ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ফিলিপাইনে বন্যা-ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১৬৭

  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২২
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফিলিপাইনে আকস্মিক মেগি ঝড়ে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৭ জনে। স্থানীয় সময় রোববার (১০ এপ্রিল) আঘাত হানে শক্তিশালী ঝড় মেগি। বেশ কয়েকটি অঞ্চলে তা-বলীলা চালিয়েছে এই আকস্মিক ঝড়। ঝড়ের তা-বে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১১০ জন। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বলছে, এবারের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির ১৯ লাখ মানুষ।
স্থানীয়ভাবে আগাটন নামে পরিচিত ঝড়টির গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৬৫ কিলোমিটার (৪০মাইল)। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কেন্দ্রীয় রাজ্য লেইতের বেবে শহর ও এর আশপাশের এলাকা। পিলার নামে একটি গ্রামের ৮০ শতাংশ বাড়ি সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের দাভাও, মিন্দানাও এবং মধ্য প্রদেশ নিগ্রোস ওরিয়েন্টাল রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে সবচেয়ে বেশি। বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

ফিলিপাইনে বন্যা-ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১৬৭

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফিলিপাইনে আকস্মিক মেগি ঝড়ে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৭ জনে। স্থানীয় সময় রোববার (১০ এপ্রিল) আঘাত হানে শক্তিশালী ঝড় মেগি। বেশ কয়েকটি অঞ্চলে তা-বলীলা চালিয়েছে এই আকস্মিক ঝড়। ঝড়ের তা-বে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১১০ জন। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বলছে, এবারের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির ১৯ লাখ মানুষ।
স্থানীয়ভাবে আগাটন নামে পরিচিত ঝড়টির গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৬৫ কিলোমিটার (৪০মাইল)। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কেন্দ্রীয় রাজ্য লেইতের বেবে শহর ও এর আশপাশের এলাকা। পিলার নামে একটি গ্রামের ৮০ শতাংশ বাড়ি সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের দাভাও, মিন্দানাও এবং মধ্য প্রদেশ নিগ্রোস ওরিয়েন্টাল রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে সবচেয়ে বেশি। বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।