গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ৩১ মে ২০২৬

মেনু

জামায়াতের আমিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: সেলিমা রহমান

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:৪৫ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১০:১৩ এএম ২০২৬
জামায়াতের আমিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: সেলিমা রহমান
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, নারীদের প্রতি কটূক্তির দায়ে জামায়াতের আমিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। না হলে নারী সমাজের মনে যে ক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যালটেই এর জবাব পাবেন। দলের আমিরের এ ধরনের অবমাননাকর বক্তব্যের পরও জামায়াতের নারী নেত্রীদের নীরবতা লজ্জার।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নারীদের নিয়ে জামায়াতের আমিরের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে মহিলা দলের বিক্ষোভ মিছিলের আগে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস।

সেলিমা রহমান বলেন, জামায়াতের আমির নারীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ ক্ষোভে ফুসে উঠেছে। কারণ দলটি নারী সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অনলাইনে নারীদের নিয়ে আজেবাজে মন্তব্য করছে। আমাদের সন্দেহ হচ্ছে, বিগত সরকারের সময়ে নারী নির্যাতনের নেপথ্যে তারাই জড়িত ছিল কিনা।

তিনি বলেন, জামায়াতের আমিরের মন্তব্যে আমরা লজ্জিত হচ্ছি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। অথচ জামায়াত সবসময় নারীদের হেয়প্রতিপন্ন করে কথা বলছে। কই নারীরা কাজ করাতে আমাদের তো কিছু মনে হচ্ছে না। তাহলে আপনার কাছে কেন মনে হয়েছে? তার মানে আপনারা নারীদের সম্মান করতে জানেন না। বিএনপি একটি নারীবান্ধব দল। তাই দেশের নারীরা বিএনপিকে গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে নারীদের বন্দি করার দিন শেষ। তারা প্রতিবাদ করতে শিখেছে। তাই জামায়াতকে সাব ধরনের কথা বলা উচিত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত দিনে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জামায়াতের কোনো অবদান নেই। তারা শুধু নেতাদের জন্য লড়াই করেছে। গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেনি। একাত্তরেও তারা এমনটি করেছে। তখন আমাদের মা-বোনদের পাক সেনারা ধরে নিয়ে গেলেও তারা প্রতিবাদ করেনি।

মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেন, নারীদের নিয়ে জামায়াতের আমিরের কটূক্তিতে আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তিনি তার স্ত্রী ও মাকে অসম্মান করতে পারেন না। এ বিষয়ে জামায়াতের নারী নেত্রীদেরও প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। কারণ তিনি সমগ্র বাংলাদেশের নারী সমাজের অপমান করেছেন। জামায়াতে ইসলামী একাত্তরেও নারীদের নির্যাতন করেছে। তিনিও জামায়াতের আমিরকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।

এসি/আপ্র/০২/০২/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

জিয়ার আদর্শ ধারণ করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল
২৯ মে ২০২৬

জিয়ার আদর্শ ধারণ করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,  জাতীয় জীবনে সংকট, সংগ্রাম ও বিনির্মাণে শহীদ...

সাতবারের এমপি দবিরুল ইসলাম মারা গেছেন
২৯ মে ২০২৬

সাতবারের এমপি দবিরুল ইসলাম মারা গেছেন

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা দবিরুল ইসলাম মারা গেছেন।বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিক...

শুধু সংসদে কথা বলেই বিরোধী কাজ শেষ নয়
২৪ মে ২০২৬

শুধু সংসদে কথা বলেই বিরোধী কাজ শেষ নয়

মতবিনিময় সভায় মিয়া গোলাম পরওয়ার

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই