বাউফলের চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজার এলাকায় রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামায়াতের নির্বাচনী মিছিলে বিএনপি নেতাকর্মীদের অতর্কিত হামলায় নারীসহ কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী বাউফল শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বেড় করলে বিএনপির সাথে তাদের দফায় দফায় ধাওয়া, পাল্টার ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করে।
এদিকে চন্দ্রদ্বিপের ঘটনায় আহতদের মধ্যে জামায়াতের ৫ জন ও বিএনপির ১ জনকে জনকে উদ্ধার করে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজার এলাকায় ঘটনার দিন দুপুরে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে মিছিল করছিল জামায়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এসময় বিএনপি নেতা মুনির হোসেন ও তার ছোট ভাই তাহের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন ধানের শীষের কর্মী সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা করে।
এ হামলায় জামায়াতের চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়নের সেক্রেটারী আমিনুল ইসলামসহ ২০-২৫ জন আহত হয়েছে। হামলার খবর শুনে আমিনুল ইসলামের স্ত্রী সাহেদা বেগম ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়ন মূল ভূখণ্ড থেকে থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় আহতদের অনেকেই শহরে এসে চিকিৎসা নিতে পারেননি।
বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ধানের শীষের কর্মী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভান্ডারিয়া বাজারে তারা ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন, এসময় জামায়াতের কর্মী সমর্থকরা তাদের উপর হামলা চালায়। এ হামলায় তিনিসহ তাদের বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক আহত হয়েছেন।
হামলা পরবর্তী ওই এলাকায় সাধারণ মানুষ বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে কাটাচ্ছে। তারা চন্দ্রদ্বিপে আর্মি ক্যাম্প স্থাপনের দাবি করেছেন।
এ বিষয় বক্তব্য নিতে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক তসলিম তালুকদারকে তার মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি। তবে এঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদার।
বাউফল থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমানকে ফোন দিলেও তিনিও রিসিভ করেননি।
এসি/আপ্র/০৮/০২/২০২৬