গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনে ৪০ জন প্রার্থী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তন্মধ্যে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ৮ জন, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ৭ জন, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ি) আসনে ১০ জন, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ৬ জন ও গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে ৯ জন।
পাঁচটি আসনে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত করেছেন জেলা নির্বাচন অফিসার। তালিকা অনুযায়ী জেলার মোট ভোটার সংখ্যা ২১ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৩৭ হাজার ৮০৩ জন নতুন ভোটার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গাইবান্ধায় মোট ৬৬৮টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। ৩৯৩টি কেন্দ্রকে “ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধা সদর (২৯টি), সাদুল্লাপুর (৪৮টি), পলাশবাড়ী (৪৭টি), ফুলছড়ি (৬৪টি), সাঘাটা (৫৩টি), গোবিন্দগঞ্জ (৭৩টি) এবং সুন্দরগঞ্জ (৭৯টি)। নির্বাচনের দিন এ সব ভোটকেন্দ্র র্যাব পুলিশ ও বিভিন্ন আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের পাশাপাশি কড়া নজরদারিতে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের একাধিক সুত্র। জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষের তুলনায় ২৫ হাজার ৫৩২ জন বেশি নারী ভোটার। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৬ জন। এসব ভোটাররা জেলার ৬৭৫টি ভোট কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ২০ লাখ ৫২ হাজার ৫৯৭ জন। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে- খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী (বিএনপি- ধানের শীষ), পরমানন্দ দাস (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদী- কাঁচি), মোছা. ছালমা আক্তার (স্বতন্ত্র- কলস), মো. কওছর আজম হান্নু (আমজনতার দল- প্রজাপতি), মো. মাজেদুর রহমান (জামায়াত- দাড়িপাল্লা), মো. মোস্তফা মহসিন (স্বতন্ত্র- ঢেকি), মো. রমজান আলী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- হাতপাখা) ও শামীম হায়দার পাটোয়ারী (জাতীয় পার্টি- লাঙ্গল)। এ আসনে মোট ৪ লাখ ১৯ হাজার ১১১ ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৭ হাজার ৫৭৪, নারী ২ লাখ ১১ হাজার ৫৩৪ ও তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন। গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে- আহসানুল হাবীব সাঈদ (বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল মার্কসবাদী- কাঁচি), মিহির কুমার ঘোষ (কমিউনিস্ট পার্টি- কাস্তে), মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- হাতপাখা), মো. আনিসুজ্জামান খান বাবু (বিএনপি- ধানের শীষ), মো. আব্দুর রশীদ সরকার (জাতীয় পার্টি- লাঙ্গল), মো. আব্দুল করিম (জামায়াত- দাড়িপাল্লা) ও মো. শাহেদুর রহমান (জনতার দল- কলম)। এ আসনে মোট ৪ লাখ ১১ হাজার ৪৬০ ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২ হাজার ৩৭, নারী ২ লাখ ৯ হাজার ৪১২ ও তৃতীয় লিঙ্গের ১১ জন। গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ি) আসনে- অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক (বিএনপি- ধানের শীষ), আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (জামায়াত- দাড়িপাল্লা), এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি (স্বতন্ত্র- ঘোড়া), মইনুর রাব্বী চৌধুরী (জাতীয় পার্টি- লাঙ্গল), মো. আজিজার রহমান (স্বতন্ত্র- ঢেঁকি), মো. আব্দুল্লাহ আদিল (কমিউনিস্ট পার্টি- কাস্তে), এটিএম আওলাদ হোসাইন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- হাতপাখা), মো. মনজুরুল হক (জনতার দল- কলম), মো. মোছাদ্দিকুল ইসলাম (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ- আপেল) ও মো. সুরুজ মিয়া (গণঅধিকার পরিষদ- ট্রাক)। এ আসনে মোট ৫ লাখ ৬ হাজার ১৮৫ ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯০২, নারী ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৭৪ ও তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জন। গাইবান্ধা-৪ ( গোবিন্দগঞ্জ) আসনে- কাজী মশিউর রহমান (জাতীয় পার্টি- লাঙ্গল), মোহাম্মদ শামীম কায়সার (বিএনপি- ধানের শীষ), মো. আতোয়ারুল ইসলাম (বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি- কোদাল), আব্দুর রউফ আকন্দ (স্বতন্ত্র- মোটর সাইকেল), আব্দুর রহিম সরকার (জামায়াত- দাড়িপাল্লা) ও সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- হাতপাখা)। এ আসনে মোট ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৮৪ ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩১ হাজার ৬২৮, নারী ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪৬ ও তৃতীয় লিঙ্গের ১০ জন। গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে- এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু (স্বতন্ত্র- মোটরসাইকেল), নাহিদুজ্জামান নিশাদ (স্বতন্ত্র- হাঁস), মোছা. রাহেলা খাতুন (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল মার্কসবাদী- কাঁচি), মো. আজিজুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- হাতপাখা), মোহাম্মদ আব্দুল ওয়ারেছ (জামায়াত- দাঁড়িপাল্লা), ফারুক আলম সরকার (বিএনপি- ধানের শীষ), শামীম হায়দার পাটোয়ারী (জাতীয় পাটি- লাঙ্গল), শ্রী নিরমল (কমিউনিস্ট পার্টি- কাঁস্তে) ও হাসান মেহেদী বিদ্যুৎ (স্বতন্ত্র- ঘোড়া)। এ আসনে মোট ৩ লাখ ৮৫ হাজার ২৬০ ভোটারের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৯২ হাজার ২৭৫, নারী ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৮২ ও তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন।
সানা/আপ্র/৩১/০১/২০২৬