শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষার সুযোগ ও মানোন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরার দিন বিশ্ব ছাত্র দিবস আজ (১৫ অক্টোবর)। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়। এদিন শিক্ষার্থীদের অবদান, সমস্যা, স্বাধীন মতপ্রকাশ এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
শিক্ষার্থীরা একটি দেশের ভবিষ্যৎ গঠনের অন্যতম প্রধান শক্তি। তাদের মেধা, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি জাতিকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
বিশ্ব ছাত্র দিবস উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা যেতে পারে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা সম্ভব।
এ ছাড়া শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার ব্যয় কমানো, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার বিস্তার এবং পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার সুযোগ সবার কাছে পৌঁছে দিতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। তাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা, বিজ্ঞানমনস্কতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাদের সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ তৈরি করাও জরুরি।
বিশ্ব ছাত্র দিবসের মূল তাৎপর্য হলো শিক্ষার্থীদের অধিকার ও সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং শিক্ষার মাধ্যমে সুন্দর, বৈষম্যহীন ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা। দিবসটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও নীতিনির্ধারকদের শিক্ষার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানায়।
এসি/আপ্র/১৫/১০/২০২৬