ক্রীড়া ডেস্ক: ৩০ পেরিয়ে যাওয়া মানে শেষের পথে হাঁটার শুরু। ৩৫ ছুঁয়ে ফেললে বেজে যায় শেষের ঘণ্টা। বেশির ভাগ ফুটবলারের বাস্তবতা এটি। কিন্তু অন্যদের সঙ্গে অনন্যদের পার্থক্য কোথায়, সেটিই যেন দেখিয়ে চলেছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।
অবিশ্বাস্যভাবে বয়স ৩০ হওয়ার আগে ও পরে তার গোলের সংখ্যা এখন সমান! সৌদি প্রো-লিগে শুক্রবার আল শাবাবের বিপক্ষে দারুণ একটি গোল করেন রোনালদো। হাজার গোলের লক্ষ্যের পথে ছুটে চলা তারকার গোল হলো এখন ৯২৬টি। তবে স্রেফ একটি সংখ্যা নয়, এই গোল একটি বিশেষ মাইলফলকও।
৪০ বছর বয়সী রোনালদো এই গোলেই স্পর্শ করলেন ৩০ বছর বয়সী নিজেকে। হ্যাঁ, বয়স ৩০ হওয়ার আগে ও পরে তার গোলের সংখ্যা এখন সমান ৪৬৩টি। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এগিয়ে চলা, এই কথাটি তো যুগে যুগে কত ফুটবলারের জন্যই ব্যবহৃত হয়েছে। রোনালদোর মতো তা করে দেখাতে পারেননি সম্ভবত আর কেউ। তুমুল আলোচনার ঝড় তুলে ২০২৩ সালে আল নাস্রে দেওয়া পর্তুগিজ তারকা সৌদি ক্লাবটির হয়েও করে ফেললেন ৯০ গোল। সেঞ্চুরি হওয়াটা স্রেফ সময়ের ব্যাপার। আগে তিনটি ক্লাবের হয়ে গোলের সেঞ্চুরির স্বাদ পেয়েছেন তিনি। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে করেছেন ১৪৫ গোল, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৪৫০টি এবং ইউভেন্তুসের হয়ে ১০১টি।
রোনালদোর গোলের এ ম্যাচটি অবশ্য জিততে পারেনি তার দল আল নাস্র। ঘরের মাঠে ম্যাচটি ড্র হয় ২-২ গোলে। ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ ভাগটা ছিল নাটকীয়তায় ভরপুর। ৪৪তম মিনিটে আব্দেররাজ্জাক হামাদাল্লাহ পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে নেন আল শাবাবকে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আয়মান ইয়াহহিয়ার গোলে সমতায় ফেরে আল নাস্র। যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে দুরূহ কোণ থেকে দারুণ এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তবে তার উদযাপন থামিয়ে দেয় সহকারী রেফারির পতাকা। অফসাইডের সংকেত দেন তিনি। তবে ভিএআর দেখে গোল দেন রেফারি।
৫২তম মিনিটে মোহাম্মেদ আল-ফাতিল লাল কার্ড দেখায় ১০ জনের দলে পরিণত হয় আল নাস্র। ব্যবধানটাও তারা আর ধরে রাখতে পারেনি। ৬৭তম মিনিটে সমতায় ফেরে আল শাবাব। ২৪ ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আল ইত্তিহাদ। সমান ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট আল হিলালের, ৫১ পয়েন্ট আল কাদিসিয়ার। ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে চারে আল নাস্র।


























