গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

মেনু

দিনাজপুরে প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধনে পাঁচ নেতার মুক্তি দাবি

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:৪৮ পিএম, ০৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০১:০৮ এএম ২০২৬
দিনাজপুরে প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধনে পাঁচ নেতার মুক্তি দাবি
ছবি

ছবি প্রতিনিধি

মো. মকসেদুর রহমান সাহাজাদা, দিনাজপুর: দিনাজপুর সদর উপজেলার আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন একদল ভুক্তভোগী নারী। একই সঙ্গে তাদের দাবি, অসহায় এক নারীর পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় মিথ্যা মামলায় কারাগারে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টির পাঁচ নেতাকে মুক্তি দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। পরে প্রেসক্লাবের সামনে প্রায় তিন শতাধিক নারীর অংশগ্রহণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদর উপজেলার দরবারপুর গ্রামের সুরত আলীর স্ত্রী আকলিমা বেগম।

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আব্দুস সামাদ দীর্ঘদিন ধরে জাল দলিল তৈরি ও জমি-সংক্রান্ত প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।

আকলিমা বেগমের অভিযোগ, সদর উপজেলার খোসালপুর গ্রামের তাদের দাদা-শ্বশুরের নামে ৫০ শতক জমি রয়েছে। ওই জমির কাগজপত্র ও দলিল করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এবং সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কথা বলে আব্দুস সামাদ তার কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা নেন। পরে তিনি সেটেলমেন্ট অফিসের সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত বলে যে দলিলপত্র দেন, যাচাই করে তা জাল বলে জানতে পারেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, টাকা ফেরত চাইলে আব্দুস সামাদ নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। পরে বিষয়টি উপজেলা যুবশক্তির মুখ্য সংগঠক আজমির হোসেনকে জানানো হলে, পাওনা টাকা ফেরতের বিষয়ে কথা বলতে গত ৫ জুলাই শহরের লিলির মোড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুবশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মুনসহ কয়েকজন যান।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ওই সময় আব্দুস সামাদ তার ছেলে মামুনকে ফোন করলে তিনি পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ আরিফ মুন, আজমির হোসেন, মো. হাসিন ইশরাক মিমসহ পাঁচজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে মামুনের দায়ের করা মামলায় তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নারীদের অভিযোগ, আব্দুস সামাদকে অপহরণ বা তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়নি। তারা মামলাটিকে মিথ্যা দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং কারাবন্দি পাঁচ নেতার মুক্তি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সুন্দরবন ইউনিয়নের দরবারপুর গ্রামের মমতাজ বেগম, মোছাম্মৎ ঋতু, জবা খাতুন, সুরমা মাহবুবা আক্তার রুনীসহ ভুক্তভোগী নারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সানা/আপ্র/৯/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

রোগাক্রান্ত গরু গোপনে জবাই, মাংস বিক্রির চেষ্টায় আটক পাঁচ
২৭ আগস্ট ২০২৬

রোগাক্রান্ত গরু গোপনে জবাই, মাংস বিক্রির চেষ্টায় আটক পাঁচ

সাতক্ষীরায় মারাত্মক রোগাক্রান্ত ও পোকাধরা গরু গোপনে জবাই করে সুস্থ গরুর মাংস হিসেবে সাধারণ মানুষের ক...

বদরগঞ্জে লটারির মোটরসাইকেল না দেওয়ায় থানায় অভিযোগ
২৬ আগস্ট ২০২৬

বদরগঞ্জে লটারির মোটরসাইকেল না দেওয়ায় থানায় অভিযোগ

মাহাবুব রহমান বিপ্লব, বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের বদরগঞ্জে খোলাহাটি কুটিরশিল্প ও বাণিজ্য মেলা...

মেহেরপুরে প্রেমিকার হাত বিচ্ছিন্ন, আহত বাবা-মা
২৬ আগস্ট ২০২৬

মেহেরপুরে প্রেমিকার হাত বিচ্ছিন্ন, আহত বাবা-মা

এস এ খান শিল্টু: মেহেরপুর শহরের লর্ড মার্কেট এলাকায় গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে প্রেমিকার ডান হাত কুপিয়ে ক...

সাংবাদিক হেনস্তার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন
২৬ আগস্ট ২০২৬

সাংবাদিক হেনস্তার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন

মোঃ আকরাম হোসেন: টাঙ্গাইল শহরের ঢাকা ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোমে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে রোডম্যাপ চান আইনমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধ এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে, সে লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ তৈরিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মন্ত্রীর চাওয়ার সাথে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 ঘন্টা আগে