ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

ডেঙ্গুতে জীবন যায় সচেতনতাই বাঁচার উপায়

  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে
  • ডা. আয়েশা আক্তার

ডেঙ্গু একটি এডিস মশা বাহিত ভাইরাস জনিত রোগ। এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে সাধারণত ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।

ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে হলে মশার বংশবিস্তার ধ্বংস করতে হবে, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে এবং মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দিনে বা রাতে যখনই মানুষ ঘুমাবে অবশ্যই মশারি টানিয়ে নিতে হবে এবং মশার কয়েল, স্প্রে, বা ইলেক্ট্রনিক্স মশা মারার যন্ত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। মশার কামড় এড়িয়ে চলতে ফুল হাতা জামাকাপড় এবং হালকা রঙের পোশাক পরা ভালোবাড়ির চারপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ঝোপঝাড় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পানি জমে থাকলে সেটা ফেলে দিতে হবে।

ঘরে ফুলের টবের পানি বা ফ্রিজের পানি, যদি সম্ভব হয় প্রতিদিন ফেলে দিতে হবে অথবা প্রতি তিন দিন অন্তর অন্তর ভালোমতো ঘষে ঘষে পানি পরিষ্কার করতে হবে এবং পানি ফেলে দিতে হবে । পানি ঢাকনা ছাড়া জমিয়ে রাখলে সেখানেই ডেঙ্গু মশা ডিম পারবে। পাত্রে জমে থাকা পানি মশার প্রজনন ক্ষেত্র বৃদ্ধি করতে পারে তাই অবশ্যই জমে থাকা খোলা পানি ফেলে দিতে হবে। ডেঙ্গু জ্বর থেকে বাঁচতে হলে মশার বিস্তার রোধ করতেই হবে। প্রতিরোধই ডেঙ্গু থেকে বাঁচার প্রধান উপায়। ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু রোগ সম্পর্কে সচেতন থাকুন এবং অন্যদেরও সচেতন করুন।

সাধারণত দুই ধরনের ডেঙ্গু জ্বর হয়- ক্ল্যাসিকাল এবং হেমোরেজিক। ক্ল্যাসিকাল জ্বর এ সাধারণত দুই থেকে সাত দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। বিপজ্জনক হয়ে ওঠে হেমোরেজিকের ক্ষেত্রে। এই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে জ্বর ভালো হয়ে যাওয়ার পর পাঁচ থেকে সাত দিন পর অবস্থা মারাত্মক সংকটাপন্ন হতে পারে।

হেমোরেজিকের ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে রোগীর রক্তপাত হয়, রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট এর মাত্রা কমে যায় এবং রক্তের প্লাজমা কমে যায়। মারাত্মক জটিলতা থেকে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হতে পারে। এতে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে হ্রাস পায়। আক্রান্ত ব্যক্তির দাঁতের মাড়ি বা নাক থেকে রক্তপাত ঘটতে পারে। মলের সাথে বা বমির সাথে রক্ত যেতে পারে।

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা না কমানো গেলে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়বে। আক্রান্ত যত বেশি হয় মৃত্যুও হয় তত বেশি। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রত্যেকটি হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্নার খোলা আছে। আমাদের হাসপাতালেও আছে। আমাদের কাছে এলে আমরা সেবা দেই। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা দেরি করে আসায় সমস্যা বেড়ে যায়। এছাড়া অনেকে দেরি করে এসে ডেঙ্গুর এনএস১ পরীক্ষা করায়, এতে তাদের ডেঙ্গু নেগেটিভ আসে। এতে তারা ভাবে তাদের ডেঙ্গু হয়নি বা নেই, নিশ্চিন্তে থাকে। তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ডেঙ্গু আক্রান্ত নারীর ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময়ও অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে অথবা পিরিয়ড হওয়ার সময় না কিন্তু হঠাৎ করে তার পিরিয়ড সরে যেতে পারে আক্রান্ত সংখ্যা কমে এলে মৃত্যুর ঝুঁকি এমনিতে কমে আসবে। নারীরা এসব বিষয়ে উদাসীন, ঘরের কাজকর্ম, রান্নাবান্না করছে। গৃহিনীরা ঠিকভাবে নিজের খেয়ালও রাখছে না। এতে তারা হাসপাতালে দেরি করে আসে। এ কারণে তাদের মৃত্যুও বেশি হয়। কিন্তু যদি দ্রুত হাসপাতালে এসে অসুস্থতা নির্ণয় হয়ে যায়, তখন তারা প্রপার চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হতে পারে।

এদিকে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চারজন মারা গেছেন। এসময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪৭ জন। মারা যাওয়া চারজনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা ছিলেন। এ হিসাব ২৩ আগস্টের। এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৪ জন এবং শনাক্ত রোগী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ২০২ জনে। শনিবার (২৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৭ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৮ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩ জন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭৮১ জন। গত ১ জানুয়ারি থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ নারী। আসুন আমরা সকলে সচেতন হই, ডেঙ্গু থেকে নিজে বাঁচি, অন্যকে বাঁচতে সহায়তা করি।
লেখক: প্রতিষ্ঠান প্রধান, ২৫০ শয্যার টিবি হাসপাতাল, শ্যামলী।

 

 

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গুতে জীবন যায় সচেতনতাই বাঁচার উপায়

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ডা. আয়েশা আক্তার

ডেঙ্গু একটি এডিস মশা বাহিত ভাইরাস জনিত রোগ। এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে সাধারণত ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।

ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে হলে মশার বংশবিস্তার ধ্বংস করতে হবে, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে এবং মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দিনে বা রাতে যখনই মানুষ ঘুমাবে অবশ্যই মশারি টানিয়ে নিতে হবে এবং মশার কয়েল, স্প্রে, বা ইলেক্ট্রনিক্স মশা মারার যন্ত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। মশার কামড় এড়িয়ে চলতে ফুল হাতা জামাকাপড় এবং হালকা রঙের পোশাক পরা ভালোবাড়ির চারপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ঝোপঝাড় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পানি জমে থাকলে সেটা ফেলে দিতে হবে।

ঘরে ফুলের টবের পানি বা ফ্রিজের পানি, যদি সম্ভব হয় প্রতিদিন ফেলে দিতে হবে অথবা প্রতি তিন দিন অন্তর অন্তর ভালোমতো ঘষে ঘষে পানি পরিষ্কার করতে হবে এবং পানি ফেলে দিতে হবে । পানি ঢাকনা ছাড়া জমিয়ে রাখলে সেখানেই ডেঙ্গু মশা ডিম পারবে। পাত্রে জমে থাকা পানি মশার প্রজনন ক্ষেত্র বৃদ্ধি করতে পারে তাই অবশ্যই জমে থাকা খোলা পানি ফেলে দিতে হবে। ডেঙ্গু জ্বর থেকে বাঁচতে হলে মশার বিস্তার রোধ করতেই হবে। প্রতিরোধই ডেঙ্গু থেকে বাঁচার প্রধান উপায়। ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু রোগ সম্পর্কে সচেতন থাকুন এবং অন্যদেরও সচেতন করুন।

সাধারণত দুই ধরনের ডেঙ্গু জ্বর হয়- ক্ল্যাসিকাল এবং হেমোরেজিক। ক্ল্যাসিকাল জ্বর এ সাধারণত দুই থেকে সাত দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। বিপজ্জনক হয়ে ওঠে হেমোরেজিকের ক্ষেত্রে। এই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে জ্বর ভালো হয়ে যাওয়ার পর পাঁচ থেকে সাত দিন পর অবস্থা মারাত্মক সংকটাপন্ন হতে পারে।

হেমোরেজিকের ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে রোগীর রক্তপাত হয়, রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট এর মাত্রা কমে যায় এবং রক্তের প্লাজমা কমে যায়। মারাত্মক জটিলতা থেকে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হতে পারে। এতে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে হ্রাস পায়। আক্রান্ত ব্যক্তির দাঁতের মাড়ি বা নাক থেকে রক্তপাত ঘটতে পারে। মলের সাথে বা বমির সাথে রক্ত যেতে পারে।

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা না কমানো গেলে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়বে। আক্রান্ত যত বেশি হয় মৃত্যুও হয় তত বেশি। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রত্যেকটি হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্নার খোলা আছে। আমাদের হাসপাতালেও আছে। আমাদের কাছে এলে আমরা সেবা দেই। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা দেরি করে আসায় সমস্যা বেড়ে যায়। এছাড়া অনেকে দেরি করে এসে ডেঙ্গুর এনএস১ পরীক্ষা করায়, এতে তাদের ডেঙ্গু নেগেটিভ আসে। এতে তারা ভাবে তাদের ডেঙ্গু হয়নি বা নেই, নিশ্চিন্তে থাকে। তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ডেঙ্গু আক্রান্ত নারীর ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময়ও অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে অথবা পিরিয়ড হওয়ার সময় না কিন্তু হঠাৎ করে তার পিরিয়ড সরে যেতে পারে আক্রান্ত সংখ্যা কমে এলে মৃত্যুর ঝুঁকি এমনিতে কমে আসবে। নারীরা এসব বিষয়ে উদাসীন, ঘরের কাজকর্ম, রান্নাবান্না করছে। গৃহিনীরা ঠিকভাবে নিজের খেয়ালও রাখছে না। এতে তারা হাসপাতালে দেরি করে আসে। এ কারণে তাদের মৃত্যুও বেশি হয়। কিন্তু যদি দ্রুত হাসপাতালে এসে অসুস্থতা নির্ণয় হয়ে যায়, তখন তারা প্রপার চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হতে পারে।

এদিকে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চারজন মারা গেছেন। এসময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪৭ জন। মারা যাওয়া চারজনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা ছিলেন। এ হিসাব ২৩ আগস্টের। এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৪ জন এবং শনাক্ত রোগী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ২০২ জনে। শনিবার (২৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৭ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৮ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩ জন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭৮১ জন। গত ১ জানুয়ারি থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ নারী। আসুন আমরা সকলে সচেতন হই, ডেঙ্গু থেকে নিজে বাঁচি, অন্যকে বাঁচতে সহায়তা করি।
লেখক: প্রতিষ্ঠান প্রধান, ২৫০ শয্যার টিবি হাসপাতাল, শ্যামলী।