গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

৪২ বড় ঋণ খেলাপির অর্থপাচার তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৫১ পিএম, ১০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০১:৪৫ এএম ২০২৬
৪২ বড় ঋণ খেলাপির অর্থপাচার তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংক
ছবি

ছবি সংগৃহীত

২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ থাকা ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে বিদেশে পাচার হয়ে থাকলে সেই অর্থ ও সম্পদ শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে আটটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ৩৮টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২০০ কোটি টাকার বেশি এবং তাদের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগও রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের বাছাই করা আটটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে। এসব প্রতিষ্ঠান বিদেশে পাচার হয়ে থাকা অর্থ ও সম্পদ শনাক্ত, সংশ্লিষ্ট দেশে তা জব্দ এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বাছাই করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো গ্র্যান্ট থর্নটন, আরআই কনসোর্টিয়াম, বেকার ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড পিডব্লিউসি, বিসিজি অ্যান্ড এইচএইচআর, ইওয়াই অ্যান্ড ডেন্টনস, রহমান রাভেলি অ্যান্ড ইন্টারপাথ, ডিএলএ পাইপার অ্যান্ড ক্রোল এবং অ্যানিমাস অ্যাসোসিয়েটস।

বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যাংকাররা জানান, ৪২টি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো এসব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে। কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের অর্থপাচারের ঘটনায় একাধিক ব্যাংক জড়িত থাকলে যে ব্যাংকের দেওয়া ঋণের পরিমাণ বেশি, সেটিকে লিড ব্যাংক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে। ওই ব্যাংক মামলা পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে। অন্য ব্যাংকগুলো একই ঘটনায় লিড ব্যাংককে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধার হলে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত কমিশন পাবে। এ কাজের বাইরে দেশীয় ব্যাংকগুলোর সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের অন্য কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা যাবে না বলে বৈঠকে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর এ উদ্যোগ মূলত বড় খেলাপি ঋণের অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বিদেশে থাকা সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধারের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। এর আগে প্রথম ধাপে ১১টি বড় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপে ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ থাকা আরো ৪২টি প্রতিষ্ঠানকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হলো। 
সানা/আপ্র/১০/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

সুদ ছাড়াই পাঁচ হাজার টাকার ডিজিটাল ঋণের উদ্যোগ
০৯ আগস্ট ২০২৬

সুদ ছাড়াই পাঁচ হাজার টাকার ডিজিটাল ঋণের উদ্যোগ

সংসারের ছোটখাটো জরুরি খরচ মেটাতে সুদ ছাড়াই সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ...

অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর!
০৯ আগস্ট ২০২৬

অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর!

দীর্ঘদিন পর অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের পাওনা মেটাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৫ আগস্ট থেকে দেশ...

ঋণ নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা, তবু ব্যাংকে টাকা নেই
০৮ আগস্ট ২০২৬

ঋণ নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা, তবু ব্যাংকে টাকা নেই

অর্থনীতির সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা যখন ব্যাংক থেকে কম ঋণ নেন, তখন ব্যাংকের হাতে নগদ অর্থ বা ত...

স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের ঘোষণা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর
০৮ আগস্ট ২০২৬

স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের ঘোষণা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা খাতে জাতীয় অর্থনীতির মোট দেশজ উৎপাদনের অন্তত ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানিয়ে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শেখ হাসিনার বক্তব্য সমর্থন করে না ভারত, জানালেন জয়সওয়াল

বাংলাদেশের বর্তমান বৈধ ও গঠিত সরকারের বিষয়ে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য সমর্থন করে না নয়াদিল্লি। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে আমাদের অবস্থান আগেই স্পষ্ট করা হয়েছে। আমি আবারো সেটিই বলছি। এটি একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যম আয়োজিত অনুষ্ঠান ছিল, যেখানে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না।” প্রিয় পাঠক. আপনি কি মনে করেন ভারত সঠিক বলেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে