গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

মেনু

এল নিনোর তীব্র প্রভাবে নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৪৮ পিএম, ০১ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১২:২৬ এএম ২০২৬
এল নিনোর তীব্র প্রভাবে নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

দ্রুত তীব্রতর হওয়া এল নিনোর কারণে আগামী মাসগুলোতে বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহ, খরা, বন্যা ও দাবানলের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলছে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব যুক্ত হওয়ায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) সর্বশেষ মূল্যায়নের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

ডব্লিউএমওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনো আগামী কয়েক মাস বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ার ধরনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। এর ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, খরা, অতিবৃষ্টি ও বন্যার মতো চরম আবহাওয়া আরো ঘন ঘন দেখা দিতে পারে।

প্রতিবেদনটি এমন সময়ে প্রকাশিত হলো, যখন আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভয়াবহ দাবানল এবং দক্ষিণ এশিয়ায় বর্ষাজনিত দুর্যোগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘এল নিনো শুধু আমাদের দোরগোড়ায় নয়, এটি ইতোমধ্যে আমাদের জীবনে প্রভাব ফেলছে। এটি তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং ইতোমধ্যে জ্বলতে থাকা অঞ্চলগুলোকে আরো ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।’

ডব্লিউএমওর তথ্য অনুযায়ী, মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। সমুদ্রপৃষ্ঠের এই অস্বাভাবিক উষ্ণতা বৈশ্বিক আবহাওয়া ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গুতেরেস বলেন, এল নিনোর প্রভাব মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আরো তীব্র হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি নতুন কয়লা, তেল ও গ্যাসভিত্তিক প্রকল্প বন্ধসহ জলবায়ু কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানান।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বের অধিকাংশ স্থলভাগে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করতে পারে। বিশেষ করে আফ্রিকা, দক্ষিণ ইউরোপ, ভারতীয় উপমহাদেশ, পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকায় এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হতে পারে।

ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো বলেন, আগাম পূর্বাভাস থাকলেও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষায় সরকার ও মানবিক সংস্থাগুলোকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘পূর্বাভাস নিজে থেকে দুর্যোগ ঠেকাতে পারে না। কার্যকর উদ্যোগই মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে পারে। আজকের সিদ্ধান্তই আগামী দিনের প্রভাব নির্ধারণ করবে।’

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এল নিনো সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছাতে পারে। তবে এর সুনির্দিষ্ট মাত্রা নিয়ে এখনো কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এসি/আপ্র/০১/০৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের নিয়মে বড় পরিবর্তন, অপেক্ষা বাড়লো দ্বিগুণ
০৩ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের নিয়মে বড় পরিবর্তন, অপেক্ষা বাড়লো দ্বিগুণ

যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পেতে বিদেশি কর্মীদের অপেক্ষার সময় দ্বিগুণ করা হয়েছে। আগে পাঁচ...

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে ‘মুরাসু’র আঘাত, জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা
০৩ নভেম্বর ২০২৬

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে ‘মুরাসু’র আঘাত, জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

প্রবল বৃষ্টি আর ঝোড়ো হাওয়ায় কাঁপছে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় এলাকা। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়...

বিভিন্ন দেশে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা, ৭২ ঘণ্টার প্রস্তুতির পরামর্শ
০৩ নভেম্বর ২০২৬

বিভিন্ন দেশে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা, ৭২ ঘণ্টার প্রস্তুতির পরামর্শ

হঠাৎ ঝড় বা ভূমিকম্পে বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেল। দোকানপাট বন্ধ, অচল যোগাযোগব্যবস্থা। ঘরে থা...

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা
০৩ নভেম্বর ২০২৬

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এক মার্ক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই