ইয়েমেনের মারিব ও হাদরামাউত প্রদেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। হামলার লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন সামরিক শিবির।
এই হামলার জন্য সন্দেহের তীর উঠেছে ইরানসমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দিকে। তবে হুথিরা এখনো এর দায় স্বীকার করেনি।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের জরুরি বাহিনী জানিয়েছে, হামলায় তাদের কয়েকটি শিবির ও সামরিক ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, হামলায় হতাহত ও স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
বাহিনী জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সাম্প্রতিক নিরাপত্তা ও সামরিক কার্যক্রমে অগ্রগতির পর এই হামলা চালানো হয়েছে।
এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন ইয়েমেনের বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে জুলাইয়ের শুরু থেকে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ চলছে। এসব সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কয়েক ডজন মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
২০২২ সালের এপ্রিল থেকে ইয়েমেনে তুলনামূলকভাবে লড়াই কমে এসেছিল। তবে দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়নি।
ইয়েমেনে প্রায় ১১ বছর আগে শুরু হওয়া যুদ্ধে একদিকে রয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সমর্থনপুষ্ট সরকারি বাহিনী, অন্যদিকে ইরানসমর্থিত হুথি গোষ্ঠী।
২০১৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানী সানা ও দেশের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নেয় হুথিরা। এরপর থেকে দেশটিতে রাজনৈতিক ও সামরিক সংকট অব্যাহত রয়েছে।
ডিসি/আপ্র/০৬/০৮/২০২৬