গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

মেনু

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:১৫ পিএম, ০১ মে ২০২৬ | আপডেট: ০৬:০১ এএম ২০২৬
রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি
ছবি

শ্রম দিবস উপলক্ষে শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা সভায় কথা বলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন -ছবি পিআইবি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, আজ যে রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারা সমুন্নত রেখে শ্রমিকদের একাধিক সমাবেশে শ্রমিক সমাজের সঙ্গে একাত্ব ঘোষণা করেন।

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শ্রম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ত্রিপক্ষীয় শ্রম নীতি ও সংস্কার শ্রমকল্যাণের ভিত্তিতে ভিত্তিকেই শক্তিশালী করেছে। ১৯৭৬ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার। এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এই উদ্যোগই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের নতুন যুগের সূচনা করে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন ও শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাসহ শ্রমিকের অধিকার কর্মসংস্থান ও কল্যাণের ভিতকে আরও বিস্তৃত করেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার দেশের আপামর শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ ন্যায্য অধিকার রক্ষা শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য সুস্বাস্থ্য নিরাপদ ও নিরাপদ ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নানাবিধি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকরাই দেশের উন্নয়নের মূল কারিগর। দেশের শিল্প কল কারখানা, কৃষি, পরিবহন, গৃহকর্ম নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে তাদের নিরলস পরিশ্রম, আমাদের সমাজ, অর্থনীতি, সভ্যতা ও উন্নয়নকে বেগবান ও সমৃদ্ধ করছে। প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো বিশাল রেমিট্যান্স ও তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের শ্রম ও ঘামের যে আয় হয় আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ এটাই আমাদের অর্থনীতির প্রাণশক্তি।

তিনি বলেন, সরকার প্রতিশ্রুতি অনুসারে শ্রমিকদের কল্যাণে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনার সবগুলোই ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছেন। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ বন্ধ চিনিকল রেশম পাট ও শিল্প কল কারখানা চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়। চলতি বছরের ছয় মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ছয়টি পাঠকল চালু করার চিন্তাভাবনা রয়েছে।

মালিক শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শ্রমিক ও মালিক পারস্পরিক আস্থা সম্পর্ক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ কর্মপরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকশই শিল্প উন্নয়ন ও সুরক্ষিত কর্মসংস্থান দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শ্রম খাতে শিল্প সম্পর্ক বজায় রাখা ও শ্রমিক মালিক এর অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রমকে উৎসাহ দিতে এই সরকার সচেষ্ট।
সানা/আপ্র/০১/৫/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

রাজধানীর কাঁটাবনে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুন
২৭ জুন ২০২৬

রাজধানীর কাঁটাবনে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুন

রাজধানীর কাঁটাবনের একটি ১৪ তলা আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আ...

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত, মিলল বহুমুখী সহযোগিতার আশ্বাস
২৭ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত, মিলল বহুমুখী সহযোগিতার আশ্বাস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষ...

তাজিয়া মিছিল থেকে ধাওয়া, পুরান ঢাকায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা
২৭ জুন ২০২৬

তাজিয়া মিছিল থেকে ধাওয়া, পুরান ঢাকায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

পবিত্র আশুরার তাজিয়া মিছিলে অংশ নেওয়া এক যুবককে ধাওয়া করে পুরান ঢাকার বাংলাবাজার এলাকায় নির্মাণাধীন...

তিন দিন পর বাসা থেকে নারী চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার
২৭ জুন ২০২৬

তিন দিন পর বাসা থেকে নারী চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার

রাজধানীর শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটের আবাসিক ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফারা ফেরদৌস নামে এক নারী চিকিৎস...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

২০২৫ সালে সেবা খাতে ঘুষ লেনদেনের পরিমাণ ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি ২০ লাখ টাকা

দেশের বিভিন্ন সেবা খাতে ২০২৫ সালে ঘুষ লেনদেনের পরিমাণ আনুমানিক ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, এই পরিমাণ ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। আপনি কি মনে করেন এই জরিপ সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে