নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ ৩৩ বছর পর কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ব্যাপক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে এরই মধ্যে শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। চলছে গণনা। ফলাফল পেতে আগামীকাল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক রশিদুল আলম।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব বলেন, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা করা হবে। ফলাফল পেতে আগামীকাল সকাল বা দুপুর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
এর আগে সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় বিকাল ৫টায়।
নির্বাচনে এরই মধ্যে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল। এদিন বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলের অতিথি কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন প্যানেলটির সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী।
এদিকে নির্বাচনে ‘সার্বিক পরিস্থিতি’ উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম।
জাকসু নির্বাচনে এবার মোট ভোটার ১১ হাজার ৮৯৭ জন। কেন্দ্রীয় ও হল সংসদে প্রায় ৫৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ১০২ জন। ফলে মোট প্রার্থীর সংখ্যা কমেছে।
ভোটে ২১টি হলে ২২৪টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রদের ১১টি এবং ছাত্রীদের ১০টি হলে রয়েছে ভোটকেন্দ্র। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ২১টি হলে ২১ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৬৭ জন পোলিং অফিসার এবং ৬৭ জন পোলিং অফিসার সহায়ক হিসাবে কাজ করেন।
ওআ/আপ্র/১১/০৯/২০২৫
























