গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

মানবতাবিরোধী অপরাধের খসড়া তদন্তে জাফর ইকবালসহ চারজনের নাম

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৫৮ পিএম, ০৭ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২৩:৫৬ এএম ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধের খসড়া তদন্তে জাফর ইকবালসহ চারজনের নাম
ছবি

লেখক ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল -ছবি সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার খসড়া তদন্ত প্রতিবেদনে লেখক ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ চারজনের নাম এসেছে।

অন্য তিনজন হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান এবং আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার তদন্ত এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার প্রস্তুত করা খসড়া প্রতিবেদন প্রসিকিউশন হাতে পেয়েছে এবং তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

গাজী তামীম জানান, খসড়া প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে। পরবর্তীতে সেটি চূড়ান্ত আকারে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হবে।

প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় তিন শতাধিক ছাত্রছাত্রী আহত হন।

খসড়া তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লিখিত চারজনের বিরুদ্ধে ওই সময় উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়া এবং হামলার পেছনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মদদ দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে বলে প্রসিকিউশন সূত্র জানিয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর ২১ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৯১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়। লিখিত অভিযোগে অজ্ঞাতনামা আরও ৮০০ থেকে ১ হাজার ব্যক্তির নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।

ওই ঘটনার পর কোটা সংস্কার আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন স্থানে সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। পরে ব্যাপক প্রাণহানির মধ্য দিয়ে আন্দোলন সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে রূপ নেয়।
সানা/আপ্র/৭/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

মূল্যস্ফীতি রোধে ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনি নোটিশ
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মূল্যস্ফীতি রোধে ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনি নোটিশ

দেশের অর্থনীতিকে মূল্যস্ফীতি থেকে রক্ষা করতে স্বর্ণ, রৌপ্য ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যতিরেকে ইচ্ছা...

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইল সদরের দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্য...

গাজী নজরুল ও তার স্ত্রী রিমান্ডে
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজী নজরুল ও তার স্ত্রী রিমান্ডে

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী...

জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও ঢাকা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাস ভাড়া বাড়লো কিলোমিটারে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপনের আগেই বাড়তি আদায়

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির আগেই রাজধানীসহ বিভিন্ন রুটে বাসভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহনকর্মীদের কেউ কেউ। কোথাও ১০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা, কোথাও প্রতি স্টপেজে পাঁচ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসেও গন্তব্যভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ সরকার ও সড়ক পরিবহন মালিকপক্ষ প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন বাস ভাড়ার এই নৈরাজ্য সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 9 ঘন্টা আগে