প্রযুক্তি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি নিম্নমানের কনটেন্ট নিয়ে ব্যবহারকারীদের মতো বেশ সতর্ক ইউটিউবও। এজন্য ভবিষ্যতে প্ল্যাটফর্মটিতে আরো বেশি উন্নতমানের এআই কনটেন্ট আনার কথা বলেছেন ইউটিউব প্রধান।
কোম্পানিটির ২০২৬ সালের পরিকল্পনা নিয়ে লেখা এক দীর্ঘ ব্লগে প্লাটফর্মটির সিইও নিলো মোহান বলেছেন, এ নতুন ‘সৃজনশীল দিগন্তকে’ সাদরে গ্রহণ করছে কোম্পানিটি। যার অংশ হিসেবে খুব শিগগিরই নিজেদের এআই সংস্করণ ব্যবহার করে সহজেই শর্টস ভিডিও তৈরি করতে পারবেন নির্মাতারা।
ফিচারটি চালু হলে ঠিক কীভাবে কাজ করবে তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি মোহান। তবে তিনি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ক্ষতিকর ডিপফেইক সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট।
মোহান বলেছেন, ‘নো ফেইকস অ্যাক্ট’-এর মতো নতুন বিভিন্ন আইনকে সমর্থন করেছে ইউটিউব। নিজেদের নির্মাতাদের সুরক্ষায় বিশেষ এক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে তারা, যা নতুন আপলোড হওয়া বিভিন্ন ভিডিও স্ক্যান করে দেখবে কেউ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো নির্মাতার কনটেন্ট ব্যবহার করছে কি না।
ব্লগ পোস্টে আরো কিছু নতুন এআই ফিচারের কথা বলেছেন মোহান, যেগুলো মোটেও নিম্নমানের নয়। যার মধ্যে একটি ‘প্লেএবলস’ প্ল্যাটফর্ম, যা বর্তমানে পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। নতুন টুল ব্যবহার করে কোনো কোডিং না জেনেই কেবল ‘জেমিনাই ৩’কে লিখে নির্দেশ দেওয়ার মাধ্যমে গেইম তৈরি করা যাবে। গান তৈরির জন্যও নতুন কিছু টুল আনছে ইউটিউব।
মোহান বলেছেন, স্প্যাম, ক্লিকবেইট ও ‘নিম্নমানের এআই কনটেন্ট’ ঠেকাতে নিজেদের বর্তমান বিভিন্ন সিস্টেমকে আরো শক্তিশালী করছে ইউটিউব। গেল ডিসেম্বরে প্রতিদিন গড়ে ৬০ লাখ দর্শক ১০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে এআইয়ের মাধ্যমে ডাবিং করা ভিডিও দেখেছেন। অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্ল্যাটফর্ম এ ধরনের ফিচার নিয়ে বেশ সমস্যার মুখে পড়লেও ইউটিউবের ক্ষেত্রে ফলাফল বেশ ইতিবাচক। কবে নাগাদ শর্টস-এর জন্য এ ‘এআই কনটেন্ট’ তৈরির সুবিধাটি মিলবে তা স্পষ্ট করে বলেননি মোহান। তবে ব্যবহারকারী কাজের ফাঁকে এ ধরনের ভিডিও যদি দেখতে না চান তবে এখন সার্চ রেজাল্ট থেকে এসব শর্টস পুরোপুরি বাদ দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে ইউটিউব।
সানা/আপ্র/২৪/০১/২০২৬
























