ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

আঙ্কারায় সুইডিশ কূটনীতিক তলব, ন্যাটোর সদস্যপদ আটকে দেয়ার হুমকি

  • আপডেট সময় : ১২:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সুইডেনের গোথেনবার্গ শহরে একটি কুর্দি গোষ্ঠীর মিছিল-সমাবেশের কড়া প্রতিবাদ করেছে তুরস্ক। আঙ্কারায় নিযুক্ত সুইডেনের শীর্ষ পর্যায়ের একজন কূটনীতিককে তলব করে গত শনিবার তুরস্ক এর প্রতিবাদ জানায়। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আঙ্কারায় সুইডিস দূতাবাসের অন্তর্র্বতী প্রধানকে তলব করে কুর্দি গোষ্ঠীর ওই বিক্ষোভের ব্যাপারে প্রচ- রকমের অসন্তুষ্টি জানায়। তুরস্ক কুর্দি সংগঠনগুলোকে সন্ত্রাসী বলে মনে করে। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে তার আলোকে আমরা আশা করি গেথেনবার্গ শহরে কুর্দি সন্ত্রাসীরা যে সমাবেশ ও মিছিল করেছে সে ব্যাপারে সুইডিশ সরকার প্রয়োজনীয় আইন এবং বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।” তুরস্কের সঙ্গে সুইডেনের নতুন করে এই টানাপড়েন এমন সময় শুরু হল যখন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান হুমকি দিয়েছেন যে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড যদি কুর্দি সন্ত্রাসীদেরকে সমর্থন দেয়া বন্ধ না করে তাহলে তাদের ন্যাটো সামরিক জোটে অংশগ্রহণের বিষয়টি তার সরকার আটকে দেবে। গত মাসে স্পেনের মাদ্রিদ শহরে তুরস্ক, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডের মধ্যে একটি চুক্তি হয় যার আওতায় সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড কুর্দিদের প্রতি সমর্থন দেয়া বন্ধ ও তুরস্ককে অস্ত্র সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। বিপরীতে, তুরস্ক ন্যাটো সদস্য পদের জন্য ওই দুই দেশের ব্যাপারে আপত্তি তুলে নেয়। গোথেনবার্গ শহরে বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিয়েছে তুরস্কের নিষিদ্ধ ঘোষিত পিকেকে এবং আরো কয়েকটি কুর্দি সংগঠন। গোথেনবার্গ শহরের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব সংগঠন তাদের দলীয় পতাকা টাঙিয়ে দেয়। এছাড়া, মিছিলে অংশ নেয়া লোকজন যে ব্যানার বহন করেছে তাতে লেখা ছিল- “আমরা সবাই পিকেকে।” তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান চলতি সপ্তাহে বলেছেন, যদি সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড মাদ্রিদ চুক্তির শর্ত পূরণ না করে তাহলে ন্যাটো জোটের সদস্য পদের জন্য তারা যে আবেদন করেছে তা আটকে দেবে আঙ্কারা। তিনি বলেছেন, এই বিষয়ে বিশেষ করে সুইডেনের ভাবমর্যাদা মোটেই ভালো নয়।

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

আঙ্কারায় সুইডিশ কূটনীতিক তলব, ন্যাটোর সদস্যপদ আটকে দেয়ার হুমকি

আপডেট সময় : ১২:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সুইডেনের গোথেনবার্গ শহরে একটি কুর্দি গোষ্ঠীর মিছিল-সমাবেশের কড়া প্রতিবাদ করেছে তুরস্ক। আঙ্কারায় নিযুক্ত সুইডেনের শীর্ষ পর্যায়ের একজন কূটনীতিককে তলব করে গত শনিবার তুরস্ক এর প্রতিবাদ জানায়। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আঙ্কারায় সুইডিস দূতাবাসের অন্তর্র্বতী প্রধানকে তলব করে কুর্দি গোষ্ঠীর ওই বিক্ষোভের ব্যাপারে প্রচ- রকমের অসন্তুষ্টি জানায়। তুরস্ক কুর্দি সংগঠনগুলোকে সন্ত্রাসী বলে মনে করে। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে তার আলোকে আমরা আশা করি গেথেনবার্গ শহরে কুর্দি সন্ত্রাসীরা যে সমাবেশ ও মিছিল করেছে সে ব্যাপারে সুইডিশ সরকার প্রয়োজনীয় আইন এবং বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।” তুরস্কের সঙ্গে সুইডেনের নতুন করে এই টানাপড়েন এমন সময় শুরু হল যখন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান হুমকি দিয়েছেন যে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড যদি কুর্দি সন্ত্রাসীদেরকে সমর্থন দেয়া বন্ধ না করে তাহলে তাদের ন্যাটো সামরিক জোটে অংশগ্রহণের বিষয়টি তার সরকার আটকে দেবে। গত মাসে স্পেনের মাদ্রিদ শহরে তুরস্ক, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডের মধ্যে একটি চুক্তি হয় যার আওতায় সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড কুর্দিদের প্রতি সমর্থন দেয়া বন্ধ ও তুরস্ককে অস্ত্র সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। বিপরীতে, তুরস্ক ন্যাটো সদস্য পদের জন্য ওই দুই দেশের ব্যাপারে আপত্তি তুলে নেয়। গোথেনবার্গ শহরে বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিয়েছে তুরস্কের নিষিদ্ধ ঘোষিত পিকেকে এবং আরো কয়েকটি কুর্দি সংগঠন। গোথেনবার্গ শহরের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এসব সংগঠন তাদের দলীয় পতাকা টাঙিয়ে দেয়। এছাড়া, মিছিলে অংশ নেয়া লোকজন যে ব্যানার বহন করেছে তাতে লেখা ছিল- “আমরা সবাই পিকেকে।” তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান চলতি সপ্তাহে বলেছেন, যদি সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড মাদ্রিদ চুক্তির শর্ত পূরণ না করে তাহলে ন্যাটো জোটের সদস্য পদের জন্য তারা যে আবেদন করেছে তা আটকে দেবে আঙ্কারা। তিনি বলেছেন, এই বিষয়ে বিশেষ করে সুইডেনের ভাবমর্যাদা মোটেই ভালো নয়।