ঢাকা ১২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে হোটেল-রেস্তোরাঁ চালাতে চান মালিকরা

  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মে ২০২১
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাভাবিকভাবে অথবা অর্ধেক আসন ফাকা রেখে হোটেল-রেস্তোরাঁ চালাতে চান মালিকরা। বুধবার (১৯ মে) বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। আগামীকাল শনিবার (২২ মে) এসব দাবি নিয়ে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনও অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশনা মেনে, স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে পার্সেল ও অনলাইন ডেলিভারির মাধ্যমে ব্যবসাকে সীমিত রাখা হয়েছে। করোনায় যেসব সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার মধ্যে হোটেল-রেস্তোরাঁ সেক্টরটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। আরও বলা হয়, সব বিভাগীয় শহর, জেলা শহর ও উপজেলা শহর মিলে হোটেল-রেস্তোরাঁর সংখ্যা ৬০ হাজার। এখানে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীর সংখ্যা ৩০ লাখ। সব মিলিয়ে রেস্তোরাঁ খাতে মোট নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা প্রায় দুই কোটি। এতগুলো মানুষ এখন বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির ব্যানারে ও সব হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের পক্ষে সরকারের কাছে আটটি প্রস্তাবনা দেয়া হয়। এর মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগের মতো হোটেল খোলা রাখা, তাও যদি সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ আসনে বসিয়ে হোটেল-রেস্তোরাঁ চালু করা।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে হোটেল-রেস্তোরাঁ চালাতে চান মালিকরা

আপডেট সময় : ০১:৪৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মে ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাভাবিকভাবে অথবা অর্ধেক আসন ফাকা রেখে হোটেল-রেস্তোরাঁ চালাতে চান মালিকরা। বুধবার (১৯ মে) বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। আগামীকাল শনিবার (২২ মে) এসব দাবি নিয়ে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনও অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশনা মেনে, স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে পার্সেল ও অনলাইন ডেলিভারির মাধ্যমে ব্যবসাকে সীমিত রাখা হয়েছে। করোনায় যেসব সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার মধ্যে হোটেল-রেস্তোরাঁ সেক্টরটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। আরও বলা হয়, সব বিভাগীয় শহর, জেলা শহর ও উপজেলা শহর মিলে হোটেল-রেস্তোরাঁর সংখ্যা ৬০ হাজার। এখানে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীর সংখ্যা ৩০ লাখ। সব মিলিয়ে রেস্তোরাঁ খাতে মোট নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা প্রায় দুই কোটি। এতগুলো মানুষ এখন বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির ব্যানারে ও সব হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের পক্ষে সরকারের কাছে আটটি প্রস্তাবনা দেয়া হয়। এর মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগের মতো হোটেল খোলা রাখা, তাও যদি সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ আসনে বসিয়ে হোটেল-রেস্তোরাঁ চালু করা।