গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মেনু

পূর্বাচলে পুলিশের মেগা প্রজেক্ট, সৃষ্টি হচ্ছে ৬ হাজার পদ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:৪৭ পিএম, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৫৫ এএম ২০২৬
পূর্বাচলে পুলিশের মেগা প্রজেক্ট, সৃষ্টি হচ্ছে ৬ হাজার পদ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর অদূরে পরিকল্পিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পকে ঘিরে দেশের ইতিহাসে পুলিশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো ও জনবল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূর্বাচলকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে রূপান্তরে এই বিশাল প্রস্তাবনা এখন বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরো পূর্বাচল এলাকাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় এনে সেখানে চারটি থানা, ৬টি পুলিশ ফাঁড়ি ও ৪১টি পুলিশ বক্সসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পুলিশ কাঠামো গড়ে তোলা হবে। এই বিশাল কাঠামো পরিচালনার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে ৬ হাজার ৫২৪টি নতুন পদ সৃষ্টির, যা একক কোনো প্রকল্পে পুলিশের ইতিহাসে নজিরবিহীন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিকল্পনা অনুযায়ী, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ভবিষ্যতে ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষের বসবাস হতে পারে। এখানে থাকবে সরকারি আবাসন, কূটনৈতিক এলাকা, আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যিক হাব, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান। এ কারণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা থেকে প্রস্তাবনায় শুরু থেকে এলাকাটিকে ডিএমপির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এনে আধুনিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, পূর্বাচলে অপরাধ প্রতিরোধ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, জরুরি সাড়া এবং ভবিষ্যৎ সন্ত্রাসঝুঁকি মোকাবিলায় এই বিশাল পুলিশ অবকাঠামো অপরিহার্য। পুরো এলাকা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় আনতে প্রশাসনিক অনুমোদন আবশ্যক।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, পূর্বাচল নতুন শহরে গড়ে তোলা হবে পুলিশের একটি অপরাধ বিভাগ, একটি গোয়েন্দা বিভাগ, একটি ট্রাফিক বিভাগ, একটি পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, একটি পরিবহন বিভাগ, একটি পুলিশ লাইনস, একটি এমআইএস বা আইটি ইউনিট, দুইটি অপরাধ জোন, চারটি ট্রাফিক জোন, চারটি থানা, ৬টি পুলিশ ফাঁড়ি ও ৪১টি পুলিশ বক্স। এই বিশাল কাঠামোর জন্য ডিএমপির সাংগঠনিক কাঠামোতে ৬ হাজার ৫২৪টি নতুন পদ সৃজন এবং বিপুলসংখ্যক যানবাহন টিওঅ্যান্ডইভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পকে শুরু থেকেই একটি পরিকল্পিত ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। রাজউকের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ভবিষ্যতে এখানে বিপুল জনসংখ্যার বসবাস হবে। সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এলাকাটিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় এনে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ কাঠামো গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই কাঠামোর জন্য বিভিন্ন পদমর্যাদায় মোট ৬ হাজার ৫২৪টি নতুন পদ সৃষ্টির বিষয়টি প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রস্তাবটি বর্তমানে প্রশাসনিক পর্যায়ে পর্যালোচনার প্রক্রিয়ায় আছে। অনুমোদন পেলে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে।

এসি/আপ্র/০৫/০১/২০২৫

সংশ্লিষ্ট খবর

৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে: নাহিদ
০১ জুলাই ২০২৬

৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে: নাহিদ

সরকারের উদ্দেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ৫ আগস্টের...

গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরেছে পুলিশ
০১ জুলাই ২০২৬

গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরেছে পুলিশ

গাঢ় নীল ও হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট এবং খাকি রঙের প্যান্টে ফিরেছে পুলিশের পোশাক। বুধবার (১ জুলাই) নতুন...

সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, ভারী বৃষ্টির আভাস
০১ জুলাই ২০২৬

সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, ভারী বৃষ্টির আভাস

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছ...

পূর্বাচলে হবে ৪ থানা, ৬ তদন্ত কেন্দ্র: আইজিপি
০১ জুলাই ২০২৬

পূর্বাচলে হবে ৪ থানা, ৬ তদন্ত কেন্দ্র: আইজিপি

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে আইন-শৃঙ্খলা আরো জোরদার করতে ৪টি থানা ও ৬টি তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন করা হবে ব...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে ধর্ষণের মামলা কিছুটা বেড়েছে বলে যে পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো এখন ভুক্তভোগীরা সহজেই মামলা করতে পারছেন। আগে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে অনেক ভুক্তভোগী থানায় গিয়ে মামলা করতে পারতেন না বা করতে চাইতেন না। আপনি কি মনে করেন মন্ত্রীর এই বক্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 5 ঘন্টা আগে