ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

খনিজ সম্পদ চুক্তির শর্তে রাজি ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র

  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

বিদেশের খবর ডেস্ক : ইউক্রেনের সঙ্গে কৌশলগত খনিজ সম্পদ চুক্তির শর্ত নিয়ে প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তি ইউক্রেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সমর্থন আদায়ে কিয়েভকে সাহায্য করবে। ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চাইছেন। দুই সূত্রের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এই তথ্য জানানো হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। চুক্তির খসড়া সম্পর্কে জ্ঞাত এক সূত্র বলেছে, এতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা বা অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখার বিষয়টি উল্লেখ নেই।

তবে এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ‘মুক্ত, স্বাধীন ও নিরাপদ’ দেখতে চায়। চুক্তি সংশ্লিষ্ট আরেক সূত্র বলেছে, ভবিষ্যতে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে ওয়াশিংটন ও কিয়েভের মধ্যে আলোচনা চলছে। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার ওয়াশিংটনে আসতে চান একটি বড় চুক্তি সই করতে। গত সপ্তাহে দুই নেতার মধ্যে তিক্ত বাক্যবিনিময়ের পর এই ঘোষণা এলো। ট্রাম্প বলেছেন, এই চুক্তি ইউক্রেনকে দেওয়া সহায়তার বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিনিময় নিশ্চিত করবে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলে ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী মোতায়েন প্রয়োজন। তিন বছর আগে ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানো রাশিয়া ন্যাটো বাহিনী মোতায়েনের যে কোনও প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। কিছু ইউরোপীয় দেশ ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী পাঠানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, মস্কো এমন শান্তিরক্ষী মোতায়েন মেনে নেবে। তবে মঙ্গলবার ক্রেমলিন তা অস্বীকার করেছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে ট্রাম্পের তাড়াহুড়ো এবং মস্কোর দিকে ঝুঁকে পড়া ইউক্রেন ও ইউরোপের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি করেছে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প জেলেনস্কিকে একজন জনপ্রিয়তাহীন ‘স্বৈরশাসক’ বলে আখ্যায়িত করে দ্রুত শান্তি চুক্তি করতে বলেছিলেন।

জেলেনস্কি বলেছেন, ট্রাম্প ভুল তথ্যের জগতে বাস করছেন। সূত্রগুলো বলছে, উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা চুক্তির খসড়ায় সম্মত হয়েছেন এবং এটিতে স্বাক্ষর করার পরামর্শ দিয়েছেন। এই চুক্তি ইউক্রেনের বিশাল খনিজ সম্পদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশাধিকার খুলে দিতে পারে। ট্রাম্প বলেছেন, আমরা বলছি, আমরা নিরাপদ থাকতে চাই। আমেরিকান করদাতারা এখন তাদের টাকা ফেরত পাবে এবং আরও বেশি পাবে। ইউক্রেনের প্রাকৃতিক সম্পদে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের অধিকার চাওয়ায় জেলেনস্কি চুক্তির আগের একটি খসড়ায় স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেছিলেন। কিয়েভ প্রতিবাদ জানায় যে, তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তার চেয়ে অনেক কম সহায়তা পেয়েছে এবং চুক্তিতে ইউক্রেনের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নেই। চুক্তির খসড়ার শর্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন একটি পুনর্গঠন বিনিয়োগ তহবিল গঠন করবে। ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ, হাইড্রোকার্বন ও অন্যান্য আহরণযোগ্য সম্পদ থেকে আয় সংগ্রহ করে পুনর্বিনিয়োগ করা হবে এই তহবিলে।

ইউক্রেন তহবিলে অপারেটিং খরচ বাদ দিয়ে আয়ের ৫০ শতাংশ জমা দেবে এবং এটি অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না অবদান ৫০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্র একটি স্থিতিশীল ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ইউক্রেন গঠনে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক প্রতিশ্রুতি দেবে। খনিজ চুক্তির বিনিময়ে ইউক্রেন কী পাবে এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছে এবং অনেক সামরিক সরঞ্জাম ও লড়াই করার অধিকার দিয়েছে। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের গভর্ন্যান্স স্টাডিজের ফেলো স্কট অ্যান্ডারসন বলেছেন, এই চুক্তি বিশ্বের অনেকের কাছে এক ধরনের দস্যুতা বলে মনে হতে পারে, কিন্তু ট্রাম্প ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের সমর্থন পেতে এটি প্রয়োজনীয়। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, আমি শুনেছি তিনি (জেলেনস্কি) শুক্রবার আসছেন। অবশ্যই আমার পক্ষে এটা ঠিক আছে।

তিনি আমার সঙ্গে একসঙ্গে এটি সই করতে চান। ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ করতে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করতে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত এবং কিয়েভ ও ইউরোপকে উপেক্ষা করার পাশাপাশি তার প্রশাসনের সতর্কবার্তা যে যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিচ্ছে না, তা ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের হতবাক করেছে। হোয়াইট হাউজের বৈঠক জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের কাছে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন চেয়ে যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ দিতে পারে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইউক্রেনকে যুদ্ধ শুরু করার অভিযোগ করেছিলেন, যা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ইউক্রেনের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন দ্বারা চিহ্নিত ৩৪টি কৌশলগত খনিজ সম্পদের মধ্যে ২২টির মজুদ ইউক্রেনে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিল্প ও নির্মাণ সামগ্রী, ফেরোঅ্যালয়, মূল্যবান ও অলৌহ ধাতু এবং কিছু বিরল মৌল। বৈদ্যুতিক যানবাহন ও পারমাণবিক চুল্লির ব্যাটারির মূল উপাদান গ্রাফাইটের বিশ্বের ২০ শতাংশ মজুদ ইউক্রেনে রয়েছে।

 

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

উত্তেজনা-হাতাহাতির মধ্য দিয়ে ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’ গঠিত

খনিজ সম্পদ চুক্তির শর্তে রাজি ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিদেশের খবর ডেস্ক : ইউক্রেনের সঙ্গে কৌশলগত খনিজ সম্পদ চুক্তির শর্ত নিয়ে প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তি ইউক্রেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সমর্থন আদায়ে কিয়েভকে সাহায্য করবে। ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চাইছেন। দুই সূত্রের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এই তথ্য জানানো হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। চুক্তির খসড়া সম্পর্কে জ্ঞাত এক সূত্র বলেছে, এতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা বা অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখার বিষয়টি উল্লেখ নেই।

তবে এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ‘মুক্ত, স্বাধীন ও নিরাপদ’ দেখতে চায়। চুক্তি সংশ্লিষ্ট আরেক সূত্র বলেছে, ভবিষ্যতে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে ওয়াশিংটন ও কিয়েভের মধ্যে আলোচনা চলছে। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার ওয়াশিংটনে আসতে চান একটি বড় চুক্তি সই করতে। গত সপ্তাহে দুই নেতার মধ্যে তিক্ত বাক্যবিনিময়ের পর এই ঘোষণা এলো। ট্রাম্প বলেছেন, এই চুক্তি ইউক্রেনকে দেওয়া সহায়তার বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিনিময় নিশ্চিত করবে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলে ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী মোতায়েন প্রয়োজন। তিন বছর আগে ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানো রাশিয়া ন্যাটো বাহিনী মোতায়েনের যে কোনও প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। কিছু ইউরোপীয় দেশ ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী পাঠানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, মস্কো এমন শান্তিরক্ষী মোতায়েন মেনে নেবে। তবে মঙ্গলবার ক্রেমলিন তা অস্বীকার করেছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে ট্রাম্পের তাড়াহুড়ো এবং মস্কোর দিকে ঝুঁকে পড়া ইউক্রেন ও ইউরোপের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি করেছে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প জেলেনস্কিকে একজন জনপ্রিয়তাহীন ‘স্বৈরশাসক’ বলে আখ্যায়িত করে দ্রুত শান্তি চুক্তি করতে বলেছিলেন।

জেলেনস্কি বলেছেন, ট্রাম্প ভুল তথ্যের জগতে বাস করছেন। সূত্রগুলো বলছে, উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা চুক্তির খসড়ায় সম্মত হয়েছেন এবং এটিতে স্বাক্ষর করার পরামর্শ দিয়েছেন। এই চুক্তি ইউক্রেনের বিশাল খনিজ সম্পদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশাধিকার খুলে দিতে পারে। ট্রাম্প বলেছেন, আমরা বলছি, আমরা নিরাপদ থাকতে চাই। আমেরিকান করদাতারা এখন তাদের টাকা ফেরত পাবে এবং আরও বেশি পাবে। ইউক্রেনের প্রাকৃতিক সম্পদে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের অধিকার চাওয়ায় জেলেনস্কি চুক্তির আগের একটি খসড়ায় স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেছিলেন। কিয়েভ প্রতিবাদ জানায় যে, তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তার চেয়ে অনেক কম সহায়তা পেয়েছে এবং চুক্তিতে ইউক্রেনের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নেই। চুক্তির খসড়ার শর্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন একটি পুনর্গঠন বিনিয়োগ তহবিল গঠন করবে। ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ, হাইড্রোকার্বন ও অন্যান্য আহরণযোগ্য সম্পদ থেকে আয় সংগ্রহ করে পুনর্বিনিয়োগ করা হবে এই তহবিলে।

ইউক্রেন তহবিলে অপারেটিং খরচ বাদ দিয়ে আয়ের ৫০ শতাংশ জমা দেবে এবং এটি অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না অবদান ৫০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্র একটি স্থিতিশীল ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ইউক্রেন গঠনে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক প্রতিশ্রুতি দেবে। খনিজ চুক্তির বিনিময়ে ইউক্রেন কী পাবে এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছে এবং অনেক সামরিক সরঞ্জাম ও লড়াই করার অধিকার দিয়েছে। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের গভর্ন্যান্স স্টাডিজের ফেলো স্কট অ্যান্ডারসন বলেছেন, এই চুক্তি বিশ্বের অনেকের কাছে এক ধরনের দস্যুতা বলে মনে হতে পারে, কিন্তু ট্রাম্প ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের সমর্থন পেতে এটি প্রয়োজনীয়। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, আমি শুনেছি তিনি (জেলেনস্কি) শুক্রবার আসছেন। অবশ্যই আমার পক্ষে এটা ঠিক আছে।

তিনি আমার সঙ্গে একসঙ্গে এটি সই করতে চান। ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ করতে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করতে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত এবং কিয়েভ ও ইউরোপকে উপেক্ষা করার পাশাপাশি তার প্রশাসনের সতর্কবার্তা যে যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিচ্ছে না, তা ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের হতবাক করেছে। হোয়াইট হাউজের বৈঠক জেলেনস্কিকে ট্রাম্পের কাছে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন চেয়ে যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ দিতে পারে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইউক্রেনকে যুদ্ধ শুরু করার অভিযোগ করেছিলেন, যা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ইউক্রেনের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন দ্বারা চিহ্নিত ৩৪টি কৌশলগত খনিজ সম্পদের মধ্যে ২২টির মজুদ ইউক্রেনে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিল্প ও নির্মাণ সামগ্রী, ফেরোঅ্যালয়, মূল্যবান ও অলৌহ ধাতু এবং কিছু বিরল মৌল। বৈদ্যুতিক যানবাহন ও পারমাণবিক চুল্লির ব্যাটারির মূল উপাদান গ্রাফাইটের বিশ্বের ২০ শতাংশ মজুদ ইউক্রেনে রয়েছে।