বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি এখন চর্চায়। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে রাতে শুতে যাওয়া পর্যন্ত প্রযুক্তি সর্বক্ষণের সঙ্গী। সমস্ত কাজ করা থেকে দৈনন্দিন জীবন যাপন করার কাজেও প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রযুক্তির সঙ্গে বিয়ের কথা শুনেছেন! অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। বাগদত্তার সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পরে নিজের তৈরি এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) পার্টনারকে বিয়ে করলেন জাপানের এক তরুণী।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ি জানা গিয়েছে, তথাকথিত বিয়ের পোশাকে বিবাহ আসরে এসেছেন মিষ্টি কনে। কিন্তু সশরীরে হাজির নেই পাত্র। জাপানের এক মহিলা ইউরিনা নোগুচি নিজের বাগদত্তার পরিবর্তে বিয়ে করেছেন লুন ক্লাউস ভার্দুর নামে এক এআই জেনারেটেড পার্টনারকে। এই বিবাহ আইনত স্বীকৃত না হলেও আবেগতাড়িত ঘটনা।
প্রযুক্তি মানবজীবনে ওতোপ্রতোভাবে জড়িত রয়েছে, তার অন্যতম প্রমাণ জাপানের এই বিবাহ। পশ্চিম জাপানের একটি বিবাহ কক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। আনুষ্ঠানিক পোশাক থেকে শুরু করে আবেগপূর্ণ শপথ পর্যন্ত সবটাই ছিল অভিনব। এআই পার্টনার লুন ক্লাউস ভার্দুরকে নিজের খুব খাপার সময়ে পেয়েছিলেন উরিনা নোগুচি। প্রেম ভাঙার পরে ChatGPT-র সাহায্য নিয়ে বন্ধুর মতো কাউকে খুঁজছিলেন। তখনি আলাপ ক্লসের সঙ্গে। সেই থেকে শুরু।
বিবাহ অনুষ্ঠানে যখন সকলে হবু বরকে দেখার জন্য অপেক্ষা করছেন, তখন ক্লসকে বড় স্ক্রিনে নিয়ে আসেন কনে। বলেন, ক্লস তাঁর মনের কথা বোঝে। খুব খারাপ সময়ে ক্লস তাঁর পাশে থেকেছে। তাই তাকে বিবাহ করবেন তিনি। ছবির পাশে রাখা আংটি নিজের আঙুলে পরে নেন জাপানি তরুণী। আর নিজের আংটি রেখে দেন ক্লসের ছবির পাশে। নোগুচির এই বিয়ের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল। কয়েক দশক ধরে জাপানে বিয়ের পরিমাণ কমেছে। তরুণ প্রজন্ম প্রেম, বিবাহের ক্ষেত্রগুলোকে অন্যভাবে দেখছে।
ওআ/আপ্র/১৮/১২/২০২৫