দেশের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রীয় নীতি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ হবে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সার্বভৌম সমতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে, বিশেষ করে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্মানজনক ও পারস্পরিক কল্যাণকর সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা জানান তিনি।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফার্স্ট হবে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শন। পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে আমরা সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই।
দায়িত্বগ্রহণের প্রথম দিনেই খলিলুর রহমান জানান, দেশের বৈদেশিক সম্পৃক্ততা নতুন করে মূল্যায়ন করা হবে। সার্বভৌম সমতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, জাতীয় মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা এবং পারস্পরিকতার ভিত্তিতে কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, আমরা সর্বোচ্চ মাত্রায় জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখব। সরকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কার ইতিবাচক ও বিস্তৃত পররাষ্ট্রনীতিতে ফিরে যেতে চায়। সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে জাতীয় স্বার্থ অটুট রাখার ওপর জোর দেওয়া হবে।
পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করে ড. খলিলুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অসতর্ক বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, সরকার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায় এবং এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে নজর রাখার আহ্বান জানাই।
এসি/১৯/০২/২০২৬