ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের দাবানল নিয়ন্ত্রণহীন

  • আপডেট সময় : ০২:২৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ জুলাই ২০২২
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

বিবিসি :ইউরোপের ফ্রান্স, স্পেন এবং পর্তুগালে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দেশগুলোর ফায়ার সার্ভিসের হাজার হাজার কর্মী। এর মধ্যেও আগুন ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে দেশগুলোর তাপপ্রবাহ কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। খবর বিবিসি। উত্তর পর্তুগালে, স্প্যানিশ সীমান্তের কাছে ফোজ কোয়া এলাকায় পানি নিক্ষেপকারী বিমান (ওয়াটার বোমবিং প্লেন) বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় বিমানের একজন পাইলট নিহত হয়েছেন। এদিকে পর্তুগিজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত সপ্তাহে তাপপ্রবাহে অন্তত ২৩৮ জন মারা গেছেন। ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিম গিরোন্ডে অঞ্চল দাবানল ধ্বংস হয়ে গেছে। সেখান থেকে ১২ হাজারেও অধিক বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন বলেন, এই আগুনে এখন পর্যন্ত ১০ হাজার হেক্টর ( ২৫ হাজার একর) জমি পুড়ে গেছে। একইসঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ‘সাহসিকতার’ প্রশংসা করেন তিনি। ফ্রান্সের আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়, রোববার (১৭ জুলাই) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কিছু অংশে তাপমাত্র ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে। আর আজ সোমবার (১৮ জুলাই) তা আরও বাড়তে পারে। এর আগে, শনিবার (১৬ জুলাই) দেশটি আরও ২২টি আঞ্চলিক বিভাগগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর বেশিরভাগই আটলান্টিক উপকূলের অঞ্চল। মানব সৃষ্ট কারণে জলবায়ু পরির্বতনের ফলে ঘন ঘন তাপপ্রবাহ দেখা দিচ্ছে, যা আরও তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। শিল্প যুগ শুরু হওয়ার পর থেকে পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রায় ১ দশমিক সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের সরকার প্রধানরা কার্বন নির্গমন হ্রাস করতে না করলে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের দাবানল নিয়ন্ত্রণহীন

আপডেট সময় : ০২:২৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ জুলাই ২০২২

বিবিসি :ইউরোপের ফ্রান্স, স্পেন এবং পর্তুগালে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দেশগুলোর ফায়ার সার্ভিসের হাজার হাজার কর্মী। এর মধ্যেও আগুন ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে দেশগুলোর তাপপ্রবাহ কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। খবর বিবিসি। উত্তর পর্তুগালে, স্প্যানিশ সীমান্তের কাছে ফোজ কোয়া এলাকায় পানি নিক্ষেপকারী বিমান (ওয়াটার বোমবিং প্লেন) বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় বিমানের একজন পাইলট নিহত হয়েছেন। এদিকে পর্তুগিজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত সপ্তাহে তাপপ্রবাহে অন্তত ২৩৮ জন মারা গেছেন। ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিম গিরোন্ডে অঞ্চল দাবানল ধ্বংস হয়ে গেছে। সেখান থেকে ১২ হাজারেও অধিক বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন বলেন, এই আগুনে এখন পর্যন্ত ১০ হাজার হেক্টর ( ২৫ হাজার একর) জমি পুড়ে গেছে। একইসঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ‘সাহসিকতার’ প্রশংসা করেন তিনি। ফ্রান্সের আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়, রোববার (১৭ জুলাই) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কিছু অংশে তাপমাত্র ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে। আর আজ সোমবার (১৮ জুলাই) তা আরও বাড়তে পারে। এর আগে, শনিবার (১৬ জুলাই) দেশটি আরও ২২টি আঞ্চলিক বিভাগগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর বেশিরভাগই আটলান্টিক উপকূলের অঞ্চল। মানব সৃষ্ট কারণে জলবায়ু পরির্বতনের ফলে ঘন ঘন তাপপ্রবাহ দেখা দিচ্ছে, যা আরও তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। শিল্প যুগ শুরু হওয়ার পর থেকে পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রায় ১ দশমিক সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের সরকার প্রধানরা কার্বন নির্গমন হ্রাস করতে না করলে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে।