গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশ

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:৪৫ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৫:০৬ এএম ২০২৬
পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

দেশের প্রথম পারমাণবিক স্থাপনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্ব পারমাণবিক পরিবারের অংশ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটমের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আন্দ্রে তিমোনভ।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক যুব উৎসবের ‘মিডিয়া স্ট্রিম’ কর্মসূচির আওতায় ‘আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে রাশিয়ার ভাবমূর্তি’ শীর্ষক এক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

আন্দ্রে তিমোনভ বলেন, বাংলাদেশি অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে রোসাটম এ বছর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ করেছে। ইউনিটটির কমিশনিং কার্যক্রমও এ গ্রীষ্মে শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে নতুন একটি পারমাণবিক শক্তির যুগের সূচনা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রূপপুর প্রকল্প শুধু বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করবে না, প্রযুক্তিগত উন্নয়নেও গতি আনবে। এর মাধ্যমে কয়েক দশকের পরিবর্তে কয়েক বছরের মধ্যে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের যাত্রা সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশে নিজের একাধিক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিমোনভ বলেন, দেশটির প্রকৃতি ও মানুষ তাকে মুগ্ধ করেছে। মাত্র ১০ বছর আগেও বাংলাদেশে পারমাণবিক শক্তির কথা ভাবা কঠিন ছিল। এখন দেশটি নতুন পারমাণবিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ধারণা কয়েক দশকের পুরোনো। সোভিয়েত ইউনিয়নের সময়ই এ বিষয়ে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

তিমোনভের মতে, রূপপুরের মাধ্যমে বাংলাদেশ শুধু জ্বালানি ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করছে না; এমন একটি প্রযুক্তিগত অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যা অর্জন করতে অন্য দেশগুলোর ৬০ থেকে ৮০ বছর সময় লেগেছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বাংলাদেশের জাতীয় গর্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি এমন একটি স্থাপনা তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে পুরো দেশ গর্বিত।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ‘ফলো ইওর ড্রিম’ স্লোগানে ইয়েকাতেরিনবার্গে আন্তর্জাতিক যুব উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। ১৯১টি দেশের ১০ হাজার অংশগ্রহণকারী উৎসবে যোগ দেন। বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৯০ জন প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।

এসি/আপ্র/১৯/৯/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

শুক্রের চাঁদ কোথায় গেল, নতুন গবেষণায় মিলল উত্তর
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শুক্রের চাঁদ কোথায় গেল, নতুন গবেষণায় মিলল উত্তর

পৃথিবীর সঙ্গে আকার, ভর ও গঠনে অনেক মিল থাকলেও শুক্র গ্রহের কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই। কেন শুক্রের চা...

অনিয়ন্ত্রিত এআই ঠেকাতে নিরাপত্তায় টেক জায়ান্টরা
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনিয়ন্ত্রিত এআই ঠেকাতে নিরাপত্তায় টেক জায়ান্টরা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবাধ বিকাশে বৈশ্বিক ঝুঁকির আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় এআই ব্যবস্...

যে যে উপায়ে মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যে যে উপায়ে মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই

আগামী এক দশকের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানবজাতিকে বিলুপ্ত করে দিতে পারে, এমন শঙ্কার কথা প্র...

আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইফোন ১৮ প্রো-তে ক্যামেরায় বড় চমক

আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সের ক্যামেরায় এবার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে অ্যাপল। শুধু মেগা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

জুয়া ও মাদক অনেক অপরাধের মূল কারণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্তমানে সংঘটিত অনেক অপরাধের পেছনে জুয়া ও মাদককে অন্যতম মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, অপরাধের পর শুধু গ্রেফতার, বিচার ও শাস্তি দিলেই এটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার মূল কারণ খুঁজে বের করে তা মোকাবিলা করতে হবে। প্রিয় পাঠক, মন্ত্রীর কথার সঙ্গে আপনি কি একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে