; তারপর জেলা থেকে জেলা এবং বিভাগ থেকে বিভাগ পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে আবেদন নেওয়া হতো।

অনলাইনে এসব আবেদন করার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তা যাচাই করে ফরোয়ার্ড (অগ্রায়ন) করতেন। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হয়ে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আসতো। অধিদপ্তর চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে বদলি অনুমোদিত হতো।

অভিযোগ রয়েছে, এ ধরনের বদলির প্রক্রিয়ায় উপজেলা, জেলা ও অধিদপ্তরের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা অনৈতিক সুবিধা নিতেন। পাশাপাশি শিক্ষকদেরও নানান ধরনের হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হতো। তাছাড়া জনস্বার্থে বদলির নামে বড় অংকের অর্থের বিনিময়ে সারা বছরই অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বদলি বাণিজ্য করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এসি/আপ্র/১৪/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
১১ আগস্ট ২০২৬

বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে বুধবার (১২ আগস্ট) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রাথমিক ও...

এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
১১ আগস্ট ২০২৬

এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যারা কৃতকার্য হতে পারেনি, তাদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা...

ছেলের সঙ্গে এসএসসি দিয়ে মা-ছেলে দুজনই পেয়েছেন জিপিএ-৫
১১ আগস্ট ২০২৬

ছেলের সঙ্গে এসএসসি দিয়ে মা-ছেলে দুজনই পেয়েছেন জিপিএ-৫

দীর্ঘ ১৭ বছর পড়াশোনা থেকে দূরে থাকার পর আবারো বই হাতে তুলে নিয়েছিলেন সাদিয়া বেগম। সংসারের দায়িত্ব, দ...

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু আজ, চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত
১১ আগস্ট ২০২৬

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু আজ, চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু হচ্ছে আজ ১১ আগস্ট থেকে। আবেদন করা যাবে আগামী ১৭...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই