ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ইঁদুরের গর্তে মিললো ছয় লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার

  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুন ২০২২
  • ১৫১ বার পড়া হয়েছে

প্রত্যাশা ডেস্ক : ঋণের কিস্তি দেওয়ার জন্য বেশ কিছু স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে ব্যাংকে যাচ্ছিলেন ৪৫ বছর বয়সী এক নারী। কিন্তু ঘটনাক্রমে অলঙ্কারের সেই ব্যাগ হারিয়ে ফেলেন তিনি। অনেক খোঁজাখুজির পরও না পেয়ে শেষপর্যন্ত দ্বারস্থ হন পুলিশের। তাতে কাজও হয়। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ‘চোর’ শনাক্ত করে। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, সেই চোর কোনো মানুষ নয়, ছিল কয়েকটি ইঁদুর! তাদের বাসা থেকেই উদ্ধার করা হয় প্রায় ছয় লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার। সম্প্রতি অদ্ভুত এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বাণিজ্যিক শহর মুম্বাইয়ের গোকুলধাম কলোনিতে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে জানা যায়, কিছুদিন আগে মেয়েকে বিয়ে দিতে বেশ কিছু টাকা ঋণ নিয়েছিলেন সুন্দরী প্লানিবেল নামে এক নারী। ব্যাংকে স্বর্ণালঙ্কার বন্ধক রেখে সেই ঋণের কিস্তি পরিশোধের পরিকল্পনা ছিল তার। এ জন্য কাগজে পেঁচিয়ে ব্যাগের ভেতর অলঙ্কারগুলো নিয়ে রওয়ানা হন তিনি।
পথিমধ্যে কিছু পথশিশুকে দেখে ওই একই ব্যাগ থেকে খাবার বের করে দেন প্লানিবেল। কিন্তু ব্যাংকে পৌঁছেই বুঝতে পারেন, মস্ত বড় ভুল হয়ে গেছে। খাবারের সঙ্গে স্বর্ণালঙ্কারের প্যাকেটও তুলে দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ফিরে সেই শিশুদের খুঁজতে থাকেন ভুক্তভোগী নারী। কিন্তু কাউকে পাননি। এ কারণে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান তিনি। শেষপর্যন্ত স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেই পথশিশুদের খুঁজে ঠিকই বের করা হয়। কিন্তু তারা জানায়, খাবারটা বেশি শুকনো হওয়ায় ব্যাগসহ ফেলে দিয়েছিল।
তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বর্ণালঙ্কারের চিহ্নও খুঁজে পায় না পুলিশ। এরপর সেদিনের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা যায়, কয়েকটি ইঁদুর আবর্জনার স্তূপ থেকে ব্যাগটি টানতে টানতে নর্দমার ভেতর নিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ তখন নর্দমার গ্রিল খুলে ফেলে এবং ব্যাগটি খুঁজে পায়। এর ভেতরে সব গহনাই অক্ষত ছিল। গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) সেগুলো অভিযোগকারীর কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ইঁদুরের গর্ত থেকে উদ্ধার স্বর্ণালঙ্কারের ওজন ছিল প্রায় ৫০০ গ্রাম, যার আনুমানিক মূল্য পাঁচ লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ছয় লাখ টাকা)।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

ইঁদুরের গর্তে মিললো ছয় লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুন ২০২২

প্রত্যাশা ডেস্ক : ঋণের কিস্তি দেওয়ার জন্য বেশ কিছু স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে ব্যাংকে যাচ্ছিলেন ৪৫ বছর বয়সী এক নারী। কিন্তু ঘটনাক্রমে অলঙ্কারের সেই ব্যাগ হারিয়ে ফেলেন তিনি। অনেক খোঁজাখুজির পরও না পেয়ে শেষপর্যন্ত দ্বারস্থ হন পুলিশের। তাতে কাজও হয়। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ‘চোর’ শনাক্ত করে। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, সেই চোর কোনো মানুষ নয়, ছিল কয়েকটি ইঁদুর! তাদের বাসা থেকেই উদ্ধার করা হয় প্রায় ছয় লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার। সম্প্রতি অদ্ভুত এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বাণিজ্যিক শহর মুম্বাইয়ের গোকুলধাম কলোনিতে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে জানা যায়, কিছুদিন আগে মেয়েকে বিয়ে দিতে বেশ কিছু টাকা ঋণ নিয়েছিলেন সুন্দরী প্লানিবেল নামে এক নারী। ব্যাংকে স্বর্ণালঙ্কার বন্ধক রেখে সেই ঋণের কিস্তি পরিশোধের পরিকল্পনা ছিল তার। এ জন্য কাগজে পেঁচিয়ে ব্যাগের ভেতর অলঙ্কারগুলো নিয়ে রওয়ানা হন তিনি।
পথিমধ্যে কিছু পথশিশুকে দেখে ওই একই ব্যাগ থেকে খাবার বের করে দেন প্লানিবেল। কিন্তু ব্যাংকে পৌঁছেই বুঝতে পারেন, মস্ত বড় ভুল হয়ে গেছে। খাবারের সঙ্গে স্বর্ণালঙ্কারের প্যাকেটও তুলে দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ফিরে সেই শিশুদের খুঁজতে থাকেন ভুক্তভোগী নারী। কিন্তু কাউকে পাননি। এ কারণে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান তিনি। শেষপর্যন্ত স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেই পথশিশুদের খুঁজে ঠিকই বের করা হয়। কিন্তু তারা জানায়, খাবারটা বেশি শুকনো হওয়ায় ব্যাগসহ ফেলে দিয়েছিল।
তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বর্ণালঙ্কারের চিহ্নও খুঁজে পায় না পুলিশ। এরপর সেদিনের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা যায়, কয়েকটি ইঁদুর আবর্জনার স্তূপ থেকে ব্যাগটি টানতে টানতে নর্দমার ভেতর নিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ তখন নর্দমার গ্রিল খুলে ফেলে এবং ব্যাগটি খুঁজে পায়। এর ভেতরে সব গহনাই অক্ষত ছিল। গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) সেগুলো অভিযোগকারীর কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ইঁদুরের গর্ত থেকে উদ্ধার স্বর্ণালঙ্কারের ওজন ছিল প্রায় ৫০০ গ্রাম, যার আনুমানিক মূল্য পাঁচ লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ছয় লাখ টাকা)।