ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণের অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অপরাধে আসামি মো. নাজিম মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৩০ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

প্রসিকিউশন পক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর মো. এরশাল আলম জর্জ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিকালে কামরাঙ্গীচর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় নাজিম মিয়া বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ৭ বছরের শিশুটিকে ধর্ষণ করে। ঘটনার সময় শিশুটির বাবা-মা বাসায় ছিল না। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে এলে নাজিম মিয়া পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করানো হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আদালতে মোট ১৪ জন সাক্ষী সাক্ষপ্রদান করেছেন।

এসি/আপ্র/৩০/১১/২০২৫

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণের অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অপরাধে আসামি মো. নাজিম মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৩০ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

প্রসিকিউশন পক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর মো. এরশাল আলম জর্জ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিকালে কামরাঙ্গীচর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় নাজিম মিয়া বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ৭ বছরের শিশুটিকে ধর্ষণ করে। ঘটনার সময় শিশুটির বাবা-মা বাসায় ছিল না। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে এলে নাজিম মিয়া পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করানো হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আদালতে মোট ১৪ জন সাক্ষী সাক্ষপ্রদান করেছেন।

এসি/আপ্র/৩০/১১/২০২৫