গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে ড্রাই ব্রাশিং

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:৪৪ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৩:২৯ এএম ২০২৬
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে ড্রাই ব্রাশিং
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আপনি নিশ্চয়ই প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ করেন, আর সিল্কি চুল ও স্বাস্থ্যজ্জল স্কাল্পের জন্য চুলও নিয়মিত ব্রাশ করেন। কিন্তু ভাবুন, যদি এখন আপনাকে আপনার ত্বকও ব্রাশ করতে বলা হয়? সময়ের সঙ্গে পরিবর্তনে রূপচর্চার দুনিয়াতেও এসেছে নতুনত্ব।

একেক সময় একেক ট্রেন্ড সবাইকে আকর্ষণ করে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে এক নতুন ট্রেন্ড মুখের ড্রাই ব্রাশিং। এখন অনেকেই এটি ব্যবহার করছেন।

এই পদ্ধতিতে বলা হচ্ছে, মুখের ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, আর জ’লাইনকে আরো তীক্ষ্ণ করার ক্ষেত্রেও কিছুটা সহায়ক হতে পারে।

তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ফেশিয়াল ড্রাই ব্রাশিং আসলে কী এবং এটি কতটা কার্যকর? এটি এখন অনেকের আগ্রহের বিষয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক-

ফেশিয়াল ড্রাই ব্রাশিং কী?
ফেশিয়াল ড্রাই ব্রাশিং হলো মুখের ত্বক ব্রাশ করার একটি বিশেষ পদ্ধতি। এতে ব্যবহার করা হয় নরম ব্রাশ, মুখ সম্পূর্ণ শুকনো রাখার সঙ্গে সঙ্গে কোনো পানি বা ক্রিম ব্যবহার করা হয় না। ব্রাশ করতে হয় নিচ থেকে উপরের দিকে এবং ভেতর থেকে বাইরের দিকে, যাতে ত্বকের মৃত কোষ আলতোভাবে অপসারিত হয়।

অনেক ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, এই পদ্ধতি মুখের লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম সক্রিয় করতে সাহায্য করে। এর ফলে মুখের ত্বক সামান্য মসৃণ এবং হালকা উজ্জ্বল দেখায়। লিম্ফ চলাচল বাড়লে মুখের ফোলা কমতে পারে, ফলে জ’-লাইন তুলনামূলকভাবে শার্প দেখায়।

যেভাবে কাজ করে
এই পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো ত্বকে রক্তপ্রবাহ বাড়ানো, মৃত কোষ দূর করা এবং সাময়িক উজ্জ্বলতা আনা। ব্যবহারকারীরা দেখেছেন যে এটি মুখের ত্বক সামান্য মসৃণ ও ফোলা কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি স্থায়ী জ লাইন তৈরি করতে পারে না। জ লাইন মূলত হাড়ের গঠন, পেশির টোন এবং মুখের ফ্যাটের ওপর নির্ভর করে। ড্রাই ব্রাশিং শুধু সাময়িকভাবে ফোলা কমাতে ও মৃত কোষ সরাতে সাহায্য করে, ফলে ত্বক সাময়িকভাবে উজ্জ্বল দেখায়।

ড্রাই ব্রাশিং করার পদ্ধতি
মুখ সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন। মুখের জন্য বিশেষ নরম ব্রাশ ব্যবহার করে হালকা চাপ দিয়ে গলা থেকে উপরের দিকে, গাল ও কপালে ব্রাশ করুন। চোখের চারপাশের সংবেদনশীল অংশ এড়িয়ে চলুন। ১-২ মিনিট যথেষ্ট, সপ্তাহে ২-৩ বার করুন। শেষে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন।

সতর্কতা
মুখের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় ঘন ঘন ব্রাশিং করলে লালচে ভাব, ইরিটেশন বা মাইক্রো-স্ক্র্যাচ হতে পারে। ব্রণ, এগজিমা বা ত্বকের ক্ষত থাকলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত নয়। অপরিষ্কার ব্রাশ ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

এসি/আপ্র/১৫/০১/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

লোকাল বাসে উচ্চস্বরে রিলস দেখা কি অভদ্রতা
২৯ আগস্ট ২০২৬

লোকাল বাসে উচ্চস্বরে রিলস দেখা কি অভদ্রতা

নিজের বিনোদনের জন্য মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখা স্বাভাবিক বিষয়। তবে লোকাল বাসের মতো যৌথ পরিবহন ব্যবস্থায়...

থাইরয়েডের সমস্যার ৯ লক্ষণ জেনে নিন
২৯ আগস্ট ২০২৬

থাইরয়েডের সমস্যার ৯ লক্ষণ জেনে নিন

থাইরয়েড শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থি, যা বিভিন্ন শারীরিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এই গ্...

সোনার গহনার প্রতি নারীদের এত আকর্ষণ কেন
২৯ আগস্ট ২০২৬

সোনার গহনার প্রতি নারীদের এত আকর্ষণ কেন

সাজসজ্জায় সোনার গহনার ব্যবহার বহু পুরোনো। সময় ও ফ্যাশনের পরিবর্তনের সঙ্গে অলংকারের নকশায় বৈচিত্র্য এ...

লোডশেডিংয়ে মন ভালো রাখবেন যেভাবে
২৯ আগস্ট ২০২৬

লোডশেডিংয়ে মন ভালো রাখবেন যেভাবে

দেশে গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের কারণে সম্প্রতি লোডশেডিং বেড়েছে। কাজের ব্যস্ততার মধ্যে কিংবা দিনের শেষে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে রোডম্যাপ চান আইনমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধ এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে, সে লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ তৈরিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মন্ত্রীর চাওয়ার সাথে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে