গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

প্রেগন্যান্সি কিটে হালকা দাগের আসল কারণ জানুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:০০ পিএম, ৩০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০৬:১৬ এএম ২০২৬
প্রেগন্যান্সি কিটে হালকা দাগের আসল কারণ জানুন
ছবি

ছবি: সংগৃহীত

বাড়িতেই গর্ভধারণ পরীক্ষা করতে এখন অনেকেই প্রেগন্যান্সি কিট ব্যবহার করেন। এটি সহজ, দ্রুত এবং ঝামেলাহীন। তবে অনেক সময় ফলাফল দেখে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। বিশেষ করে দুটি দাগ দেখা গেলেও একটি যদি গাঢ় আর অন্যটি হালকা বা ঝাপসা হয়, তখন অনেকেই বুঝতে পারেন না ফলাফল ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক।

চিকিৎসকদের মতে, হালকা বা ঝাপসা দাগ দেখলেই আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটি গর্ভধারণেরই ইঙ্গিত দেয়। তবে কেন এমন হয়, সেটি জানা জরুরি।

কীভাবে কাজ করে গর্ভধারণ পরীক্ষার কিট?

ঘরোয়া প্রেগন্যান্সি কিট প্রস্রাবে থাকা একটি বিশেষ হরমোন শনাক্ত করে। নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুতে স্থাপিত হওয়ার পর শরীরে এই হরমোন তৈরি হতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে এর মাত্রা বাড়ে।

যদি হরমোনের পরিমাণ যথেষ্ট থাকে, তাহলে পরীক্ষার কিটে দুটি স্পষ্ট গাঢ় দাগ দেখা যায়। কিন্তু অনেক সময় একটি দাগ গাঢ় হলেও অন্যটি হালকা বা ঝাপসা দেখা যায়। এখান থেকেই শুরু হয় বিভ্রান্তি।


বিশেষজ্ঞদের মতে, হালকা দাগের পেছনে কয়েকটি সাধারণ কারণ থাকতে পারে।

গর্ভধারণের একেবারে শুরুর সময় পরীক্ষা করলে শরীরে হরমোনের মাত্রা তখনও কম থাকে। ফলে কিট হরমোন শনাক্ত করলেও দ্বিতীয় দাগটি গাঢ় হয় না।

পরীক্ষার আগে বেশি পানি বা তরল পান করলে প্রস্রাব পাতলা হয়ে যায়। এতে হরমোনের ঘনত্ব কমে যাওয়ায় দাগ হালকা দেখা দিতে পারে।

সকালের পরিবর্তে দুপুর বা সন্ধ্যায় পরীক্ষা করলে একই সমস্যা হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম প্রস্রাব দিয়ে পরীক্ষা করলে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফল পাওয়া যায়।

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা চললে অনেক সময় এমন ওষুধ ব্যবহার করা হয়, যাতে একই ধরনের হরমোন থাকে। সে কারণে পরীক্ষার ফল বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

আরো একটি কারণ হলো নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরে ফল দেখা। সাধারণত তিন থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ফল দেখতে বলা হয়। এর পরে স্ট্রিপ শুকিয়ে গেলে একটি হালকা দাগ দেখা যেতে পারে, যা অনেকেই ভুল করে ইতিবাচক ফল মনে করেন।

কী করবেন?

চিকিৎসকদের পরামর্শ, যদি প্রথম পরীক্ষায় একটি দাগ হালকা দেখা যায়, তাহলে দুই থেকে তিন দিন অপেক্ষা করে আবার পরীক্ষা করুন। এ সময়ের মধ্যে শরীরে হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে ফল আরো স্পষ্ট হতে পারে।

তবে একাধিকবার একই ধরনের ফল এলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা বা আলট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

আতঙ্ক নয়, নিশ্চিত হোন

বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভধারণ পরীক্ষার কিটে হালকা দাগ মানেই খারাপ খবর নয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটি গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। তাই ফল নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা না করে সঠিক সময়ে পুনরায় পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য উপায়।

এসি/আপ্র/৩০/৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

দিনে কতবার হাত ধোবেন, জানুন সঠিক নিয়ম
১৪ অক্টোবর ২০২৬

দিনে কতবার হাত ধোবেন, জানুন সঠিক নিয়ম

প্রতিদিন কতবার হাত ধোয়া হয় আপনার? শুধু খাওয়ার আগে ও শৌচাগার ব্যবহারের পর, নাকি বাইরে থেকে ফিরেও সাবা...

দীর্ঘক্ষণ ফোন ব্যবহারে চোখ জ্বালাপোড়া, কী করবেন
১৪ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘক্ষণ ফোন ব্যবহারে চোখ জ্বালাপোড়া, কী করবেন

দীর্ঘক্ষণ মুঠোফোনের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকার পর চোখে জ্বালাপোড়া, লালচে ভাব, পানি পড়া কিংবা ঝাপসা দেখ...

শিশুদের ক্যানসারের সাত লক্ষণ, অবহেলা নয় জরুরি
১৪ অক্টোবর ২০২৬

শিশুদের ক্যানসারের সাত লক্ষণ, অবহেলা নয় জরুরি

শিশুদের শরীরে ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ অনেক সময় সাধারণ অসুস্থতার মতো মনে হতে পারে। ফলে অভিভাবকদের প...

বিশ্ব মান দিবস আজ, ভেজাল ও ওজনে কারচুপি বন্ধের দাবি
১৪ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ব মান দিবস আজ, ভেজাল ও ওজনে কারচুপি বন্ধের দাবি

খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান, নিম্নমানের পণ্য ও ওজনে কারচুপির অভিযোগ নতুন নয়। দাম দিয়ে পণ্য কিনেও নিশ্চিন্ত...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 20 ঘন্টা আগে