গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

ভালো কাজের সবচেয়ে বড় শক্তি মানুষের প্রতি আন্তরিক ইচ্ছা: তারেক রহমান

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:১০ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৩:১৬ এএম ২০২৬
ভালো কাজের সবচেয়ে বড় শক্তি মানুষের প্রতি আন্তরিক ইচ্ছা: তারেক রহমান
ছবি

পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - ছবি সংগৃহীত

দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই বিএনপির লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ভালো কাজ করার সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে ইচ্ছা। ঐক্যবদ্ধভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারলে মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং তাদের কল্যাণে কাজ করা সম্ভব।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বেও রয়েছেন। অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুবাইদা রহমানও বক্তব্য দেন।

তারেক রহমান বলেন, “একটি ভালো কাজ করার মুখ্য বিষয় হচ্ছে ইচ্ছা, ইচ্ছা এবং ইচ্ছা। আমি বিশ্বাস করি, আমার এই প্রিয় সংগঠনের প্রত্যেক সদস্যের সেই প্রবল ইচ্ছাটি রয়েছে। যে ইচ্ছার মাধ্যমে সে একটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে সক্ষম।”

তিনি বলেন, “আসুন, আমাদের লক্ষ্য হোক আগামী দিনে যতদিন পর্যন্ত আমরা সুস্থ থাকব, সবল থাকব, ততদিন পর্যন্ত আমাদের লক্ষ্য হোক একজন মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। সেই প্রত্যাশা রেখে এবং আবারো আমার এই প্রিয় সংগঠনের প্রত্যেক সদস্যের শুভকামনা করছি।”

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ‘একটি চেষ্টা, একটি উদ্যোগ’ প্রতিপাদ্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের জন্য কিছু করার প্রত্যাশা থেকেই তারা উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নেও সক্ষম হয়েছেন। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে এমন উদ্যোগ মানুষের সচ্ছলতা আনবে এবং দেশে স্বনির্ভরতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

তারেক রহমান বলেন, “আমি দৃঢ়ভাবে এটা বিশ্বাস করি, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে থাকি, একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে অবশ্যই আমরা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারব, মানুষের জন্য আমরা কাজ করতে পারব। এই মুহূর্তে আমরা যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি, বাংলাদেশে আমাদের সবার দেশের জন্য যার যার অবস্থান থেকে কাজ করা উচিত।”

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, “ইচ্ছা অর্থাৎ আমি একটি কাজ করতে চাই... ইচ্ছাটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় শক্তি। আমরা দেখেছি, এই দেশে বা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনেক বিত্তশালী ব্যক্তি আছেন। কিন্তু তারা তাদের সেই বিত্ত বা সম্পদ শুধু নিজেদের স্বার্থে বা নিজেদের কাজেই ব্যবহার করেন।”

তিনি আরো বলেন, বিত্তশালীরা তাঁদের সম্পদ বা সম্পদের সামান্য অংশও সমাজ, মানুষ, জীবজন্তু ও প্রকৃতির কল্যাণে ব্যয় করলে অনেকের জীবনে শান্তি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

মানুষের পাশে আছে, থাকবে

ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুবাইদা রহমান বলেন, “জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গঠিত, আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশীর্বাদে সিক্ত ও জনাব তারেক রহমানের উদ্যোগে অনুপ্রেরণায় স্থাপিত বাংলাদেশের মানবিকতার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত।”

তিনি বলেন, গত ২৭ বছরে মানবসেবার ছোট চারাগাছ থেকে প্রতিষ্ঠানটি আজ মহিরুহ হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ‘মানুষের জন্য মানুষ, একটি চেষ্টা, একটি উদ্যোগ’ এই সংকল্পকে ধারণ করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে।

মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যতে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন বিশ্বে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালের ১৮ অক্টোবর। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য, ‘একটি উদ্যোগ, একটি চেষ্টা... এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা’।

আইডিয়া ফেস্টে চ্যাম্পিয়ন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল
অনুষ্ঠানে ‘আইডিয়া ফেস্ট’-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মেধা এবং উদ্ভাবনী ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও আগামীর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলগুলোর হাতে চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিজয়ীদের সনদ দেন জুবাইদা রহমান।

চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রুপ-১২। দলটির সদস্য দলনেতা মারুফ মোস্তফা মুনীম, মোহামেনুল ইসলাম ও মো. রিয়াদ মিয়া।

যৌথভাবে রানার্সআপ হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম গ্রুপ-২ ও টিম গ্রুপ-১। টিম গ্রুপ-২-এর সদস্য দলনেতা নাজমুল ইসলাম নাফি, মুনতাসির আবেদীন রিফাত ও শাহরিয়ার রাফাত। টিম গ্রুপ-১-এর সদস্য দলনেতা আবদুল আশরাফিক চৌধুরী, জারির মাহমুদ ও এসএম ইয়াসিন সৌরভ।

এবারের প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল পর্বে ছিল ১৮টি দল। বিচারকদের রায়ে সাতটি দল ফাইনালে অংশ নেয়। ফাইনালে সেরা হয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রুপ-১২।

অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ হালিম ডোনার, অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, আইডিয়া ফেস্টের আহ্বায়ক সৈয়দা তাজনিন ওয়ারিস সিমকী ও সমন্বয়ক অধ্যাপক লুৎফর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কর্মকাণ্ডের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
সানা/আপ্র/১৯/১০/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে কুমারী পূজা উদযাপন
১৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে কুমারী পূজা উদযাপন

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাষ্টমীতে রাজধানীর গোপীবাগে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্...

দেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী
১৯ অক্টোবর ২০২৬

দেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী

মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দে...

অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান, পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের
১৯ অক্টোবর ২০২৬

অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান, পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য...

মহাষ্টমীতে ঢাকেশ্বরীতে বিহিত পূজা, রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা
১৯ অক্টোবর ২০২৬

মহাষ্টমীতে ঢাকেশ্বরীতে বিহিত পূজা, রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা

শারদীয় দুর্গোৎসবের আজ মহাষ্টমী। রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দিনভর পূজা-অর্চনা, অঞ্জলি ও ধর্মীয় আনুষ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বিশ্বের অন্য কোথাও নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে যখন হানাহানি ও হিংসার আগুন জ্বলছে, তখন বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী ২০২৬ উপলক্ষ্যে ঢাকার রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 11 ঘন্টা আগে