ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ মে ২০২৪, ১৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

শিল্পা শেঠির স্বামীর প্রায় ১০০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক: বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রিপু সুদন কুন্দ্রা ওরফে রাজ কুন্দ্রার প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ভারতের আর্থিক দুর্নীতিসংক্রান্ত তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি। বৃহস্পতিবার সকালে ইডি একটি টুইট করে জানিয়েছে, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি মিলিয়ে মোট ৯৭.৭৯ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে জুহুতে একটি আবাসিক ফ্ল্যাটও রয়েছে। ওই ফ্ল্যাটটি রয়েছে শিল্পা শেঠির নামে। এ ছাড়া পুণেতে রাজ কুন্দ্রার নামে থাকা বাংলোও বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এবার যে মামলায় রাজ কুন্দ্রা ও শিল্পা শেঠির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তা খুবই জটিল। মুম্বাই ও দিল্লি পুলিশ সম্প্রতি ভেরিয়েবল টেক নামে একটি সংস্থা ও তার প্রমোটার অমিত ভরদ্বাজ, অজয় ভরদ্বাজ, সিম্পি ভরদ্বাজের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা করেছে। তারা বিটকয়েনের ব্যবসা ফেঁদে প্রায় ৬৬০০ কোটি টাকা তুলেছিল। সেই সঙ্গে আমানতকারীদের বলেছিল মাসে ১০ শতাংশ সুদ দেবে। কিন্তু প্রচুর মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলে তারা লাপাত্তা হয়ে গেছে। তবে অপরাধের টাকা ইন্টারনেট ওয়ালেটে রাখা রয়েছে।
অভিযোগ, এই অমিত ভরদ্বাজের থেকে ২৮৫টি বিটকয়েন নিয়েছিলেন রাজ কুন্দ্রা। ইউক্রেনে বিটকয়েন ফার্ম খোলার জন্য এই টাকা নিয়েছিলেন কুন্দ্রা। ইডির দাবি এই ২৮৫টি বিটকয়েনের মূল্য ১৫০ কোটি টাকা। এর আগে ২০২১ সালে রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ উঠেছিল। মুম্বাইয়ে শিল্প বাণিজ্য মহল এবং পেজ থ্রি সোসাইটিতে রাজ পরিচিত মুখ। তার বিরুদ্ধে অশ্লীল ছবি তৈরির অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলায় গ্রেফতারও করা হয় রাজ কুন্দ্রাকে। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। তবে সেই মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। ইডি সূত্রে খবর, কুন্দ্রা ওই টাকা নিয়ে ইউক্রেনে বিটকয়েনের ব্যবসা ফাঁদতে পারেনি। হতে পারে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তা জটিল হয়ে গেছে। কিন্তু এখনও তার কাছে দেড়শ কোটি টাকা রয়েছে। যা লোক ঠকানো টাকা। সে কারণেই তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার লার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরাসি পরমাণু অস্ত্রে ইইউ’র রঙ দিতে চান ম্যাক্রোঁ

শিল্পা শেঠির স্বামীর প্রায় ১০০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

বিনোদন ডেস্ক: বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রিপু সুদন কুন্দ্রা ওরফে রাজ কুন্দ্রার প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ভারতের আর্থিক দুর্নীতিসংক্রান্ত তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি। বৃহস্পতিবার সকালে ইডি একটি টুইট করে জানিয়েছে, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি মিলিয়ে মোট ৯৭.৭৯ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে জুহুতে একটি আবাসিক ফ্ল্যাটও রয়েছে। ওই ফ্ল্যাটটি রয়েছে শিল্পা শেঠির নামে। এ ছাড়া পুণেতে রাজ কুন্দ্রার নামে থাকা বাংলোও বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এবার যে মামলায় রাজ কুন্দ্রা ও শিল্পা শেঠির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তা খুবই জটিল। মুম্বাই ও দিল্লি পুলিশ সম্প্রতি ভেরিয়েবল টেক নামে একটি সংস্থা ও তার প্রমোটার অমিত ভরদ্বাজ, অজয় ভরদ্বাজ, সিম্পি ভরদ্বাজের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা করেছে। তারা বিটকয়েনের ব্যবসা ফেঁদে প্রায় ৬৬০০ কোটি টাকা তুলেছিল। সেই সঙ্গে আমানতকারীদের বলেছিল মাসে ১০ শতাংশ সুদ দেবে। কিন্তু প্রচুর মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলে তারা লাপাত্তা হয়ে গেছে। তবে অপরাধের টাকা ইন্টারনেট ওয়ালেটে রাখা রয়েছে।
অভিযোগ, এই অমিত ভরদ্বাজের থেকে ২৮৫টি বিটকয়েন নিয়েছিলেন রাজ কুন্দ্রা। ইউক্রেনে বিটকয়েন ফার্ম খোলার জন্য এই টাকা নিয়েছিলেন কুন্দ্রা। ইডির দাবি এই ২৮৫টি বিটকয়েনের মূল্য ১৫০ কোটি টাকা। এর আগে ২০২১ সালে রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ উঠেছিল। মুম্বাইয়ে শিল্প বাণিজ্য মহল এবং পেজ থ্রি সোসাইটিতে রাজ পরিচিত মুখ। তার বিরুদ্ধে অশ্লীল ছবি তৈরির অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলায় গ্রেফতারও করা হয় রাজ কুন্দ্রাকে। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। তবে সেই মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। ইডি সূত্রে খবর, কুন্দ্রা ওই টাকা নিয়ে ইউক্রেনে বিটকয়েনের ব্যবসা ফাঁদতে পারেনি। হতে পারে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তা জটিল হয়ে গেছে। কিন্তু এখনও তার কাছে দেড়শ কোটি টাকা রয়েছে। যা লোক ঠকানো টাকা। সে কারণেই তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।