ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

১০ কোটি প্রথম ডোজের মাইলফলকের অপেক্ষায় স্বাস্থ্য বিভাগ

  • আপডেট সময় : ০২:২৩:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৯ কোটি ৮৯ লাখের বেশি মানুষকে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৬ কোটি ৪৬ লাখেরও বেশি। এ পরিস্থিতিতে টিকার ১০ কোটি ডোজ দেওয়ার মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষায় রয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আর সেটা হতে যাচ্ছে দেশে টিকাদান কর্মসূচি চালু হবার ঠিক ১ বছরের মাথায়।
গতকাল রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক ভার্চুয়াল বুলেটিনে এ কথা জানান অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম। অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, “আমরা আশাবাদী ১০ কোটির বেশি ল্যান্ডমার্কটি ( মাইলফলক) হয়তো আজকেই ( ৬ ফেব্রুয়ারি) ছুঁয়ে ফেলতে পারবো। আমরা অধীর আগ্রহে তার অপেক্ষায় আছি”।
দেশে গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মাঝেও ১ কোটি ৪১ লাখের বেশি প্রথম ডোজ আর ২৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থী দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের টিকা গ্রহণ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। সেই সঙ্গে দেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ১ কোটি ৮১ লাখ ৩৬ হাজার ৪০৬ জনকে প্রথম ডোজ আর এক কোটি চার লাখের বেশি মানুষ টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছে, বলেন তিনি। অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, টিকা কর্মসূচি চলমান রয়েছে এবং আমরা বিশ্বাস করি, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে টিকা রেজিস্ট্রেশনে ও টিকা কেন্দ্রে যেতে সহায়তা করা এবং বয়োজ্যেষ্ঠ যারা আছেন, যারা ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড, যাদের শারীরিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তাদেরকে বাড়তি সুবিধা দিয়ে টিকা কেন্দ্রে যেতে সহায়তা করা এবং টিকা দিতে সহায়তা করা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলেই আমরা মনে করি। পাশাপাশি, গত ১ সপ্তাহের সংক্রমণের যে চিত্রটি ছিল, গত দুইদিনে তার খানিকটা নি¤œমুখী প্রবণতা রয়েছে। কিন্তু সেটি সঠিকভাবে নি¤œমুখী কিনা—তা এখনও বলবার সময় হয়নি। তাই আমরা যেন এসময়ে আত্মতুষ্টিতে না ভুগে বরং আরও বেশি দায়িত্বের পরিচয় দেই এবং সঠিকভাবে নিয়ম মেনে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাতে যেন আরও বেশি গুরুত্ব দেই।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ কোটি প্রথম ডোজের মাইলফলকের অপেক্ষায় স্বাস্থ্য বিভাগ

আপডেট সময় : ০২:২৩:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৯ কোটি ৮৯ লাখের বেশি মানুষকে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৬ কোটি ৪৬ লাখেরও বেশি। এ পরিস্থিতিতে টিকার ১০ কোটি ডোজ দেওয়ার মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষায় রয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আর সেটা হতে যাচ্ছে দেশে টিকাদান কর্মসূচি চালু হবার ঠিক ১ বছরের মাথায়।
গতকাল রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক ভার্চুয়াল বুলেটিনে এ কথা জানান অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম। অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, “আমরা আশাবাদী ১০ কোটির বেশি ল্যান্ডমার্কটি ( মাইলফলক) হয়তো আজকেই ( ৬ ফেব্রুয়ারি) ছুঁয়ে ফেলতে পারবো। আমরা অধীর আগ্রহে তার অপেক্ষায় আছি”।
দেশে গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মাঝেও ১ কোটি ৪১ লাখের বেশি প্রথম ডোজ আর ২৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থী দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের টিকা গ্রহণ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। সেই সঙ্গে দেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ১ কোটি ৮১ লাখ ৩৬ হাজার ৪০৬ জনকে প্রথম ডোজ আর এক কোটি চার লাখের বেশি মানুষ টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছে, বলেন তিনি। অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, টিকা কর্মসূচি চলমান রয়েছে এবং আমরা বিশ্বাস করি, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে টিকা রেজিস্ট্রেশনে ও টিকা কেন্দ্রে যেতে সহায়তা করা এবং বয়োজ্যেষ্ঠ যারা আছেন, যারা ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড, যাদের শারীরিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তাদেরকে বাড়তি সুবিধা দিয়ে টিকা কেন্দ্রে যেতে সহায়তা করা এবং টিকা দিতে সহায়তা করা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলেই আমরা মনে করি। পাশাপাশি, গত ১ সপ্তাহের সংক্রমণের যে চিত্রটি ছিল, গত দুইদিনে তার খানিকটা নি¤œমুখী প্রবণতা রয়েছে। কিন্তু সেটি সঠিকভাবে নি¤œমুখী কিনা—তা এখনও বলবার সময় হয়নি। তাই আমরা যেন এসময়ে আত্মতুষ্টিতে না ভুগে বরং আরও বেশি দায়িত্বের পরিচয় দেই এবং সঠিকভাবে নিয়ম মেনে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাতে যেন আরও বেশি গুরুত্ব দেই।