কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) এখন আর ভবিষ্যতের কোনো কল্পবিজ্ঞান নয়—এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব অংশ। স্মার্টফোনের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে শুরু করে হাসপাতালের রোগ নির্ণয়, সংবাদ লেখা, এমনকি আদালতের নথি বিশ্লেষণেও AI ব্যবহৃত হচ্ছে।
একদিকে AI মানুষের কাজকে সহজ, দ্রুত ও নির্ভুল করছে। চিকিৎসাক্ষেত্রে AI জটিল রোগ শনাক্ত করতে সাহায্য করছে, কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে দিচ্ছে সঠিক পূর্বাভাস, আর শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে ব্যক্তিকেন্দ্রিক শেখার সুযোগ।
কিন্তু এর উল্টো চিত্রও কম উদ্বেগজনক নয়। অনেকের আশঙ্কা—AI মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে। বিশেষ করে সাংবাদিকতা, গ্রাফিক ডিজাইন, কাস্টমার সার্ভিসের মতো পেশাগুলোতে ইতোমধ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এছাড়া ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ও AI-এর সিদ্ধান্ত গ্রহণে নৈতিকতার প্রশ্নও সামনে আসছে।
AI ভালো না খারাপ—এই প্রশ্নের চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমরা এটিকে কীভাবে ব্যবহার করছি। সঠিক নীতিমালা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে AI হতে পারে উন্নয়নের হাতিয়ার। নচেৎ এটি সমাজে বৈষম্য ও বেকারত্ব বাড়ানোর কারণও হতে পারে।
👉 AI আমাদের শত্রু নয়—বরং এটি আমাদের আয়না, যেখানে ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন দেখা যায়।