গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

৪২ বড় ঋণ খেলাপির অর্থপাচার তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৫১ পিএম, ১০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৫৮ এএম ২০২৬
৪২ বড় ঋণ খেলাপির অর্থপাচার তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংক
ছবি

ছবি সংগৃহীত

২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ থাকা ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে বিদেশে পাচার হয়ে থাকলে সেই অর্থ ও সম্পদ শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে আটটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ৩৮টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২০০ কোটি টাকার বেশি এবং তাদের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগও রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের বাছাই করা আটটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে। এসব প্রতিষ্ঠান বিদেশে পাচার হয়ে থাকা অর্থ ও সম্পদ শনাক্ত, সংশ্লিষ্ট দেশে তা জব্দ এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বাছাই করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো গ্র্যান্ট থর্নটন, আরআই কনসোর্টিয়াম, বেকার ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড পিডব্লিউসি, বিসিজি অ্যান্ড এইচএইচআর, ইওয়াই অ্যান্ড ডেন্টনস, রহমান রাভেলি অ্যান্ড ইন্টারপাথ, ডিএলএ পাইপার অ্যান্ড ক্রোল এবং অ্যানিমাস অ্যাসোসিয়েটস।

বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যাংকাররা জানান, ৪২টি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো এসব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে। কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের অর্থপাচারের ঘটনায় একাধিক ব্যাংক জড়িত থাকলে যে ব্যাংকের দেওয়া ঋণের পরিমাণ বেশি, সেটিকে লিড ব্যাংক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে। ওই ব্যাংক মামলা পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে। অন্য ব্যাংকগুলো একই ঘটনায় লিড ব্যাংককে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধার হলে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত কমিশন পাবে। এ কাজের বাইরে দেশীয় ব্যাংকগুলোর সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের অন্য কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা যাবে না বলে বৈঠকে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর এ উদ্যোগ মূলত বড় খেলাপি ঋণের অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বিদেশে থাকা সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধারের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। এর আগে প্রথম ধাপে ১১টি বড় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপে ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ থাকা আরো ৪২টি প্রতিষ্ঠানকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হলো। 
সানা/আপ্র/১০/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ চার প্রতিষ্ঠান পেল ডিজিটাল ব্যাংক চালুর অনুমতি
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ চার প্রতিষ্ঠান পেল ডিজিটাল ব্যাংক চালুর অনুমতি

দেশে নতুন ধারার ব্যাংকিং সেবা চালু করতে বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক স্থ...

মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কাটলে তেলের দাম কমাবে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কাটলে তেলের দাম কমাবে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের...

সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

দেশের বর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার পৃথক প্রস্তাবে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট...

জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ, ৮৫ হাজার ডলার ছাড়াল বিটকয়েন
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ, ৮৫ হাজার ডলার ছাড়াল বিটকয়েন

দীর্ঘ মন্দার পর ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে আবারো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই