ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

বিপুল অর্থসহ গনির আফগানিস্তান ত্যাগের অভিযোগ যাচাই করবে যুক্তরাষ্ট্র

  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তালেবানের ক্ষমতা দখলের মুখে আফগানিস্তান ত্যাগের সময় দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির বিপুল পরিমাণ অর্থসম্পদ সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে যুক্তরাষ্ট্র।
স্থানীয় সময় গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র সরকারের স্পেশাল ইন্সপেক্টর জেনারেল ফর আফগান রিকন্সট্রাকশন (সিগার) জন স্পোকো জানান, তাঁর দপ্তর গনির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যাচাই করবে। সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের নামে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালায় যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের হামলায় তৎকালীন তালেবান সরকারের পতন হয়। তারপর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান পুনর্গঠনের কাজে যুক্ত হয়। ২০ বছর পর গত আগস্টে আফগানিস্তান ছাড়ে যুক্তরাষ্ট্র। আফগানিস্তান পুনর্গঠন কার্যক্রমের সময় থেকে দেশটিতে প্রতারণা, সম্পদের অপচয় ও অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্ত করে আসছে সিগার।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের একটি উপকমিটিকে জন স্পোকো বলেন, অর্থ নিয়ে গনির দেশত্যাগের বিষয়টি এখনো প্রমাণিত হয়নি। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওভারসাইট অ্যান্ড গভর্নমেন্ট রিফর্ম কমিটি তাঁর সংস্থাকে অভিযোগটি খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দিয়েছে। জন স্পোকো আরও বলেন, আফগানিস্তানে দুর্নীতি এতটাই ব্যাপক হারে ছড়ায় যে তা দেশটির নিরাপত্তা ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়।
তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশ প্রায় সব ধরনের সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে জন স্পোকো বলেন, যাঁরা আফগান জনগণের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেন, তাঁদের জন্য এটি একটি কঠিন সময়।
আফগানিস্তান থেকে সিগারের সব মার্কিন ও আফগান কর্মীকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানান জন স্পোকো।
তালেবানের হাতে গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের পতন হয়। কাবুল পতনের প্রাক্কালে আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে যান গনি।
আফগান জনগণকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দেশ ছেড়ে পালানোর কারণে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন গনি। পরে অভিযোগ ওঠে যে দেশত্যাগের সময় তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থসম্পদ সঙ্গে নিয়ে যান। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন গনি।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

বিপুল অর্থসহ গনির আফগানিস্তান ত্যাগের অভিযোগ যাচাই করবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তালেবানের ক্ষমতা দখলের মুখে আফগানিস্তান ত্যাগের সময় দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির বিপুল পরিমাণ অর্থসম্পদ সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে যুক্তরাষ্ট্র।
স্থানীয় সময় গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র সরকারের স্পেশাল ইন্সপেক্টর জেনারেল ফর আফগান রিকন্সট্রাকশন (সিগার) জন স্পোকো জানান, তাঁর দপ্তর গনির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যাচাই করবে। সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের নামে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালায় যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের হামলায় তৎকালীন তালেবান সরকারের পতন হয়। তারপর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান পুনর্গঠনের কাজে যুক্ত হয়। ২০ বছর পর গত আগস্টে আফগানিস্তান ছাড়ে যুক্তরাষ্ট্র। আফগানিস্তান পুনর্গঠন কার্যক্রমের সময় থেকে দেশটিতে প্রতারণা, সম্পদের অপচয় ও অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্ত করে আসছে সিগার।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের একটি উপকমিটিকে জন স্পোকো বলেন, অর্থ নিয়ে গনির দেশত্যাগের বিষয়টি এখনো প্রমাণিত হয়নি। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওভারসাইট অ্যান্ড গভর্নমেন্ট রিফর্ম কমিটি তাঁর সংস্থাকে অভিযোগটি খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দিয়েছে। জন স্পোকো আরও বলেন, আফগানিস্তানে দুর্নীতি এতটাই ব্যাপক হারে ছড়ায় যে তা দেশটির নিরাপত্তা ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়।
তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশ প্রায় সব ধরনের সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে জন স্পোকো বলেন, যাঁরা আফগান জনগণের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেন, তাঁদের জন্য এটি একটি কঠিন সময়।
আফগানিস্তান থেকে সিগারের সব মার্কিন ও আফগান কর্মীকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানান জন স্পোকো।
তালেবানের হাতে গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের পতন হয়। কাবুল পতনের প্রাক্কালে আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে যান গনি।
আফগান জনগণকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দেশ ছেড়ে পালানোর কারণে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন গনি। পরে অভিযোগ ওঠে যে দেশত্যাগের সময় তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থসম্পদ সঙ্গে নিয়ে যান। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন গনি।