আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হ্যাঁ অথবা না ভোটের ব্যাপারে গাইবান্ধা জেলার সংসদীয় পাঁচটি আসনের ১১ লাখ নারী ও অধিকাংশ পুরুষ ভোটার তেমন একটা অবগত নন। হ্যাঁ এবং না ভোটের বিষয়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালানোর কথা থাকলেও জোরালো প্রচার প্রচারণা চোখে পড়েনি। রাষ্ট্রের গুরুপূর্ণ কোনো বিষয়ের ওপর জনগণের সমর্থন আছে কি নেই, তা যাচাইয়ের জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে হ্যাঁ অথবা না ভোটে সিল দেওয়া হয়। এটি হলো আইন বা রাজনৈতিক ইস্যুতে ভোটারদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি প্রক্রিয়া। তারই প্রেক্ষাপটে এবারে হ্যাঁ বা না ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কিন্তু এটির পার্থক্য বুঝেননা গাইবান্ধা জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের ১১ লাখ ৭ হাজার ২শ পঁচাত্তর জন নারী ভোটারের সিংহভাগ। মাঝে মধ্যে হ্যাঁ অথবা না ভোটের গাড়ী বের হলেও তার সীমাবদ্ধতা পৌর এলাকার মধ্যেই। সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের সাহার বাজার গ্রামের আকতার হোসেনের মেয়ে আনোয়ারাসহ একাধিক নারী বলেন, হ্যাঁ-না ভোট বুঝিনা, দিলে কি হবে, না দিলে কি হবে। জেলার সরকারি অফিসগুলোতে গণভোটের লম্বা আকারের ব্যানার ঝুলিয়ে রাখা হলেও চোখে পড়ার মতোও নয়। প্রসঙ্গত, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে তিনটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর সেগুলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আস্থা গণভোট ১৯৭৭ সালে। সাময়িক শাসনের গণভোট ১৯৮৫ সালে এবং সাংবিধানিক গণভোট ১৯৯১ সালে।
সানা/আপ্র/৭/২/২০২৬