তারেক মাহমুদ: দেশে প্রথমবারের মতো সমুদ্রগামী, উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানের সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরির লক্ষ্যে নৌযান শুমারি শুরু হচ্ছে। আগামী ২০ আগস্ট থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে এ শুমারি পরিচালনা করা হবে।
‘নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে রোববার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে নৌযান-সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে এ শুমারি বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে সভাটির আয়োজন করা হয়।
সভায় জানানো হয়, দেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় এবং অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত নৌযানের প্রকৃত সংখ্যা, ধরন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা হবে। দেশের নৌযান খাতের পরিকল্পনা প্রণয়ন, ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে এ তথ্যভান্ডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
সভায় জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবা উল আলম ভূঁইয়া এবং জেলা পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপপরিচালক মো. কামাল হোসেন। এ ছাড়া নৌযান-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজন সভায় উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকেরা জানান, নির্ধারিত সময়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিনিধিরা যৌথভাবে নৌযান শুমারির কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এ ক্ষেত্রে নৌযান মালিক, চালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে শুমারি কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নৌপথ বাংলাদেশের অর্থনীতি, যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নদীমাতৃক দেশে বিপুলসংখ্যক নৌযান বিভিন্ন নৌপথে চলাচল করলেও এ খাতের নৌযানগুলোর সমন্বিত ও হালনাগাদ তথ্যভান্ডারের ঘাটতি রয়েছে। প্রথমবারের এই শুমারির মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি নৌযান খাতের বাস্তব চিত্র তুলে আনার সুযোগ তৈরি হবে।
সানা/আপ্র/১০/৮/২০২৬